খুলনায় সব নিত্যপণ্যের লাগামহীন দাম
খুলনার বাজারে বেড়েছে শাকসবজিসহ সকল নিত্যপণ্যের দাম। সবজি, মসলা, মাছ ও চালসহ বাদ যায়নি কিছুই। মধ্যবিত্ত পরিবারের কর্তাব্যক্তি হয়ে আছেন কোণঠাসা। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচামরিচের ঝাল। আড়তেই কেজি প্রতি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫২০-৫৬০ টাকা দরে, যার দাম সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ১৮০-২২০ টাকা। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকালে খুলনা নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র।
নগরীর নতুন বাজার, গল্লামারি বাজার, মিস্ত্রিপাড়া বাজার, নিউমার্কেট বাজার গুলো ঘুরে দেখা যায়, ৫৫ টাকার আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, ৩০ টাকার মিস্টি কুমড়া পৌঁছেছে ৬০ টাকায়, ৪০ টাকার শসা ৬০-৭০ টাকা, করল্লা ৮০, বেগুনের কোনো গুন না থাকলেও দাম বেড়েছে দ্বিগুণ, ৭০ টাকার বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। টমেটো ২৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০, কুশি ৮০, পটল ৯০, কচুর মুখী ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এককথায় ৭০-৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই বাজারে। ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, সরবরাহ কম তাই দাম বেড়েছে।
অন্যদিকে মা ইলিশ রক্ষায় সমুদ্রে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় বাজারে সাগরের মাছের সরবরাহ কমেছে। সেই সুযোগে স্থানীয় অঞ্চলের উৎপাদিত মাছ বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। রুই, কাতলা, মৃগেল, গ্রাসকার্প, নালোটিকা, চায়না পুাঁট, সিলভারকার্প আকার ভেদে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টেংরা মাছ, হরিণা চিংড়ি, চামি চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত।
পাঙাস ও তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১২০-২৮০ টাকা পর্যন্ত। চাষের কৈ ২০০-২৫০ টাকা, শোল মাছ ৩০০-৬০০, টাকি মাছ ২০০-৩০০, রুপচাঁদা ৬০০-৭০০, দাঁতনে মাছ ২০০-৫০০, পুঁটি মাছ ৬০-১২০, জাবা ২৬০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজার করতে আসা মঈনুল হক জানান, গত এক সপ্তাহে সবকিছুর দাম বেড়েছে। ১০০ টাকায় এক ধরনের তরকারি কিনতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। তার সাথে বেড়েছে মাছের দাম। সবকিছু কম কম কিনতে হচ্ছে বলে তিনি জানান।
একজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, আমরা আড়ত থেকে কিনে আনি শাকসবজি। আড়তেই দাম বেশি। আমাদের কিচ্ছু করার নেই। আর এমনিতেই আড়তেও সবকিছুর চালান কম। তাই এমন হচ্ছে।
অন্য এক ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ১৫ দিন আগেও কাঁচামরিচসহ সবজির দাম কিছুটা কম ছিল। চলতি সপ্তাহে দাম অনেক বেড়েছে। ২০০ গ্রাম কাঁচামরিচ কিনেছি ১৪০ টাকায়। সালমা আক্তার বলেন, এক সপ্তাহেই মরিচের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের বেঁচে থাকা কষ্ট হয়ে দাঁড়াবে।
লাগামহীন দাম বাড়লেও চাকরিজীবীদের তো লাগামহীন বেতন বাড়ছে না। অন্যদিকে চালের দামও বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা করে। বুলেট ও স্বর্না বুলেট প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, চিকন চাল জাতভেদে ৬০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সংকট দেখা দিয়েছে স্থানীয় মোটা চাল ও ভোজন চালের।
পাইকারি এক বিক্রেতা বলেন, আমাদের আড়তে দূর-দূরান্ত থেকে তরকারি ও কাঁচা শাকসবজি আসে। এই সবজি আসতে কৃষকের পর প্রায় দুই হাত বদল হয়। এজন্য একটি পরিমাণ দাম বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে, শাকসবজির চালান বাজারে কম। এজন্যও সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণের ওপর বিশ্লেষণপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া দরকার। দাম বৃদ্ধির মূল কারণ খুঁজে না পেলে কমানো যাবে না।
T.A.S / জামান
গজারিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল
গাজীপুরে ঝুট ব্যবসা নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ
হাবিবুর রহমান হাবিবের বহিষ্কার ও জেলা কমিটি পুনর্গঠনের দাবি সিরাজুল ইসলাম সরদারের
নোয়াখালীর কবিরহাটে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনদের সম্মানে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার অনুষ্ঠান
রায়গঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বৃদ্ধের রহস্যজনক মৃত্যু
পিসিপি’র খাগড়াছড়িতে ১৭ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন
ধামইরহাটে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কৃষকের সরিষা কেটে নিল প্রতিপক্ষ
জেএসএস’র গুলিতে খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্য নিহত
আদমদীঘিতে বাশেঁর বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি
মান্দায় রফিকুল হত্যা মামলা নিয়ে পুলিশের তেলেসমাতি
কোনাবাড়ী উলামা পরিষদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
উলিপুরে হাঙ্গার প্রজেক্টের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত