ঢাকা সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

ভালো যেমন লাগছে, দুঃশ্চিন্তাও হচ্ছে : মন্দিরা


বিনোদন ডেস্ক photo বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০-৩-২০২৪ দুপুর ১২:২৫

রোজার ঈদে মুক্তি পাবে মন্দিরা চক্রবর্তী অভিনীত প্রথম ছবি ‘কাজলরেখা’। গিয়াস উদ্দিন সেলিমের এই ছবির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। হাতে আছে আরো একটি নতুন ছবির কাজ। মন্দিরার সঙ্গে কথা বলেছেন সুদীপ কুমার দীপ।

আগে দুইবার মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সেলিম ভাই। তখন এতটা টেনশন কাজ করেনি, কিন্তু ঈদে মুক্তি পাবে শোনার পর থেকে একদিকে যেমন ভালো লাগছে অন্যদিকে দুঃশ্চিন্তাও হচ্ছে। ‘কাজলরেখা’ ছাড়াও এক ডজনের বেশি ছবি মুক্তি পাবে এই ঈদে।

শাকিব খান চলচ্চিত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেতা। তাঁর ছবিতো আছেই, ‘কাজলরেখা’ ছাড়াও শরিফুল রাজের আরো দুটি ছবি আছে। রোশান, সাইমন সাদিকসহ অনেক অভিনেতার ছবিও আছে। প্রত্যেকেই দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্য পেয়েছেন।

আমিই একমাত্র আনকোরা, নতুন। তবু আত্মবিশ্বাস আছে। বিশেষ করে গিয়াস উদ্দিন সেলিম ভাই আমার প্রথম ভরসা। তিনি গুণী নির্মাতা, বুঝেশুনেই ঈদে আসছেন। ছবির খামতি থাকলে নিশ্চয়ই এমন বাজি তিনি ধরতেন না।এ চিন্তাটা করে একটু সাহস পাচ্ছি।

প্রচারণায় ‘কাজলরেখা’ এগিয়ে। দর্শক টানতে কি এটাও একটা কারণ হবে বলে মনে করছেন?অবশ্যই। আমরা আরো একমাস আগে থেকে প্রচারণা শুরু করেছি। গান প্রকাশ পেয়েছে ইউটিউবে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও যাচ্ছি আমরা। অন্যান্য ছবিগুলো কিন্তু এখনো এসব কিছুই করেনি। প্রচারেই প্রসার। সেলিম ভাইসহ আমাদের টিম মেম্বাররা ছবির খবর মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একান্ত চেষ্টা করে চলেছে।

২০২২ সালে ‘কাজলরেখা’ শুটিং শুরু করার পর নিশ্চয় আরো ছবির প্রস্তাব পেয়েছিলেন। মাত্র একটি করেছেন—‘নীল চক্র’। কেন? গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ছবিতে অভিনয় করছি, তাও নাম ভূমিকায়—এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নিয়মিত নতুন ছবির প্রস্তাব পেয়েছি। নিজেকে সামলে নিতে পেরেছিলাম। অযথা নামমাত্র ছবিতে অভিনয় করে ‘কাজলরেখা’র মতো ছবির হাইপ নষ্ট করতে চাইনি।

‘নীল চক্র’তে অভিনয় করার বেশ কয়েকটি কারণ আছে। প্রথম কারণ, আমি ছোটবেলা থেকেই...এই যাহ! ছোটবেলা বললে আবার রাগ করতে পারে [হা হা হা]...প্রথম থেকেই আরিফিন শুভ ভাইয়ের ভক্ত। বলতে পারেন আমার ক্রাশ। তাঁর সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ লুফে নিতেই ‘নীল চক্র’কে ‘হ্যাঁ’ বলেছি। দ্বিতীয়ত, চরিত্রটি একজন ধ্রুপদী নৃত্যশিল্পীর। আমি নিজেই নাচের মানুষ। চরিত্রটি করতে সুবিধাই হবে। আর তৃতীয় কারণ হলো, ছবির নির্মাতা মিঠু খানের চিন্তা-ভাবনার সঙ্গে আমার বেশ মিলে যাচ্ছিল। সব মিলিয়েই ছবিটি করেছি।

এরইমধ্যে একটি ছবি চূড়ান্ত হয়েছে। জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে শুটিং। তৃতীয় ছবিটিও অনেক বড় বাজেটের, নামি নির্মাতা এবং সহশিল্পীরাও দেশের নামকরা তারকা। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি দেশের শীর্ষস্থানীয়। তাদের কড়া নিষেধ, শুটিং শেষ করার আগে কিছু জানানো যাবে না।

সবার আগে বাছাই করি গল্প। আমার তিনটি ছবিই নারীকেন্দ্রিক। আমাকে ঘিরেই গল্প আবর্তিত হয়েছে। এ ধরনের গল্পে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাওয়া যায়। অন্য চরিত্রগুলোও আমার ওপরই নির্ভরশীল থাকে। আগেই বলে রাখছি, আমার ক্যারিয়ারের চতুর্থ ও পঞ্চম ছবিও হবে নারীপ্রধান গল্পের। 

আপনার শেকড় নাচ। অথচ সেখান থেকে অনেকটাই দূরে সরে আছেন... কিছু করার নেই। ‘কাজলরেখা’ মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত নাচে মনোযোগ দিতে পারছি না। বাসায় কিন্তু নিয়মিত চর্চা করি। স্টেজ শো করার মতো ফুরসত নেই।

বেশ কয়েকটি প্রস্তাব পেয়েছিলাম। সেগুলো করলে খুব একটা লাভ হতো না। গতানুগতিক গল্প, আমার চরিত্রের গুরুত্বও ততোটা ছিল না। তবে ওটিটি প্লাটফরমে কাজ করতে খুবই আগ্রহী। ভিন দেশি সিরিজ, ছবি যখন দেখি খুব ভালো লাগে। পছন্দমতো গল্প ও চরিত্রের অপেক্ষায় আছি। পেলে করব।

 

Israt / Israt