ঢাকা শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

খুলনা শিশু হাসপাতালে কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে দুইজনের পদত্যাগ


আরিফুর রহমান photo আরিফুর রহমান
প্রকাশিত: ১-৯-২০২৪ বিকাল ৬:৫২

খুলনা শিশু হাসপাতালে কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন দুইজন কর্মকর্তা। তারা হলেন, খুলনা শিশু হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আল-আমিন রাকিব ও সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা শীলা হালদার। এ সময় হাসপাতালের কর্মচারীরা প্রশাসনিক ভবনের ভেতরে উত্তেজিত হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা গাড়িতে করে তাদের নিরাপদে হাসপাতাল থেকে বের করেন। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, রবিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কর্মচারীরা আন্দোলন শুরু করেন তাদের বিরুদ্ধে। এক পর্যায়ে শিশু হাসপাতালের মেউন ফটক আটকিয়ে দেয় কর্মচারীরা। পরবর্তীতে এক পর্যায়ে তারা তিনজন পত্যাগ পত্র জমা দেন।হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অনুপ কুমার দে’র কাছে তারা এ পদত্যাগ পত্র জমা দেন। আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, খুলনা শিশু হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আল-আমিন রাকিব ও সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা শীলা হালদার বিগত দিনে অনেক স্বেচ্ছাচারিতা চালিয়েছেন এ হাসপাতালে। অনেক অনিয়ম এবং দুর্নীতির সাথে তারা জড়িত। তারা সবসময় আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতো।

আন্দোলনকারীরা আরো জানান, এ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ কামরুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন ২১ শে আগষ্ট। তার ডান হাত হিসেবে কাজ করতো প্রশাসনিক কর্মকর্তা রাকিব। ২০০৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে খুলনা শিশু হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট পদে কামরুজ্জামান থাকাকালীন সময়ে নানান অনিয়ম দুর্নীতি এবং ভুল চিকিৎসা করেছে অনেক রোগীর। অনেক রোগী মারা গেছেন ভুল চিকিৎসায়। কামরুজ্জামানের স্বেচ্ছাচারিতা এমন পর্যায়ে পর্যন্ত চলে গিয়েছিলো যে, অনেক রোগীকে তার নিজস্ব প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করতে পর্যন্ত বাধ্য করতো। চাইল্ড কেয়ার নামে একটি নিম্ন মানের ক্লিনিকের মালিক তিনি। শেখ বাড়ির আশির্বাদে কামরুজ্জামান চালিয়েছেন তার চিকিৎসা বানিজ্য। পরে সরকার পতনের পর পরিবেশ খারাপ দেখে নিজেই পদত্যাগ করেন। ১৫ বছরে এ শিশু হাসপাতালটি দলীয় করেছে তারা। তাদের জুলুমের শিকার হয়েছে অনেক নিরীহ কর্মচারী। ডা: কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে একজন বলেন, তিনি গালমন্দ এবং অপমান অপদস্ত পর্যন্ত করেছেন অনেক কর্মচারীকে। নিম্ন পদের কর্মচারীদের তিনি মানুষ মনে করতেন না। এমনকি এ ডাক্তার চিকিৎসা বানিজ্য করেছেন এক চেটিয়া ভাবে। যার ভুক্তভোগি অনেক শিশুর পরিবার।

T.A.S / T.A.S

হাতিয়ায় অস্ত্র দিয়ে ছাত্র দল নেতাকে ফাঁসানোর প্রতিবাদে কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের আপিল ঘিরে বিতর্ক, ভাইরাল অডিওতে তোলপাড় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪

বোয়ালমারীতে ইউনাইটেড আরব আমিরাতের ত্রাণ ও কম্বল বিতরণ

দিয়ামনি ই কমিউনিকশনের আয়োজনে সাভারে স্টল ফ্রী মেলায় স্থান পেলো ২৫ জন উদ্যোক্তা

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি জামিরুল ইসলাম জামু গ্রেফতার

সরিষার হলুদে রঙিন ত্রিশাল : বাম্পার ফলনের আশা

গোপালগঞ্জে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পূর্ণ প্রস্তুতি

নাঙ্গলকোটে দু'জনকে গুলি করে হত্যা

মনপুরায় প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে আসা তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ

কুড়িগ্রামে এলপিজি সংকটে দাম দ্বিগুণ, তবু মিলছে না গ্যাস

কালো ধোঁয়ার দখলে রায়গঞ্জ, ঝুটে পুড়ছে চাতাল

কুমিল্লার মুরাদনগরে হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার

সিডিএ’র নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