কাঠ ও শিসা পুড়িয়ে পরিবেশ বিধ্বংসী কয়লা তৈরি চলছেই
যশোরের অভয়নগরে কাঠ ও শিসা পুড়িয়ে অবৈধ চুল্লিতে তৈরিকৃত কয়লার ব্যবসা চালিয়ে আসছে স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। উপজেলার সিদ্দিপাশা ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে এমন দেড় শতাধিক চুল্লি। বিভিন্ন বনজ ও ফলদ গাছ কেটে এসব চুল্লিতে কাঠ সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে ঝুঁঁকির মুখে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য। ইতিপূর্বে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কয়েকবার অভিযান চালিয়ে চুল্লিগুলো গুড়িয়ে দিলেও বন্ধ হয়নি এ অবৈধ ব্যবসা।
জানা যায়, পরিবেশ রক্ষার্থে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েও স্থায়ী কোনো সমাধান পাচ্ছেনা। সরকারি নিয়মনীতিকে থোড়াই কেয়ার করে এসকল ব্যক্তি কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে আসছে দীর্ঘ দিন। উপরোন্ত অদৃশ্য শক্তির বলে প্রতিবারই আরও নতুন নতুন চুল্লি তৈরি করে আবারও জোরেসোরে কয়লা তৈরি করা হচ্ছে।
এ অবৈধ চুল্লির কালো ধোয়া থেকে বাঁচতে এবং দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ কতিপয় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ভুমিদস্যুরা জোটবদ্ধ হয়ে অবৈধভাবে মাটির চুল্লি বানিয়ে কাঠ ও শিসা পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে আসছে। এমনকি সরকারি দাতব্য চিকিৎসালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন এলাকাতেও তারা এ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কয়লা তৈরির চুল্লি নির্মাণ করেছে।
ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের প্রভাবশালী মোল্যা পরিবার, শেখ পরিবার, ফারাজী পরিবার ও সর্দার পরিবারের সদস্যরা এ অঞ্চলে দেড় শতাধিক চুল্লি তৈরি করে কয়লা বানিয়ে আসছেন। কিন্তু তারা এতটাই দূর্ধর্ষ যে স্থানীয়রা তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তো দূরের কথা মুখ খুলতেও সাহস করেনা। মাটি, ইট ও কাঠের গুঁড়া মিশিয়ে তৈরি করা চুল্লিতে প্রতিদিন কয়েক’শ মণ কাঠ পোঁড়ানো হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চুল্লির মধ্যে সারিবদ্ধভাবে কাঠ সাজিয়ে চুল্লির খোলা মুখ দিয়ে আগুন দেওয়া হয়। প্রায় ৭ থেকে ১০ দিন পোঁড়ানোর পর চুলা থেকে কয়লা বের করা হয়। প্রতিটি চুল্লিতে প্রতিবার ২০০ থেকে ৩০০ মণ কাঠ পোঁড়ানো হয়। কাঠ পুঁড়ে কয়লা হয়ে গেলে সে গুলো বের করে ঠান্ডা করে বিক্রির উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কয়েকজন চুল্লি মালিকের সাথে কথা বললে তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঘাটে ঘাটে টাকা দিয়ে আমাদের ব্যবসা চালাতে হয়। স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে সব মহলকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেই তারপর ব্যবসা চালাই। বিগত কয়েকদিন আগে স্থানীয় ও জাতীয় প্রিণ্ট ও অনলাইন পত্রিকায় নিউজ বের হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এ বিষয়ে অভয়নগর উপজেলার ইউএনওসহ সংশ্লিষ্ট মহলের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকার সচেতনমহল।
এমএসএম / এমএসএম
লোহাগড়ার সিডি বাজারে গাঁজা বিক্রির সময় জনতার হাতে মাদক কারবারি আটক
ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পশ্চিম কমিটিতে আইন বিষয়ক সম্পাদক চৌগাছার জাফর ইকবাল
রৌমারীতে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
কুষ্টিয়ায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান
রাণীনগরে পাইকারি দোকানের টিন কেটে দেড় লাখ টাকার সিগারেট চুরি, থানায় অভিযোগ
নওয়াপাড়ায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলার প্রধান আসামি যশোর থেকে গ্রেফতার
মেঘনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ: “তিন মাসে চার খুন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করছেনঃ হাসনাত আবদুল্লাহ
ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া
শিবপুর থেকে চুরি করা শিশু ৪ হাজার টাকায় বিক্রি
মান্দায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
পিরোজপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ
পিরোজপুরে ২৫টি হারানো মোবাইল উদ্ধারকরে মালিকদের হাতে তুলে দিল জেলা পুলিশ
অভয়নগরে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে একাধিক সিদ্ধান্ত
Link Copied