প্রেমিককে স্বামী হিসেবে পেতে ১৩ দিন অনশনে নাসরিন, দেওয়া হয়নি এসএসসি পরিক্ষাও
বিয়ের দাবিতে ১৩ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে এসএসসি পরীক্ষার্থী নাসরিন সুলাতানা। প্রস্তুতি থাকার পরেও এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারলো না নাসরিন।
মঙ্গলবার (২ মে) সকালে প্রেমিক মিজানুর রহমান মিজানের বাড়িতে ১৪তম দিনে অনশনে থাকতে দেখা যায় প্রেমিকা নাসরীনকে।
প্রেমিক মিজান লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার বড় কমলাবাড়ি গ্রামের শাখা নেওয়াজের ছেলে। নাসরীন সুলতানা একই এলাকার নাজিম উদ্দিনের মেয়ে। কিসামত চড়িতাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক শাখার চলতি এসএসসি পরীক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ ৫ বছর আগে নাসরীন সুলতানার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে প্রেমিক মিজানুর রহমান মিজানের। এরই মধ্যে পাশ্ববর্তি আদিতমারী কালীস্থান এলাকার লোকমান আলীর ছেলে আল আমিনের সাথে নাসরীনের বিয়ে দেয় পরিবার। বিয়ে হলেও সম্পর্ক অটুট রাখে প্রেমিক মিজান। বিয়ের এক মাসের মধ্যে স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়ি চলে আসে নাসরীন। পড়ালেখার পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ রাখে প্রেমিক মিজানের সাথে।
নাসরীন সুলতানা স্বামীর বাড়ি না গেলে ৩ বছর আগে স্বামী আল আমিন অন্যত্র বিয়ে করে ঘর সংসার শুরু করে। নাসরীনকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে সম্পর্ক চালিয়ে যায় প্রেমিক মিজান। প্রেমের সম্পর্ক থেকে দৈহিক সম্পর্কেও জড়ায় তারা।
প্রেমিক মিজান নাসরীনকে ফাঁকি দিয়ে গত ৪ মাস ধরে গোপনে সাবিনা আক্তার নামে অপর এক মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। গত ১৬ এপ্রিল বিয়ের দাবিতে মিজানের বাড়িতে অনশন শুরু করে দ্বিতীয় প্রেমিকা সাবিনা আক্তার।প্রেমিক মিজানের অনুরোধে ওই বাড়িতে গিয়ে দ্বিতীয় প্রেমিকাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন নাসরীন।
এরপর প্রেমিক মিজান ও তার পরিবারের কথামত প্রথম স্বামী আল আমিনকে গত ১৮ এপ্রিল তালাক দেন নাসরীন। পরদিন রাতেই মোটা অংকে যৌতুকে দ্বিতীয় প্রেমিকা সাবিনাকে বিয়ে করেন প্রেমিক মিজান। খবর শুনে ওই দিন মিজানের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে প্রথম প্রমিকা নাসরীন সুলতানা। তাকে দেখে নতুন বউসহ মিজানকে বাড়ি থেকে পালিয়ে দেয় তার পরিবার।
অনশনের ১২ দিন হলেও বিয়ের দাবি ছাড়েনি নাসরীন। প্রেমিক মিজানের বাড়ির উঠানেই রাত কাটছে তার। রোববার(৩০ এপ্রিল) এসএসসি পরীক্ষা শুরু হলে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিলেও তাকে পরীক্ষা দিতে যেতে দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ নাসরীনের।
অনশনে থাকা এসএসসি পরীক্ষার্থী নাসরীন জানান, আমার সাথে ছেলের বিয়ে দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মিজানের বাবা আমার সহায়তায় সাবিনাকে অনশন থেকে সড়ায়। মিজান ও তার বাবার কথায় প্রথম স্বামীকে তালাক দিয়েছি। তারা পুরো পরিবার দীর্ঘ ৫ বছর ধরে আমাদের সম্পর্কের কথা জানে। মেনে নিতে চেয়েও সাবিনার পরিবারের দেয়া ৫ লাখ টাকা যৌতুকে তাকে বিয়ে করে। আমাকে পরীক্ষাও দিতে দেয়নি। সাদা কাগজে স্বাক্ষর না দিলে পরীক্ষার হলে যেতে দেয়নি মিজানের পরিবার। প্রেমিককে স্বামী হিসেবে পেতে পরীক্ষা দিতে যাওয়া হয়নি। মিজানের সাথে বিয়ে না হলে আত্নহত্যা করবে বলে নাসরীন জানায়।
নাসরীন আরো জানান, কমলাবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলাল উদ্দিন বিষয়টি মিমাংসা করে দিবেন বলে তাকে দেড় ঘন্টা সময় দিতে বলেছেন। তিনি কেন এ কথা বললেন তার এই অনৈতিক চাওয়ার বিচার চাই।
আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, আইনী জঠিলতার কারনে বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যাক্তিরা আপোষের চেষ্টা করছেন। পরীক্ষা দিতে দেয়া হয়নি বিষয়টি থানায় অবগত করলে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌছানোর ব্যবস্থা করা হত।
এমএসএম / এমএসএম
কুড়িপাড়া ভূমি অফিস সেবা গ্রহিতার আতঙ্কের নাম ওমেদার দিয়ে চলে ঘুষ বানিজ্য
পটুয়াখালী-১ আসনের ১১ দলীয় মনোনীত প্রার্থী এবি পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের সাথে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ
অতিরিক্ত দামেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার বিপাকে পড়ে মাটির চুলা ব্যবহার
নির্বাচনে কঠোর অবস্থানে পুলিশ : ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ
কুমিল্লা সীমান্তে ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ
কেশবপুরে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে খুলনার আদালতে যৌতুক ও নির্যাতনের মামলা
‘গণভোট ও সংসদ নির্বাচন, দেশের চাবি আপনার হাতে’ : ত্রিশালে ভোটের গাড়ির ব্যতিক্রমধর্মী গণসচেতনতা কার্যক্রম
কাউনিয়ায় কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসে রেলওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান
রামুতে পুলিশের যৌথ অভিযান: ধানের বস্তায় মিলল রাইফেলের গুলি, অস্ত্র কারিগর কালু গ্রেফতার
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান
তারাগঞ্জে মহাসড়কে যত্রতত্র আটো রিকশা, সিএনজি পার্কিং,বাড়ছে দুর্ঘটনা