সকালের সময় টপ ১০ কর্পোরেট সংবাদ
১.
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও বাণিজ্য সহজ করতে কমিটি
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তোরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সহজ করতে, প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নে, সরকার ও বেসরকারিখাতের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বয়ে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে-‘লোকাল কনসালটেটিভ গ্রুপ’। এই কমিটি ব্যবসা-বাণিজ্যের বর্তমান সমস্যা চিহ্নিত করে-সেই আলোকে সুপারিশ করবে।
জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন (ডিটিও) উংয়ের মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমানকে প্রধান করে ১৮ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়।
এতে, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইসহ আরও কয়েকটি চেম্বারের প্রতিনিধি, গবেষণা সংস্থা এবং বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাইকাসহ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা রয়েছেন।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নেওয়া থেকে শুরু করে অন্যান্য সেবা কীভাবে আরও সহজ করা যায়-সেসব বিষয়ে সুপারিশ করবে পরামর্শক কমিটি। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমসহ অন্যান্য সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা কোন ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করছেন-সেগুলোও চিহ্নিত করা হবে।
‘লোকাল কনসালটেটিভ গ্রুপ’ এর সুপারিশের আলোকে সরকার ব্যবসায় পরিবেশের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সেক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগীদের নিকট থেকে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তাও নেওয়া হবে। শীঘ্রই কমিটি তাদের কাজ শুরু করবে বলে জানা গেছে।
২.
শোকজ আতঙ্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের ব্যাংকিং সংক্রান্ত অনিয়মের কোনো সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেই অনুমানের ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এ সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মধ্যে শোকজ আতঙ্ক বিরাজ করছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-পরিচালক থেকে পরিচালক মর্যাদার ১০ জন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছেন ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান। আর এতে স্বাক্ষর করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। এ ছাড়া নির্বাহী পরিচালক পদমর্যাদার তিন কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে নিজ চেম্বারে ডেকে শাসানোর মতো ঘটনা ঘটেছে।
গণমাধ্যমে ব্যাংকিং সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ হওয়ার বিষয়ে বাছ-বিচার ছাড়াই অনুমানের ভিত্তিতে অন্তত তিনটি বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে এই কারণ দর্শানোর নোটিস ইস্যু করেছেন কাজী ছাইদুর রহমান। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, ব্যাংকের অনিয়মের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে। অথচ কোনো সংবাদেই বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ছাড়া অন্য কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য বা সূত্র উল্লেখ করা হয়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রচলিত অফিস নিয়ম অনুযায়ী, সহকারী পরিচালক বা উপ-পরিচালক পদ মর্যাদার কোনো কর্মকর্তা যে কোনো বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ফাইল ইনিশিয়েট (দাপ্তরিক কার্যবলী শুরু করার প্রক্রিয়ার নাম) করে থাকেন। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত পরিচালক বা পরিচালক মর্যাদার কর্মকর্তাদের করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এটির প্রচলন খুব একটা নেই। কিন্তু কর্মকর্তাদের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছেন ডেপুটি গভর্নর নিজেই।
ব্যাংকিং সংক্রান্ত তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার জেরে এসব কর্মকর্তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়েছে, বিভাগের তথ্য কিভাবে সাংবাদিকরা জানতে পেরেছেন। সম্প্রতি ডলার সংকট, ডলারের অস্বাভাবিক মুনাফায় জড়িত ব্যাংকের নাম, এসব ঘটনায় ছয়টি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানদের সরিয়ে দেওয়ার সংবাদ, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কারণ দর্শানোর নোটিস, ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে ডলার পাচার, ঋণ কেলেঙ্কারি, আর্থিক প্রতিবেদনে অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বস্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে ভীতিকর পরিবেশ দেখা দিয়েছে। শুধু কারণ দর্শানোর নোটিসই নয়, মৌখিকভাবে কয়েকটি বিভাগের কর্মকর্তাদের ভৎসনা করা হয়েছে। এমনকি সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথাও বলেছেন কাজী ছাইদুর রহমান। বিভিন্ন ইস্যুতে সংবাদ প্রকাশের পরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশে কড়াকড়ি-সাময়িক নিষেধাজ্ঞার ঘটনা ইতোপূর্বেও ঘটেছে। গত জুলাই মাসে নতুন গভর্নর হিসেবে আব্দুর রউফ তালুকদার দায়িত্ব নেওয়ার দিনও গভর্নর ভবনে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে প্রতিবাদের মুখে ওই দিন বিকেলেই সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।
এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, যেসব কর্মকর্তাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তারা জবাব দিলেই নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। তবে ব্যাংকিং সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকেও পাওয়ার সুযোগ আছে। তাই তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেই গেছে-এটা বলা যাবে না ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তে গণমাধ্যমের তথ্য পাওয়ার অধিকারকে আরও সংকুচিত করবে। শুধু তাই নয়, এমন পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুশাসন ও জবাবদিহিতার পরিপন্থী।
৩.
