পুলিশের তৎপরতায় প্রতারনার ফাঁদ থেকে রক্ষা পেল ভুক্তভোগীরা
বর্তমান সমাজে বেকারত্ব থেকে রক্ষা পেতে মুল লক্ষ থাকে একটি কর্ম। তাই কর্মহীন বেকার যুবকেরা এই দুঃখ ঘোচানোর অবলম্বন হিসাবে পেতে চায় একটি চাকুরী। তেমনিই একটি স্বপ্ন পুরনের আশায় প্রতারিত হয় গোল্ডেন সার্ভিস লিঃ নামক একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহারকারী কিছু প্রতারক চক্রের হাতে। উল্লেখ্য
গোল্ডেন সার্ভিস লিঃ, জাকির হোসেন রোড। বাসা-২৫,মোহাম্মদপুর,ঢাকা-১২০৭ এই ঠিকানায় কোন অফিসের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার বিবরনে জানা যায় যে, ২০২১ সালে একটি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গোল্ডেন সার্ভিস লিঃ নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আউট সোর্সিং -এ বেশ কিছু সংখ্যক ওয়ার্ড বয় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে চুয়াডাঙ্গা জেনারেল হাসপাতালে। এই সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা এবং জেলা হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় নিয়োগ দেওয়া চলমান থাকে উক্ত গোল্ডেন সার্ভিস লিঃ এর মাধ্যমে। যা সিভিল সার্জন এ এস এম মারুফ হাসান এর কর্মকালিন থাকা অবস্হায় বিভিন্ন এজেন্ট মাধ্যমে ২৫০ থেকে ৩০০ জনের মত ওয়ার্ড বয় হিসাবে কাজ করেছে বলে নির্ভারযোগ্য সুত্র থেকে পাওয়া যায়। এই সুবিদে বিশ্বাস স্হাপন করা সহজ হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মিরাজুল ইসলামকে স্মারক নং চুয়া/হাস/০২৩/২১ নং এ কোম্পানি কর্তৃিক নিয়োগকৃত টিম লিডার এর সাথে যোগসাজশে ২ মাসের অধিক সময় ধরে কর্মে নিয়োজিত রাখার ভিতর দিয়ে মোঃ তারিখ আজিজ এবং আবদুল্লাহ আল মামুন কে ভূয়া নিয়োগপত্র দিয়ে বিশ্বাস স্হাপন করতে সমর্থ্য হয়। এভাবে প্রতারকচক্রের মুল হোতা শ্রী প্রসেনজীৎ সরকার ও তার সহকারী মোঃ ইকবাল হোসেন ও তাদের সৃষ্ট আর এক প্রতারক মিরাজুল হক সোহাগকে ভাইবা নিয়ে চাকুরীর নিয়োগপত্রের প্রক্রিয়া সৃষ্টি করে। এভাবে মৌখিক ভাইভা ও মেডিকেল করার নাম দিয়ে বাকি ৩ জনের কাছ থেকে সহজেই ২ লক্ষ টাকা চুক্তিতে টাকা গ্রহন করে। কিন্ত পূর্ণ বিশ্বাস তৈরী করায় চাকুরী নিশ্চিত হবে জেনে অপেক্ষার পালা শুরু হয়। প্রথম তিন জনের ভূয়া নিয়োগপত্র দিলেও বাকি তিনজনের নিয়োগপত্র দিতে গড়িমশি শুরু করে। ভুক্তভোগীরা বিষয়টি আছ করতে পেরে টাকা ফেরত চাইলে সবকিছু হাসপাতাল কতৃর্পক্ষকে দোষ চাপনোর চেষ্টা করে। যা মরার উপর খাড়ার ঘা। উপায়ান্তর না পেয়ে তাদের বিরুদ্ধে সি,এম,এম, ঢাকা, ১৮ নম্বর কোর্টে ২০২২ সালের জুন মাসে প্রতারনার বিরুদ্ধে রাকিক শেখ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর সি, আর -৮২৬/২২ ঘটনার বিবরনে বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নেন। এই চক্রটি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পদের পরিচয় ব্যবহার করে সেনাবাহিনী, এয়ারপোর্ট ও পুলিশ বিভাগে চাকুরী দেয়ার প্রলোভন দিয়ে অনেকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে ফোন বন্ধ করে নতুন নতুন সিম ব্যবহার করে থাকে এই কারনে সাধারন ভূক্তভোগীরা তাদের খুজে পাইনা।কিন্ত এই মামলায় তদন্ত ভার দেন পি,বি,আই, ধানমন্ডি, ঢাকা বরাবর।
যা পরবর্তীতে পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আশরাফুজ্জামান আঁগারগাও, ঢাকা কে তদন্ত ভার অর্পন করেন।
উক্ত মামলাটি তদন্ত কালে তদন্তকারী কর্মকর্তা অত্যন্ত দক্ষতার পারিচয় দিয়ে প্রকৃত ঘটনা উৎঘাটন করতে সমর্থ্য হয়। মামলাটি তদন্তকালে প্রতারক চক্র নাম ঠিকানা না দিলেও অফিসের তথ্য, কল রেকডিং এবং মোবাইলে ম্যাজেজে স্বীকার উক্তির তথ্য মোতাবেক নিজের আন্তরিক প্রচেষ্টায় তাদের নিজ নিজ ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর এর সুত্র ধরে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতারক চক্রের ২ জনের নাম ঠিকানাসহ দোষী থাকার আলামত উৎঘাটনের মাধ্যমে প্রতিবেদন দিয়ে ভূক্তভোগীদের ভূগান্তি দুরকরনে উজ্জল দৃষ্টান্ত স্হাপন করলেন। মামলার বিবরনে ১ নং আসামীর নাম ও ঠিকানাঃ শ্রী প্রসেনজীৎ সরকার পিতাঃ আশুতোষ সরকার গ্রামঃ সাতবাড়িয়া,ত্রিমোনি,থানা-কেশবপু
এই মামলা তদন্ত বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টগেশন(পিবিআই) এর পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আশরাফুজ্জামান কে জানতে চাইলে তিনি বলেন পিবিআই সরকারের একটি আস্হাসিল সংস্হা। তাই যেকোন মামলার তদন্তে সঠিক তথ্য উৎঘাটন করা আমার নৈতিক দায়িত্ব।
এমএসএম / এমএসএম
গাইবান্ধায় বাড়ছে অপরাধপ্রবণতা, ছয় মাসে ১২০ ধর্ষণ ও ২৪ খুন
কুড়িগ্রামে জাতীয় যুব শক্তির নতুন কমিটির পরিচিতি সভাসহ মেয়র প্রার্থীর আত্বপ্রকাশ
তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার টিএসআই আসাদুজ্জামান
কুষ্টিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ঘুষ, হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ
মনোহরগঞ্জে ২০ বছরেও সংস্কার হয়নি সড়ক জনদুর্ভোগ চরমে
শেরপুরে শিক্ষার প্রেরণায় জেলা প্রশাসকের বিদ্যালয় পরিদর্শন, শিক্ষা উপকরণ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
বাঘায় মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার ১
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ও কাঁকড়া শিকার
বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে দুই শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক
চট্টগ্রামে আইএসপি প্রতিষ্ঠানে হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন
ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ
পেকুয়ায় বন্যার গ্রাসে আনাবিয়া এগ্রো, ক্ষতির আশঙ্কা ২ কোটি টাকা