ন্যাশনাল ব্যাংকের পর আল-আরাফাহ্ ব্যাংক থেকেও কেডিএস গ্রুপকে বাদ
চট্টগ্রাম ভিত্তিক শিল্প গ্রুপ কেডিএস গ্রুপকে এস আলম গ্রুপের সহযোগিতায় ন্যাশনাল ব্যাংক এবং আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদেও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান ও গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম রহমান। এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠায় এস আলম গ্রুপের সহযোগিতায় দুটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ পান কেডিএস গ্রুপ।
বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যাওয়ার পর পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে ব্যাংকটিতে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। এস আলম গ্রুপের সাথে যোগসাজস করে ন্যাশনাল ব্যাংক ও আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনোনীত হন এস আলম পরিবারের দীর্ঘদিনের সহযোগী ও নিকটাত্মীয় কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান পিতা খলিলুর রহমান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক পুত্র সেলিম রহমান। ইতোপূর্বে কেডিএসের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানকে ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে ও ৩ সেপ্টম্বও মঙ্গলবার কেডিএস গ্রুপের এমডি সেলিম রহমানকে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া এস আলম মনোনীত খলিলুর রহমানের ভাই পরিচালক আহমদুল হককেও সরানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের আদেশে পর্ষদ বাতিল করা হয়, ওই আদেশে নতুন পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে পাঠানো আদেশে বলা হয়, আমানতকারী ও ব্যাংকের স্বার্থ সংরক্ষণ ও সুশাসন নিশ্চিত করতে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে নতুন পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। ন্যাশনাল ব্যাংকের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছিল কেডিএস গ্রুপের সাবেক ব্যবসা সহযোগী ও আওয়ামী লীগ সমর্থক ব্যবসায়ী গোষ্ঠী সিকদার গ্রুপের হাতে। দুই শিল্পগ্রুপের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে সিকদারের দুই পুত্র খলিলুর রহমানকে পর্ষদ থেকে বের করে দেয়। তবে ক্ষমতাচ্যূত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শেষ সময়ে গত মে মাসে সিকদার গ্রুপকে সরিয়ে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে বসানো হয় চট্টগ্রামভিত্তিক কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানকে। তিনি এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম মাসুদের ঘনিষ্ঠজন। চট্টগ্রামে তাদের বাড়িও পটিয়া উপজেলায়। এস আলম গ্রুপ ওই সময় পরিচালনা পর্ষদে নিজেদের লোকজনকে বসায় শেখ হাসিনার সরকারের প্রভাব খাটিয়ে।
আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হয়েছেন খাজা শাহরিয়ার। তিনি লংকা বাংলা ফাইন্যান্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক। স্বতন্ত্র পরিচালকরা হয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. শাহীন উল ইসলাম, এনআরবি ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল ওয়াদুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের অধ্যাপক এম আবু ইউসুফ এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেট মোহাম্মদ আশরাফুল হাছান। এস আলম গ্রুপের সাথে সর্ম্পক থাকার অভিযোগে দুটি ব্যাংক থেকে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হারানোর বিষয়ে কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে নারাজ।
এমএসএম / এমএসএম
দুর্নীতির অভিযোগে বদলি হওয়া কর্মকর্তার পক্ষে সাফাই গেয়ে আরেক কর্মকর্তার পোস্ট, এরকম অপরাধ কে না করে আমিও করি"
আদমদীঘিতে গাাঁজার গাছসহ একজন গ্রেপ্তার
ঈদে পর্যটকের ঢলের অপেক্ষায়, হোটেল-রিসোর্টে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষাই সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার: কুমিল্লায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বৃষ্টি উপেক্ষা করে চন্দ্রায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
রায়পুরে কিশোরী ধর্ষণকাণ্ডে আসামিকে পালাতে সহযোগিতায় ছাত্রদল নেতা জেলহাজতে
কৃষকের টেকসই উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার - কুমিল্লায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী
ঝিনাইদহে কথিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা'র চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসানের রিমান্ড মঞ্জুর
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের চাল পেয়ে উচ্ছ্বসিত মনিগ্রাম ইউনিয়নবাসী
গোপালগঞ্জে ত্রিমুখী সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৫০
সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের অভিযানে ভারতীয় বিপুল পরিমান জিরা ফুসকাসহ আটক-১
তেঁতুলিয়ায় এমপি নওশাদ জমিরের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা বিতরণ