ঢাকা সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নেত্রকোণায় নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ প্রশাসনের বিরুদ্ধে


নেত্রকোনা প্রতিনিধি  photo নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১-৮-২০২৪ দুপুর ৩:১৮
নেত্রকোণার ধনুনদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে খালিয়াজুরী উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর তৈরীতে উপজেলা প্রশাসন নিজেই অবৈধ ভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অস্বীকার করলেও স্বীকার করেছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও বালু উত্তোলনে নিয়জিত ড্রেজার মালিকরা। আশ্রায়ন প্রকল্প  তৈরীতে মাটি ভরাটের জন্য সরকারি ভাবে টাকা বরাদ্দ থাকলেও অবৈধ ভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে মাটি ভরাটের টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে জানান, নাম প্রকাশ না করার  শর্তে অনেকেই। 
নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে দরিদ্রদের জন্য তৈরী করা হয়েছে ও হচ্ছে আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর। আর এ ঘর তৈরীতে মাটি ভরাটসহ ঘর তৈরীর সকল খরচ বহন করে আসছে সরকার। উপজেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে তৈরী হচ্ছে এ সব আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর। বর্তমানে চলমান আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর তৈরীতে ধনুনদী থেকে বালু উত্তোলন করে ভরাট করা হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত জায়গা। নিয়ম বহির্ভূত ভাবে নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে আশ্রয়ন প্রকল্পের জায়গা ভরাট করে উপজেলা প্রশাসন সরকারী টাকা আত্মসাৎ করছেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন স্থানীয়রা। উপজেলার রসুলপুর, পাঁচহাট ও জগন্নাথ পুরের সামনে থেকে প্রতিদিন খালিয়াজুরী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবু বকর, লেপসিয়া এলাকার আব্দুল কদ্দুস ও নূরালীপুরের আনোয়ার তিনটি বড় বড় ড্রেজার দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিঞার  নির্দেশে  বালু  উত্তোলন করছেন বলে জানান তারা। 
লেপসিয়া এলাকার আবু বকর জানান, আমি সিলেটের ছাতক কাজ করি। খালিয়াজুরীর গুচ্ছ গ্রামে কয়েক দিন যাবৎ বালু উত্তোলন করে দিতেছি। ইউএনও সাহেব এর আগে লেপসিয়া নদী থেকে বালু উত্তোলন করেছেন। আপনাদের সাথে কথা বলাটাও সমস্যা, কারণ আপনারাতো সব কথা রেকর্ড করে রাখেন। কালকে আমরা সবাই একসাথে হয়ে আপনার সাথে কথা বলব। আমাদের ক্ষতি করে আপনার কি লাভ হবে?
 
নূরালীপুরের আনোয়ার জানায়, সত্য কথা যেটা, আমার একটা নৌকা আছে , কদ্দুস আর আবু বকরেরও আছে। আমরা তিনটি নৌকা দিয়েই বালু উত্তোলন করছি । প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও ইউএনও স্যারের আশ্রয়ন প্রকল্পের জন্য আগে নদী থেকে ১২ থেকে ১৪ লাখ মাটি উত্তোলন করে আশ্রয়ন প্রকল্পের জন্য দিয়েছিলাম। মাঠি ভরাট কমপ্লিট না হওয়ার কারণে আমরা এখন লেপসিয়া  সমিরপুর গুচ্ছ গ্রামে মাটি ভরাটের কাজাট করছি। গুচ্ছ গ্রামে মাটি ভরাটের পাশাপাশি আমরা অন্যান্য সরকারি জায়গাতেও বালু দিচ্ছি।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাজীব আহম্মেদ জানায়, গত কিছুদিন আগে বন্যার পানিতে কিছু মাটি সরে যাওয়ায় আমরা এখন ইউএনও  সাহেবের নির্দেশে সেই মাটি ভরাট করছি। আমরা যে নদী থেকে বালু উত্তোলন করছি এটা সত্য। 
খালিয়াজুরি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিঞা বলেন, নদী থেকে বলু উত্তোলনের বিষয়টা আমার জানা নেই। আমি প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিব। 

এমএসএম / এমএসএম

বিলাইছড়ির দুর্গম ৫ কেন্দ্রের জনবল ও সরঞ্জাম হেলিকপ্টারে ফিরলো সদরে

কুমিল্লা-৯ আসন, আবুল কালামকে মন্ত্রী চান ২ উপজেলাবাসী

রায়গঞ্জে বসতবাড়িতে চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ৬০ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি- সিগারেট জব্দ

সেরাজনগর মুনছর আলী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সরকারিকরণে ‘অন্যায়ের অবসান’: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

ফরহাদ হোসেন আজাদকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় বোদা-দেবীগঞ্জের মানুষ

বেশী ভোট পাওয়া শাহজাহানকে মন্ত্রী হিসেবে চাচ্ছেন নোয়াখালীবাসী

কুমিল্লার-৯ আসন সহ, ১১টি আসনের ৮৩ প্রার্থীর ৫৭ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত

নেত্রকোনায় ২৯তম বসন্তকালীন সাহিত্য উৎসব ও খালেকদাদ চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার অনুষ্ঠিত

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, নিজের গায়ে পেট্রল ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা

পাঁচবিবিতে কাবাডি প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

চাঁদপুরে সিলমোহরকৃত ২০৩ ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় আদালতের নির্দেশে মামলা

চাঁদপুরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে যাত্রী নিহত, আহত ১