এফবিসিসিআই সভাপতিকে নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির সম্মাননা

বাণিজ্য ডেস্ক
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজে অবদান রাখায় এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনকে সম্মাননা দিয়েছে নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি। ইতিহাসে এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতা নিজের দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অসাধারণ অবদানের জন্য নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির সম্মাননা পেলেন।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছর উপলক্ষে নিউইয়র্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি এফবিসিসিআই সভাপতিকে এ সম্মাননা প্রদান করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।
এ সময় এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন দরজা খুলবে। যুক্তরাষ্ট্রের মূল ধারার বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জনপ্রিয়তা বাড়াতে তৃতীয় ও চতুর্থ প্রজন্মের বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান জসিম উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও নিউইয়র্ক আদালতের বিচারপতি সোমা সৈয়দ।
৪ । বাংলাদেশ ও চীনের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলাদেশ-চীনের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাড়ানোর লক্ষে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) এবং চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস এসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি)।
এর ফলে চীনা উদ্যোগ এবং স্থানীয় সরবরাহকারীদের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত শনিবার ঢাকার পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে এই স্মারকে বিসিসিসিআই’র পক্ষে চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল আল মামুন মৃধা এবং সিইএবি’র পক্ষে এর সভাপতি কে চাংলিয়ান স্বাক্ষর করেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে দু’দেশেরে মধ্যে পারস্পারিক সহযোগিতা ছাড়াও দুটি সংস্থার মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, প্রত্যাশিত সোনার বাংলা গড়ে তোলা এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) প্রচারিত হবে।
চীনের, উন্নয়ন, একটি বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তোলা যা ব্যবসাকে প্রসারিত করে ব্যবসাকে সহজতর করে সাংস্কৃতিক বিনিময়, বন্ধুত্ব এবং বাণিজ্যের প্রচারের পাশাপাশি একটি জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স (জেটিএফ) গঠন করা হবে।এ সময় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট গাজী গোলাম মুর্তজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং, চীনে নিযুক্ত সদ্য বিদায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান, সিইএবি সভাপতি কে চাংলিয়ান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিসিসিআই’র ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল আল মামুন মৃধা।
৫.
তুরস্কে যাচ্ছে ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধিদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা খুঁজতে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) ৮৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল চার দিনের সফরে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যাচ্ছে। মঙ্গলবার ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি ঢাকা ত্যাগ করবে। ডিসিসিআই জানিয়েছে, বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার নতুন বাণিজ্যের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণই ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধিদলটির ইস্তাম্বুল সফরের মূল লক্ষ্য।
সফরকালে ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধিদল ২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য সংগঠন ‘ইস্তাম্বুল চেম্বার অব কমার্স’ আয়োজিত ‘দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনা এবং বিটুবি সেশন’, ২৯ সেপ্টেম্বর ফরেন ইকোনোমিক রিলেশন্স বোর্ড অফ টার্কি (ডেইক) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার ও বিটুবি সেশনে অংশগ্রহণ করবে।
এছাড়া, সফরকালে তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী মেহমেট মুস-এর সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান সাক্ষাৎ করবেন। সেই সঙ্গে ডিসিসিআইর প্রতিনিধিদলটি ইস্তাম্বুলে অবস্থিত বেশকয়েকটি শিল্পাঞ্চল পরিদর্শন করবে। বিশেষ করে সেবা, উৎপাদন এবং জেনারেল ট্রেডিং খাতে সহযোগিতা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশে তুরষ্কের বিনিয়োগ আকর্ষণ ও সম্ভাবানাময় খাতে জয়েন্ট ভেঞ্চার কার্যক্রম বৃদ্ধিতে এ সফর গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
৬.
৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে ডরিন পাওয়ার
নিজস্ব প্রতিবেদক
পুঁজিবাজারে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ডরিন পাওয়ারের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং সকল শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ রয়েছে।
২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য মতে, ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। আর ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে বিতরণে কোম্পানিটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ নভেম্বর।
৭.
জাইকা থেকে ৬০ কোটি ডলার পাওয়ার আশা পরিকল্পনামন্ত্রীর
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) থেকে ৬০ কোটি মার্কিন ডলার বাজেট সহায়তা পাওয়ার আশা করছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
সোমবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জাইকার আবাসিক প্রতিনিধি ইয়ো হায়াকাওয়া বিদায়ী সাক্ষাত শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় নতুন জাইকাপ্রতিনিধি ইচিগুচি টমোহাইড উপস্থিত ছিলেন। তিনি এক সপ্তাহ আগে যোগদান করেছেন।
সাক্ষাতকার শেষে মন্ত্রী বলেন, বাজেট সহায়তায় বিষয়টি আলোচনা পর্যায়ে আছে, এখনো চূড়ান্ত হয়নি। যেহেতু আমি সরকারের একটা দায়িত্বে আছি তাই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাজেট সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার বাজেট সহায়তা চেয়ে জাইকাকে কিছু আভাস দিয়েছে। এটা প্রক্রিয়াধীন আছে, আগামীতে ইতিবাচক বলে মনে হয়েছে। তবে সকলের কিছু আইন-কানুন আছে, এগুলো মেনেই কাজ করতে হবে। আমার বিশ্বাস সব প্রসেসিং হওয়ার পর আমরা বাজেট সাপোর্ট পাবো।
তিনি আরো বলেন, এটা আলোচনার জন্য আমি সঠিক জায়গা নয়। এটা নিয়ে কাজ করবে ইআরডি, তবে যেহেতু সরকারে আছি মন্ত্রণালয়ে উঠেছি সুতরাং আলোচনা করেছি। পরিবেশটা অনেক ইতিবাচক। ৬০০ থেকে ৭০০ মিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা জাইকা আমাদের দেবে।তিনি আরও বলেন, আড়াই হাজারে জাপানি অর্থায়নে ইকোনোমিক জোন হচ্ছে এখানে কাজ করতে চায় জাইকা। এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে প্রকল্পটি দ্রুত সময়ে একনেক সভায় উঠবে। মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুতে জাপান কাজ করছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে আমরা আরও আগ্রহী। এই খাতে জাইকা কাজ করতে ইচ্ছুক। আমরা আমাদের নৌবন্দরগুলোতে আরও কাজ করতে চায়। অবকাঠামো খাতে জাইকা বেশি কাজ করতে চায়। রেল, সমুদ্র খাত নিয়ে কাজ করতে চায়।
৮.
টেকসই ও সবুজ অর্থায়নে ব্যয় বাড়িয়েছে ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
অনিয়ন্ত্রিত কার্বন নিঃসরণে বাড়ছে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি। বাড়ছে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা ও পানি বৃদ্ধি এবং মাটির লবণাক্ততা। ঝুঁকিগুলোকে শনাক্ত করে তা বন্ধে শুরু হয়েছে নানামুখী কার্যক্রম। এ ক্ষেত্রে এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন ব্যাংক।কার্বন নিঃসরণ কমাতে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে বেড়েছে ব্যাংকগুলোর অর্থায়ন। আবার টেকসই অর্থায়নের আওতায় এমন প্রকল্প যুক্ত হচ্ছে, যেখানে ব্যবহার হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ। এর ফলে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই শিল্পের সংখ্যাও বাড়ছে দিন দিন।ঝুঁকি কমাতে এই দুই খাতে অর্থায়নের লক্ষ্য বেঁধে দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এসব খাতে অর্থায়নে নজর বাড়াচ্ছে। পাশাপাশি এখন দেশের অনেক ব্যাংকের শাখা ও এটিএম বুথে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার হচ্ছে।ব্যাংকগুলোতে বিদ্যুতের ব্যবহার কমাতে গুরুত্ব পাচ্ছে প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার। কাগজের ব্যবহার কমাতেও উদ্যোগ নিয়েছে কোনো কোনো ব্যাংক। এ খাতে ব্যাংকগুলোর অর্থায়ন বাড়ছে।
চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো টেকসই প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে ৩১ হাজার ৬২২ কোটি ডলার। এর মধ্যে ব্যাংকগুলো অর্থায়ন করেছে ৩০ হাজার ৫৭৮ কোটি ডলার, যা মোট ঋণের ১১ দশমিক ৮৮ শতাংশ। একই সময়ে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে ব্যাংকগুলো ২ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার অর্থায়ন করেছে, যা ব্যাংকগুলোর মোট মেয়াদি ঋণের ৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০৫০ সালের মধ্যে ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের ৫০ শতাংশ সবুজ অর্থায়নে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। তবে এ দুটি খাতে ঋণ বাড়াতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হার কমাতে হবে।
টেকসই অর্থায়নে কত অর্থ : বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফিন্যান্স পলিসি অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো সাসটেইনেবল ফিন্যান্সের ১১টি ক্যাটাগরিতে মোট ৬৮টি পণ্যের বিপরীতে ঋণ দিতে পারে। এসব পণ্যের অধিকাংশই সবুজ অর্থায়নের অন্তর্ভুক্ত।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত দেশের ব্যাংকগুলো টেকসই প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে ৩০ হাজার ৫৭৮ কোটি ডলার, যা মোট ঋণের ১১ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থায়ন করেছে ১ হাজার ৪৩ কোটি ডলার, যা মোট ঋণের ১৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
গত মার্চ পর্যন্ত দেশের ব্যাংকগুলো টেকসই প্রকল্পে অর্থায়ন করে ২৫ হাজার ২৯০ কোটি ডলার, যা মোট ঋণের ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থায়ন করে ৮৫৯ কোটি ডলার, যা মোট ঋণের ১৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ঋণ বিতরণের এই ঊর্ধ্বমুখী হার ইঙ্গিত দিচ্ছে, সবুজ অর্থায়নের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে। টেকসই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে কৃষি, সিএমএসএমই, পরিবেশবান্ধব কারখানা, সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল প্রকল্পে অর্থায়ন। যদিও মোট ঋণের ২০ শতাংশ টেকসই প্রকল্পে হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণের ৭৩ শতাংশ নিয়েছে পুরুষ আর ২৭ শতাংশ নারী।
সবুজ অর্থায়ন : একই সময়ে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে ব্যাংকগুলো ২ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার অর্থায়ন করেছে, যা ব্যাংকগুলোর মোট মেয়াদি ঋণের ৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থায়ন করেছে ৩১০ কোটি ডলার, যা প্রতিষ্ঠানগুলোর মেয়াদি ঋণের ৬ দশমিক ৭২ শতাংশ।
মার্চ পর্যন্ত পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে ব্যাংকগুলো ১ হাজার ৬৮৯ কোটি ডলার অর্থায়ন করে, যা ব্যাংকগুলোর মোট মেয়াদি ঋণের ৩ দশমিক ১০ শতাংশ। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থায়ন করে ৪০৯ কোটি ডলার, যা প্রতিষ্ঠানগুলোর মেয়াদি ঋণের ৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
পরিবেশবান্ধব প্রকল্পের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন, বর্জ্য পরিশোধনাগার বা ইটিপি নির্মাণ, পরিবেশবান্ধব ইট উৎপাদন অন্যতম। এই খাতে মোট মেয়াদি ঋণের ৫ শতাংশ ঋণ দেয়ার শর্ত রয়েছে। টেকসই ও সবুজ অর্থায়নে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করতে দুই বছর ধরে বিভিন্ন মানদণ্ডে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) টেকসই বা সাসটেইনেবল রেটিং বা মান প্রকাশ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শীর্ষ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান : চলতি জুন শেষে টেকসই অর্থায়নে বিদেশি ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া তাদের লক্ষ্যমাত্রার ৮২ দশমিক ২৯ শতাংশ অর্জন করেছে। বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণের তালিকায় দ্বিতীয় ন্যাশনাল ব্যাংক ৬৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ।
এরপর আছে যথাক্রমে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ৫৩ দশমিক ৭২, কৃষি ব্যাংক ৫০ দশমিক ৬৭, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ৩১ দশমিক ৪৭, ট্রাস্ট ব্যাংক ২৮ দশমিক ৫৫, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ২৫ দশমিক ৮১, যমুনা ২৩ দশমিক ০৯, এনআরবি কমার্শিয়াল ২২ দশমিক ৪১, ব্র্যাক ২০ দশমিক ৬৮ এবং জনতা ব্যাংক লক্ষ্যমাত্রার ২০ দশমিক ১১ শতাংশ বিতরণ করেছে।
ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) মধ্যে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ ঋণ বিতরণ করেছে। এ ছাড়া লংকান অ্যালায়েন্স ৮৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ, হজ ফাইন্যান্স ৫৭ শতাংশ, মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স ৪৭ দশমিক ০৯ শতাংশ ও সিভিসি ফাইন্যান্স ৪৩ দশমিক ২১ শতাংশ ঋণ দিয়েছে।
৯.
