ঢাকা রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬

নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়নি : মির্জা ফখরুল


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২-৮-২০২৪ বিকাল ৬:৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, আমরা নির্বাচন নিয়ে কথা বলিনি। একটি নির্দিষ্ট সময় লাগবেই তাদের নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে। আমরা সেই সময় দিয়েছি সোমবার (১২ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে তার সরকারি বাসভবন যমুনায় আসেন বিএনপি নেতারা। মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাউদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সেলিমা রহমান।

বৈঠক থেকে বেরিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধান উপদেষ্টা আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আমরা বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছি। মূলত, গণতন্ত্র হত্যাকারী, গণবিরোধী যে ফ্যাসিস্ট সরকার যারা দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর ধরে এই দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে, মানুষকে তার অধিকার বঞ্চিত করে, গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে একটি ফ্যাসিস্ট রুল কায়েম করেছিল। তিনি বলেন, ছাত্র-জনগণের আন্দোলন, রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলনের ফলে একটি মুক্ত পরিবেশে এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম তারা আমাদের সঙ্গে বসেছেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে কী কী করা যায়, সে বিষয়ে আমরা মতামত দিয়েছি। তারা আমাদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন কী করতে যাচ্ছেন। এখন মনে করি, সরকারকে সহায়তা করা প্রতিটি দেশপ্রেমিক মানুষের একমাত্র কর্তব্য।

তিনি আরও বলেন, আজকে দুর্ভাগ্যজনকভাবে যারা বাংলাদেশের মানুষের অধিকার হরণ করে নিয়েছিল, তারা আবার বাইরে থেকে, বিদেশ থেকে, এখান থেকে পালিয়ে গিয়ে, ভারতে অবস্থান নিয়ে, সেখান থেকে বাংলাদেশে যে বিজয় অর্জন হয়েছে জনগণের, সে বিজয়কে নস্যাৎ করার জন্য আবার চক্রান্ত শুরু করেছে।  বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমরা একটা কথা খুব স্পষ্ট করে বলেছি, তথাকথিত মাইনরিটির ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের যে গল্প পাতা হয়েছে, সে গল্পটা পুরোপুরিভাবে উদ্দেশ্যমূলক। বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করা, এই সরকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করা, ছাত্রজনতার আন্দোলনকে একেবারে নস্যাৎ করে দেওয়ার আরেকটি চক্রান্ত।

তিনি বলেন, খুবই দুর্ভাগ্যজনক... এত হত্যা, এত নির্যাতন, এত শিশুদের হত্যা করার পরও সেই দলটি আবারও বিভিন্নরকম কথা বলছে, যা বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে। আমরা মনে করি এই সরকারের এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি সরকার অবশ্যই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলবে, অবশ্যই কোনো হত্যাকারীর সঙ্গে নয়। যারা ছাত্রকে হত্যা করেছে, যারা শিশুকে হত্যা করেছে, যারা রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণ আছে। এই ব্যাপারে সরকার ব্যবস্থা নিতে গেলে অবশ্যই সহযোগিতা করা হবে।

বিএনপির পর জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা। তবে, জামায়াতকে দেওয়া ‘নিষেধাজ্ঞা’ এখনও বহাল আছে কি না, জানা যায়নি। এরপর এবি পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, গণঅধিকার পরিষদ (একাংশ), সিপিবি-বাসদ, গণতন্ত্র মঞ্চের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

T.A.S / T.A.S

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে নতুন চার নেতা, ড্যাবের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বাছাই আজ

খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জয়পুরহাটে জেলা যুবদলের দোয়া মাহফিল

আজ ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু হত্যার ৫১ বছর

শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী : ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না : নাহিদ ইসলাম

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী অলি আহমদের মনোনয়নপত্র ইসিতে জমা

‘যে পথে আপা হেঁটেছিল, সেই পথে আপনারা হাঁটছেন’

বিরোধীদল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনায় মোস্তাফিজুর রহমান

কর্নেল ওলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের

জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল না হলে জেল অথবা মৃত্যু ছিল অবধারিত: জামাল হোসেন

এনসিপি বলতে যা আছে তা জামায়াতের শিশু সংগঠন: রাশেদ খাঁন