চট্টগ্রামে নোনা ইলিশ শুঁটকি তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকরা
ইলিশের সরগরম মৌসুমে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে রুপালি ইলিশ। তাই স্বাভাবিকভাবেই ব্যস্ত সময় কাটছে মৎস্যজীবীদের। কেউ ইলিশ শিকারে ব্যস্ত সাগরে,কেউ ব্যস্ত বাজারে ইলিশ বিক্রিতে। আবার কারো সময় কাটছে ইলিশ নিয়ে নানান পদ তৈরিতে।ইলিশ খেতে কে না পছন্দ করে। তাজা ইলিশের একরকম স্বাদ আবার নোনা ইলিশের স্বাদ আরেক রকম। নোনা ইলিশের কদর রয়েছে চট্টগ্রামবাসীর কাছে।
এখন ইলিশের মৌসুমে ব্যস্ততা বেড়েছে নোনা ইলিশ শুঁটকি তৈরিতে। নগরীর আছদগঞ্জ, খাতুনগঞ্জ শুঁটকি পল্লী, দক্ষিণ কাট্টলী ও ফিশারিঘাট এলাকায় গড়ে উঠেছে নোনা ইলিশের অন্তত অর্ধশত গুদাম। নোনা ইলিশ তৈরিতে এসব এলাকায় শ্রমিকরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। জানা যায়, সাগর থেকে ইলিশ মাছ নিয়ে ফেরার পথে বরফ ও মাছের চাপে কিছু সংখ্যক মাছ নরম হয়ে যায়। এক শ্রেণির ব্যবসায়ী অল্পমূল্যে এই মাছ কিনে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করে কাটা বা নোনা ইলিশ তৈরি করে। ইলিশের মৌসুমে তিন মাসে প্রায় কোটি টাকার নোনা ইলিশ বিক্রি হয়।
চাক্তাই শুঁটকি পট্টি এলাকার এম কে ট্রেডার্সে কর্মরত শ্রমিক কাশেম বলেন,ইলিশ মাছকে নোনা ইলিশে পরিণত করার জন্য নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে। নিয়মানুযায়ী ১ কেজি ইলিশ মাছে ২৫০ গ্রাম লবণ এবং ২ টেবিল চামচ হলুদের গুড়া দরকার হয়। ইলিশ মাছ পেট কেটে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে ১ ঘণ্টার জন্য পানি ঝরাতে হবে। পানি ঝরানো হয়ে গেলে মাছের গায়ে খুব ভালোভাবে হলুদ-লবণের মিশ্রণটি মিশিয়ে লাই বা হারাংয়ের (বাঁশের তৈরি ঝুড়ি) মধ্যে বা পরিস্কার কোন জায়গায় সারি সারি করে রেখে দিতে হবে। তারপর লবণ পানি ঝরে গেলে রোদে শুকাতে হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এখন মৌসুম শুরু, সাগর থেকে তাই দিনে দু’বার করে ইলিশ ঢুকছে এসব গুদামে।ফিশারিঘাটের গুদামে ব্যস্ত সময় পার করছে শ্রমিকরা। প্রথমে ইলিশ মাছ ধুয়ে পরিষ্কার করে নেওয়া হয়। তারপর নাড়িভুঁড়ি কেটে বের করে নারী শ্রমিকেরা। এরপর ছোট আকৃতির মাছ হলে পিঠ বরাবর দুই ফালি করে কাটা হয়, মাঝখানের অংশে লবণ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। আর বড় আকৃতির হলে দুই পাশে ফালি করে কাটা হয়, তারপর পুরো মাছে লবণ দিয়ে সাজিয়ে রাখা হয়।নারী শ্রমিক আমেনা বেগম বলেন,এখানে এক যুগের বেশি সময় ধরে কাজ করছি। আমাদের এ সময় বেশ ভালো আয় হয়।
ব্যবসায়ী ও গুদাম মালিক মো. রফিক বলেন, নোনা ইলিশ কেনার পর আমরা বিশেষ ধরনের কুয়ায় সাজিয়ে রাখি। ইলিশের ওপর বাঁশের মাচা দেওয়া হয়। মাচার ওপর প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে ওপরে পানি দিয়ে রাখা হয়। এভাবে রাখলে এক বছর পর্যন্ত ইলিশ সংরক্ষণ করা যায়।
আড়তদার জানে আলম জানান,চট্টগ্রামের এক একটি আড়ত থেকে প্রতি মৌসুমে কয়েক লাখ টাকার নোনা ইলিশ বিক্রি হয়। এখান থেকে বছরে অন্তত তিন-চার কোটি টাকার ইলিশ সরবরাহ হয়। চাহিদা থাকায় চট্টগ্রামে নোনা ইলিশকে ঘিরে একধরনের শিল্প গড়ে উঠেছে ফিশারিঘাট এলাকায়।
এমএসএম / জামান
বাগেরহাটে রাস্তায় বাসের ধাক্কায় প্রান ভ্যানযাত্রীর, আহত-৩
মনিরামপুরে অন্ততঃ ৬০০ কি.মি. কাঁচা সড়ক, লাগাতার বর্ষায় চরম দুর্ভোগ
নওয়াপাড়ায় ১,৪১৭ ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার
চলনবিলের উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্ত
বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০ পরিবারকে ঘর তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী
পারকি সৈকত থেকে প্রকাশ্যে অবৈধ বালু উত্তোলন"স্থানীয় বাধার মুখে পালালো বালুদস্যুরা"
চাঁদপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক সফর: সিভিল সার্জনকে বদলির নির্দেশ
একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া ও অধ্যক্ষা প্রীতিকণা বড়ুয়ার স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত
বাঘায় তীব্র লোডশেডিং: ২৪ ঘণ্টায় ১২ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ নেই, বিপাকে কৃষক-ব্যবসায়ী
বিলাইছড়িতে দুর্গম ও প্রতিকূল পরিবেশে কৃষি জরিপ করতে হাঁপিয়ে যাচ্ছেন কৃষি অফিসারা
ভারতে বিএসএফের গুলিতে কুলাউড়ার চোরাকারবারি নিহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল পরিমাণ বিদেশি জাল টাকা ও তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার