ঢাকা বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

পাটে সন্তোষজনক মুনাফায় কৃষকের মুখে হাসি


এম মাহফুজ আলম, পাবনা photo এম মাহফুজ আলম, পাবনা
প্রকাশিত: ৪-১০-২০২৪ দুপুর ১১:৫৯

চলতি মৌসুমে অর্থকরী ফসল পাট বিক্রি করে সন্তোষজনক মুনাফা পাওয়ায় খুশি স্থানীয় পাটচাষিরা। বর্তমানে, চাষিরা পাট ও পাটের কাঠি থেকে ভালো দাম পান, যা তাদের আগামী মৌসুমে আরো বেশি জমি চাষের আওতায় আনতে উৎসাহিত করছে। প্রতিমণ পাট ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা বিক্রি, পাটকাঠিতে হেক্টরপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা আয়। দুটিতেই ভালো দাম পাওয়ায় কৃষক পাট চাষে উৎসাহ পাচ্ছেন।

পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে পাবনার ৯টি উপজেলায় প্রায় ৪২ হাজার ৪১৫ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে।
উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ৫ লাখ ১৮ হাজার ৮৪ বেল পাট। সূত্র জানায়, এক হেক্টর জমিতে অন্তত ৫৫ থেকে ৫৮ মণ পাট উৎপাদন করা যায়। বর্তমানে বিভিন্ন বাজারে প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২৯৯ টাকায়; যা গত বছর ছিল দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা। অন্যদিকে প্রতি মণ পাটকাঠি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়।

বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনকালে দেখা যায়, পাটচাষিরা বিভিন্ন জলাশয়ে তাদের কাটা পাট প্রক্রিয়াকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সন্তেষ প্রকাশ করে পাবনার অটঘরিয়া উপজেলার পাটেশ্বর এলাকার পাটচাষি ইয়াকুব আলী বলেন, চলতি মৌসুমে তিনি দুই একর জমিতে পাট চাষ করে প্রায় ৪৫ মণ ফলন পেয়েছেন। তিনি পাট বিক্রি করে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার টাকা আয় করেছেন। তিনি একই পরিমাণ জমি থেকে প্রায় ৭০ মণ পাটকাঠি বিক্রির আশা করছেন এবং এর দাম প্রায় ৩৫ হাজার টাকা হবে বলে আশা করছেন তিনি।

একই উপজেলার ডেঙ্গারগ্রাম এলাকার আরেক চাষি মানিক বলেন, চাষের প্রাথমিক পর্যায়ে কৃষকরা প্রকৃতির আচরণ দেখে হতাশ হয়ে পড়েন। কারণ এ অঞ্চলে খরার মতো পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত চাষিদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ এসেছিল এবং তাদের হতাশা ও বিষণ্নতা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করেছিল।

তিনি আরো জানান, এ বছর তিনি দুই বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন এবং ভালো লাভের ব্যাপারে আশাবাদী।

ডিএইর পাবনার টেবুনিয়া হর্টিকালচার সেন্টারের ঊর্ধ্বতন এক কৃষিবিদ বলেন, পাট চাষ করে চাষিরা যেমন ভালো মুনাফা পাচ্ছেন, তেমনি আগামী মৌসুমেও ফসল চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন। এ ব্যাপারে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। 

এদিকে এ অঞ্চলের পাটচাষিরা বিভিন্ন জলাশয়ে সনাতন পদ্ধতি ব্যবহার না করে ফিতা কেটে পাট কেটেছেন। এ বিষয়ে কৃষিবিদ জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা, ডিএই, পাবনা বলেন, কৃষকদের অনিচ্ছার কারণে তাদের মধ্যে প্রযুক্তিটি এখনও চালু হয়নি। সনাতন পদ্ধতির তুলনায় ফিতা রেটিং পদ্ধতিতে কম পরিমাণে পানি লাগে। কিন্তু চাষিরা এ পদ্ধতি ব্যবহার করতে তাদের অনাগ্রহ দেখান। ঐতিহ্যগত পদ্ধতিটিকে এর চেয়ে সহজ বিবেচনা করে।

জামান / জামান

তারাগঞ্জে শিশু সানজিদা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন

কুমিল্লায় ১০ লাখের বেশি শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি দেয়াল থেকে লোহার গ্রিল চুরি

কালকিনিতে বাস চাঁপায় প্রান গেল প্রবাসীর

আদমদীঘিতে নারীসহ তিনজন গ্রেপ্তার মাদক উদ্ধার

চাঁদপুর জেলায় ৩লাখ ৬৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে

পটুয়াখালীতে ভূমিকম্প-অগ্নিকাণ্ডে করণীয় শেখাতে পিস স্কুলের ব্যতিক্রমী মহড়া

সুবর্ণচরে ফলজ, বনজ, ঔষধি গাছ বিতরণ উদ্বোধন

নাগরপুরে স্কুলের টিউবওয়েলে পানি পান করে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ

অভিযোগের ১১ দিনেও মামলা নথিভূক্ত করেনি সাভার মডেল থানা পুলিশ

দাউদকান্দিতে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

সুবর্ণচরে জব ফেয়ার ২০২৬ অনুষ্ঠিত

ধামরাইয়ে সওজের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, আহত-২