ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

কুতুবদিয়ায় ছাত্রলীগ নেতার চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ


নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া photo নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া
প্রকাশিত: ১৮-১১-২০২৪ দুপুর ১২:৫২

কুতুবদিয়ার উত্তর ধুরুং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের পলাতক সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোছাইন মিশনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও চাঁদাবাজির কারনে অতিষ্ট হয়ে পড়েছিল এলাকার মানুষ। সাবেক এমপি আশেক উল্লাহ রফিকের নাম বিক্রি এলাকার সাধারণ মানুষের জমিজমা দখলবাজি, টেন্ডারবাজি থেকে শুরু করে এমন কোন অপকর্ম নেই সে করেনি। এতে নিজের আত্মীয় স্বজনকেও ছাড় দেয়নি এই ছাত্রলীগ নেতা। লবণ মাঠে কাজ বাধা দিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা চাঁদা নিয়েছিল দলবল নিয়ে। সংবাদ সম্মেলন করে স্থানীয় সাংবাদিকদের এমনসব অভিযোগ করেছেন উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের মনছুর আলী হাজির পাড়ার ভুক্তভোগী নুর মোহাম্মদের পরিবার।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, বিগত সরকারে আমলে ছাত্রলীগ নেতা মিশন কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়ে নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন তারা। চর ধুরুং মৌজার ৩২ নং বিএস খতিয়ানের ৫ একর ৪৮ শতক এবং উত্তর ধুরুং মৌজার ১৩১৭ বিএস খতিয়ানের ২১ একর ০৪ শতক জায়গার মধ্যে তাদের অংশসহ মিশন এবং তার পরিবার এতদিন দলীয় প্রভাব বিস্তার করে জবর দখল করে রেখেছে। ভুক্তভোগী নুর মোহাম্মদের পরিবার এতদিন নির্যাতনের বিষয়ে মুখ খুলতে পারেনি। 

হাসিনা সরকার পালিয়ে যাওয়ার পর ভুক্তভোগী পরিবার তাদের অংশের জমিগুলো ফিরে পেতে স্থানীয়ভাবে সালিশ বিচার দেন। থানায় অভিযোগ দেন।  কিন্তু প্রতিপক্ষ গায়ের জোরে বিচার মানে না। এমনকি কয়েকবার সময় দেওয়ার পরও সমাধানে বসেনি প্রতিপক্ষ। বরং ছাত্রলীগ নেতা মিশনের পিতা নাজের হোছাইন গং সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে তাদের উপর হামলা করে। হামলায় ভুক্তভোগী নুর মোহাম্মদের ছেলে কুতুবদিয়া ফারিয়ার সভাপতি শাহ রমজান গুরুতর আহত হলে কুতুবদিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার আঘাত গুরুতর দেখে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। বিষয়টি নিয়ে নুর মোহাম্মদ কুতুবদিয়া থানায় অভিযোগ দিলে সন্ত্রাসীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। 

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মোঃ ইউনুস বলেন, সন্ত্রাসীরা আমার ভাইয়ের উপর হামলা করে উল্টো থানায় মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।  এমনকি মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। সাখাওয়াত হোছাইন সরাসরি হামলার সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি কিভাবে সেদিন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির দেখান? সেটা আমার প্রশ্ন। প্রশাসনে আওয়ামী দোসরেরা এখনো ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের কথায় উঠবস করছে বলে মন্তব্য ভুক্তভোগী পরিবারের।

এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষের কামরুল হোসাইনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মারধরের কিছু ছবি এবং পত্রিকার একটি নিউজ দেখান। তবে ঘটনার বিষয়ে কোন বক্তব্য দেননি।

ছাত্রলীগ নেতা সাখাওত হোছাইন জানান, তিনি ঘটনার সাথে জড়িত নন। ঘটনার দিন (১১ নভেম্বর)  তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরে  কর্মরত ছিলেন। তিনি ওই দপ্তরের উপ সহকারী প্রকৌশলী। 

এ বিষয়ে জানতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বিমল সরকারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

T.A.S / T.A.S

গণভোটের বিরুদ্ধে গিয়ে বিএনপি শেখ হাসিনার সংবিধান বাস্তবায়নে কাজ করছেঃ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আটঘর-কুড়িয়ানা পেয়ারা বাগানে পর্যটকের ঢল

পিকআপ নিয়ে করত চুরি-ডাকাতি; আন্ত:জেলা চক্রের ৩সদস্য গ্রেপ্তার

অভয়নগরে মানসিকভাবে অসুস্থ যুবক নিখোঁজ, থানায় জিডি

পেকুয়ার রাজাখালীতে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প সম্পন্ন

নওয়াপাড়ায় বিসমিল্লাহ হোটেলের বিরুদ্ধে নিম্নমানের খাবার ও অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগ

ভোলায় এনসিওর লেক সিটির গাছ পড়ে ১ জন নিহত

গজারিয়ায় গ্রীন হ্যাভেন আইডিয়াল স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবিধান

নাগেশ্বরীতে ২শত ৪৩জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলো এম.পি

রাণীশংকৈল হাসপাতালে সাপে কাটা রোগীর নেই অ্যান্টিভেনম, দুশ্চিন্তায় এলাকাবাসী

নবীনগরে পলিটেকনিকের মেধা তালিকায় ‘এ প্লাস’ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

আদমদীঘিতে মাদকসহ আটক চার মাদক কাবারির জেল-জরিমানা

শেরপুরে নদীর ব্রীজ ধ্বসে পড়ায় ১৫ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে