ঢাকা বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

বাড়ছে তিস্তার পানি, বন্যার আশঙ্কা


নিজস্ব সংবাদদাতা photo নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১৭-৬-২০২২ রাত ১২:২৬

দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভারি বর্ষণ আর উজানের ঢলে তিস্তা, বুড়ি তিস্তা, ইছামতি, যমুনেশ্বরী, ধুম, কুমলাই, চাড়ালকাটাসহ বিভিন্ন নদ-নদীতে পানি বেড়েছে। পানি বাড়তে থাকায় আতঙ্কে রয়েছে নদীপাড়ের মানুষ। এদিকে, ডালিয়ার তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বেড়ে বিপদসীমা বরাবর প্রবাহিত হচ্ছে। পানির চাপ মোকাবেলায় ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতিতে পানিপ্রবাহ আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে বন্যা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার সংযোগস্থলে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে সকাল ৯টা থেকে নদীর পানি বিপৎসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। সর্বশেষ দুপুর ১২টায় পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। এর আগে সকাল ৬টায় ওই পয়েন্টে তিস্তার পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫৭ সেন্টিমিটার। যা বিপৎসীমার (স্বাভাবিক ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) দশমিক ৩ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। 
 
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা জানান, ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি সকাল ৯টা থেকে বিপৎসীমা বরাবর প্রবাহিত হচ্ছে। পানির চাপ সামলাতে ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে। বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতিতে পানির প্রবাহ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিস্তার উজানে ভারত থেকেও পানি নেমে আসা অব্যাহত আছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই, পূর্ব ছাতনাই,খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশাচাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ি, কৈইমারী, শৌলমারী ইউনিয়নের তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চল। কোথাও কোথাও হাঁটু পানিতে ডুবে আছে ঘরবাড়িসহ উঠতি ফসল। এতে চরাঞ্চলে চাষ করা বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। 

টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ময়নুল ইসলাম জানান, রাত থেকে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করেছে। ফলে নিচু এলাকায় পানি ঢুকছে। ইতোমধ্যে মজিদপাড়া, টাবুরচর, পূর্বখড়িবাড়ি, বাঘের চর, জিঞ্জিরপাড়াসহ ছয়টি এলাকায় পানি প্রবেশ করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ছয় শতাধিক মানুষ।

খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিখন জানান, কিসামত, ছাতনাই ও দোহলপাড়া গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। এসব পরিবারের অধিকাংশ বাড়ি হাঁটু পানিতে তলিয়ে রয়েছে। অনেকে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। বর্তমানে চরের জমিতে কৃষকের তেমন কোনো ফসল নেই। তাই ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও নেই। তবে কিছু কিছু এলাকায় সবজি খেত ও আমন ধানের বীজতলার ক্ষতি হতে পারে।

জামান / জামান

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১৪ মার্চ থেকে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু: প্রধানমন্ত্রী

কামারখন্দে ইউপি সদস্য মদ খেয়ে মাতাল হয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ভাঙচুর

কোটালীপাড়ায় ৫৮ প্রান্তিক জেলে পেল বকনা বাছুর, বিকল্প আয়ে নতুন আশার আলো

রামুতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ ডাকাত আটক

সীতাকুণ্ডে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১

সাভারে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে আহত : থানায় দুই পক্ষের অভিযোগ

নরসিংদীর পলাশে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

সবুজে ঘেরা চায়ের রাজ্য মৌলভীবাজার: প্রকৃতিপ্রেমীদের স্বর্গরাজ্য

গজারিয়ায় হাশেম প্রধান ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে ঈদ উপহার বিতরণ

চেক ডিজঅনার মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ১৫মাস পর গ্রেপ্তার

তানোরে বোরো পরিচর্যা ও আলু উত্তোলনের ধুম, বাড়ছে শ্রমিকের কদর

ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

আত্মত্যাগের স্মরণে শহীদ পুলিশ পরিবারের পাশে যশোর জেলা পুলিশ