মিলান ফ্যাশন উইক
মানবাধিকারে ‘সাসটেইনেবল ফ্যাশন অ্যাওয়ার্ডস’ পেলেন রুবানা হক
বাণিজ্য ডেস্ক
মানবাধিকার বিভাগে ‘সিএনএমআই সাসটেইনেবল ফ্যাশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২২’ পেলেন ড. রুবানা হক। ইতালির মিলান ফ্যাশন উইককে সামনে রেখে বিভিন্ন বিভাগে এ পুরস্কার দেয় ন্যাশনাল চেম্বার অব ইটালিয়ান ফ্যাশন (সিএনএমআই) ও ইউনাইটেড নেশনস ইথিক্যাল ফ্যাশন ইনোশিয়েটিভ (ইফি)।ইতালীয় ও আন্তর্জাতিক ফ্যাশন শিল্পে দূরদর্শিতা, উদ্ভাবন, কারুশিল্পের প্রতি প্রতিশ্রুতি, মানবাধিকার ও পরিবেশগত ন্যায়বিচারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান বিবেচনায় নির্বাচিত ব্যক্তিত্বরা এ পুরস্কার পেয়ে থাকেন। গত রোববার রাতে মিলানের স্কালা থিয়েটার এ জমকালো আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
বিখ্যাত ফ্যাশন হাউস ভ্যালেন্টিনোর আর্টিস্টিক ডিরেক্টর পিয়েরপাওলো পিকিওলির কাছ থেকে পুরস্কার নেন রুবানা হক।গার্মেন্টস কর্মী ও উৎপাদকদের পুরস্কারটি উৎসর্গ করেছেন ড. রুবানা। এ সময় আন্তর্জাতিক ফ্যাশন জগতকে পোশাক উৎপাদনকারী দেশগুলোর প্রতি আরো বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এবার ১৪টি বিভাগে ‘সিএনএমআই সাসটেইনেবল ফ্যাশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২২’ পুরস্কার পেয়েছে খ্যাতিমান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন আইলিন ফিশার, জর্জিও আরমানির মতো ব্যক্তিত্ব ও টিম্বারল্যান্ড, বোটেগার মতো প্রতিষ্ঠান।
১০.
পেট্রোনাস ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট অনুষ্ঠিত
বাণিজ্য ডেস্ক
মালয়েশিয়ার বিশ্বখ্যাত পেট্রোনাস লুব্রিকেন্টসের ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকাস্থ হোটেল শেরাটনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইউনাইটেড গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড লুব ওয়েল লিমিটেড, বাংলাদেশে পেট্রোনাস লুব্রিকেন্টস্ ইন্টারন্যাশনালের একমাত্র পরিবেশক ও প্রস্তুতকারক পার্টনার।
ইউনাইটেড গ্রুপের ডিরেক্টর- নাসিরুদ্দিন আক্তার রশীদ, অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর– খন্দকার জায়েদ আহসান, ইউনাইটেড লুব ওয়েল লিমিটেডের সি.ই.ও. - আমির এইচ খান, ডিরেক্টর- ওয়ায়েজ মাহমুদ, পেট্রোনাস লুব্রিকেন্টস ইন্টারন্যাশনালের এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চলের ইন্ডাস্ট্রিয়াল লুব্রিকেন্টসের প্রধানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পেট্রোনাস লুব্রিকেন্টসের প্রুফ অব পারফরম্যান্স ও পারস্পরিক ব্যবসায়িক সহযোগিতা এবং সমৃদ্ধি নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা করা হয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
নোয়াখালীতে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং মতবিনিময় সভা ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত
নীরা গ্রাহকদের বিশেষ সুবিধা দিতে শাহরুখ আমিনের সঙ্গে প্রাইম ব্যাংকের চুক্তি
স্যামসাং মোবাইলের অনুমোদিত পরিবেশক হিসেবে যুক্ত হলো এসইবিএল
স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এর ৪২৫তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত
দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন মোঃ মনজুর মফিজ
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ৯১৭তম সভা অনুষ্ঠিত
ইসলামী ব্যাংকের শরী’আহ সুপারভাইজরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
বিএমইউ উপাচার্যের সাথে চীনা কাউন্সিলরের সাক্ষাৎ: জয়েন্ট সার্জারি ক্লিনিক চালুর উদ্যো
ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে নতুন অধ্যায়: বেতনভিত্তিক গ্রাহকদের জন্য ‘কমিউনিটি EWA 360’ উন্মোচন
অক্সফোর্ড ইনিভার্সিটির প্রফেসর ব্রায়ান অ্যাঙ্গাসকে সম্মাননা প্রদান
পুষ্টি বৈশাখী মেলা ১৪৩৩: ঐতিহ্য, স্বাদ ও বিনোদনের বর্ণিল উৎসব
কর্ণফুলী টানেলের আয় বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিতে সেতু সচিবের মতবিনিময় ও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন