কটূক্তিকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন বিচারককে এজলাস থেকে নামিয়ে দিলেন আইনজীবীরা
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) মামলা দায়েরের সময় আইনজীবী ও বিচারক একে অপরের বিরুদ্ধে কটূক্তি করাকে কেন্দ্র বুধবার (২৩ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ আদালতের বিচারককে তার এজলাস থেকে নামিয়ে দেয়ার খবর পাওয়া গেছে।
আদালতে উপস্থিত আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, অন্যান্য দিনের মত বুধবারও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক অলি উল্লাহ নিজ এজলাসে বসে বিচারকার্য পরিচালনা করছিলেন। বিচার ফাইল শুরু হওয়ার পর কয়েকজন আইনজীবী এসে হঠাৎ হট্টগোল শুরু করেন এবং বিচারককে নেমে যেতে বললে বিচারক তার এজলাস থেকে নেমে খাসকামরায় চলে যান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাশেম কামাল সকালের সময়কে বলেন, মঙ্গলবার অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর আইনজীবী সমিতির সাথে বিচারকদের বৈঠকে উক্ত বিচারককে এজলাসে না বসার জন্য সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু বুধবার উক্ত বিচারক এজলাসে বসলে উত্তেজিত আইনজীবীরা তাকে এজলাস থেকে নেমে যাওয়ার অনুরোধ করলে তিনি নেমে যান।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির আইটি সম্পাদক অভিজিৎ ঘোষ জানান, মেট্রোপলিটন ২য় অদালতের সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মঙগলবার বিকালে মহানগর দায়রা জজের সাথে বারের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জরুরি বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালত এই সপ্তাহ ছুটিতে থাকবেন। কিন্তু উক্ত সিদ্ধান্ত অমান্য করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালত বুধবার এজলাসে বসলে আইনজীবীগণের প্রতিবাদের মুখে এজলাস ছেড়ে নেমে যেতে বাধ্য হন। ফলশ্রুতিতে সাধারণ সম্পাদক বুধবার ৪টায় কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি বৈঠকের আহ্বান করেছেন। উক্ত বৈঠকে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিট্টট-২ অলি উল্লাহর আদালতে গত ১৭ জুলাই নগরের মুরাদপুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত শোয়াইবুল ইসলাম নামের এক ভুক্তভোগী ১২৬ জনের নাম উল্লেখ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করতে যান। তাঁর আইনজীবী ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সদ্য নিয়োগ পাওয়া জেলা পিপি আশরাফ হোসেন চৌধুরী। এ সময় বাদীর আইনজীবী মামলাটি গ্রহণ করে থানায় এজাহার হিসেবে নিতে শুনানিতে আবেদন জানান আদালতের কাছে। পরে আদালত বাদীর বক্তব্য গ্রহণ করে মামলায় থাকা আসামিদের নাম বলতে বলেন। কিন্তু বাদী কয়েকজনের নাম বলে থেমে যান। তখন আইনজীবী আদালতকে উদ্দেশ করে বলেন, এভাবে সবার নাম বলা সম্ভব নয়। পরে বিষয়টি নিয়ে বিচারক ও আইনজীবীদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। একপর্যায়ে আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। বিব্রত হয়ে এজলাস থেকে নেমে যান বিচারক অলি উল্লাহ।
এ ঘটনা জানাজানি হলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অন্য বিচারকেরাও এজলাস থেকে নেমে যানআদালত সূত্র জানায়, গতকাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অলি উল্লাহ ছাড়া বাকিরা দুপুরের পর এজলাসে বসেন।
এমএসএম / জামান
আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই
কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু
যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড
কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত
পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী
গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কুতুবদিয়ায় একদিনেই পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
পাঁচবিবিতে বোর ধান চাল সংগ্রহের উদ্বোধন