খুবির অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালকের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক সেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছেন একই বিভাগের উপ-রেজিস্ট্রার (অবসরপ্রাপ্ত) মোঃ রহমত আলী। কর্মদিবসে তার নিজ কক্ষে গিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন, যেখানে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানানো হয়।
অভিযোগপত্রে মোঃ রহমত আলী উল্লেখ করেন, ২০২০ সালের ১০ মার্চ অফিসের কর্মদিবসে জোহরের নামাজের পর নিজ কক্ষে দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় তৎকালীন উপ-পরিচালক (বর্তমানে পরিচালক) সেখ মুজিবুর রহমান তার উদ্দেশ্যে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে করতে রুমে প্রবেশ করেন এবং তাকে মৃত্যুর হুমকি দেন। এরপর আচমকা তাকে আক্রমণ করেন এবং মাথায় চেয়ার দিয়ে আঘাত করেন। এ আঘাতে তার মাথা ফেটে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। সেখ মুজিবুর রহমান তাকে একাধিকবার আঘাত করেন এবং খাবারের প্লেট ছুড়ে মারেন। সহকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ডাঃ শেখ সাঈদ আফতাব তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ফায়েকউজ্জামান এ ঘটনার পর তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের সান্ত্বনা দেন এবং সঠিক বিচারের আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি জানান, তৎকালীন সময়ে অনেকেই তাকে মামলা করার পরামর্শ দিলেও প্রাণভয় এবং চাকরি হারানোর আশঙ্কায় তিনি তখন সাহস পাননি। পরবর্তীতে তার অফিসের তালা ভেঙে সকল আলামত নষ্ট করা হয়। আরও জানা যায়, সেখ মুজিবুর রহমান একজন খুনের মামলায় দণ্ডিত আসামী এবং চাকরিতে যোগদানের সময় তিনি ভুয়া পুলিশ প্রতিবেদন জমা দেন।
এ বিষয়ে সেখ মুজিবুর রহমান বলেন, "এ ঘটনা ২০২০ সালের, যা তৎকালীন অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক শেখ মুস্তাক আলী এবং বাজেট শাখার প্রধান মোঃ আনিসুর রহমানের মধ্যস্থতায় মীমাংসা হয়ে যায়। ঘটনার পর আমি রহমত আলীকে মেডিকেল সেন্টার এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম এবং চিকিৎসার সব খরচ বহন করেছি। প্রায় ২৮ বছর একসঙ্গে কাজ করায় মাঝে মাঝে তর্ক-বিতর্ক হওয়া স্বাভাবিক ছিল। তার পেনশনের সময় প্রায় ৯ লাখ টাকা কেটে নেওয়া হয়। সম্ভবত তিনি রাগের বশবর্তী হয়ে পুনরায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। রাজনৈতিক কারণও থাকতে পারে, কারণ আমার একটি দলের প্রতি সমর্থন ছিল, আর তিনি বিএনপি সমর্থিত ছিলেন। তবে আমাদের মধ্যে বড় কোনো বিরোধ ছিল না। এত বছর পর কেন অভিযোগ দায়ের করা হলো, তা আমার বোধগম্য নয়, বিশেষ করে যখন এটি তখন মীমাংসা হয়েছিল।"
অভিযোগ দায়েরকারী মোঃ রহমত আলী বলেন, "শেখ মুজিবুর রহমানের চিকিৎসার খরচ বহন এবং মধ্যস্থতার কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার বিরুদ্ধে কোনো অডিট আপত্তি ছিল না; চাকরি থেকে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটও পেয়েছিলাম। পেনশনে গিয়ে দেখি আমার বিরুদ্ধে অডিট আপত্তি দেখানো হয়েছে, যা কোনোভাবে যুক্তিযুক্ত ছিল না। মূলত তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের বিরোধী হওয়ায় আমাকে দাবিয়ে রাখতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। চাকরির মেয়াদ কম থাকায় এবং তাদের ভয়ে সেই সময় কোনো মামলা বা অভিযোগ দাখিল করতে সাহস পাইনি।"
এ বিষয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান দৈনিক সকালের সময়কে বলেন, "এই অভিযোগের প্রক্রিয়া চলছে। উপাচার্য মহোদয় তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।"
T.A.S / T.A.S
নারী হেনস্তার অভিযোগে ৩ ঢাবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার
পবিপ্রবির বরিশাল ক্যাম্পাসে মেইন গেট নির্মাণে অনিয়ম, পিলারের কাঠামোগত ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন
টানা ১৭ দিনের ঈদের ছুটিতে যাচ্ছে পবিপ্রবি
দক্ষিণ এশিয়ায় আগ্রোফরেস্ট্রি প্রসারে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের গবেষণাগ্রন্থ প্রকাশ
বুটেক্স ক্যারিয়ার ক্লাবের প্রথম ম্যাগাজিন ‘টেক্সিলারেট-২০২৫' প্রকাশ
আজ থেকে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা।
ইবিতে শিক্ষিকা হত্যার অভিযোগে তিনজন সাময়িক বহিষ্কার
ইবিতে নিহত শিক্ষিকার বিচার দাবিতে মানববন্ধন
ইবিতে নিহত শিক্ষিকার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া
ইবিতে কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে ইবি শিক্ষিকার মৃত্যু
কম্বাইন্ড ডিগ্রি ইস্যুতে অভিযোগ ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’—ডিন অধ্যাপক জাহাঙ্গীরের প্রতিবাদ
পবিপ্রবির বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন অনুষদের নতুন ডিন প্রফেসর ড. হাসান উদ্দিন