ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

শ্রীনগরে মৌমাছির পরিচর্যা ও সংরক্ষণে ব্যস্ত মধুচাষি


শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি photo শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১-৯-২০২১ বিকাল ৫:৫৪

মৌমাছির পরিচর্যা ও সংরক্ষণে ব্যস্ত সময় পার করছেন মধুচাষি। শত শত মৌ বাক্সের মধ্যে এসব মৌমাছির বংশবিস্তারের জন্য লালন-পালন করা হচ্ছে। বছরের এই সময়ে প্রায় ৩ মাস মৌমাছি লালন-পালনের পর এসব মৌমাছিকে মধু আহরণের জন্য উপযোগী করে তোলা হচ্ছে। মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে এমনই কয়েকটি মৌমাছির সংরক্ষণাগার গড়ে উঠেছে। 

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিবন্দী, টুনিয়ামান্দ্রা, সুরুদীয়া, তন্তর, বাড়ৈগাঁও, সাতগাঁওসহ বেশ কয়েকটি স্থানে রাস্তার পাশে উঁচু জমিতে মৌমাছির শত শত বাক্স পাতা হয়েছে। গাছের ছায়াতলে শীতল জায়গায় কাঠের তৈরি বাক্স সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। রানী মাছিরা বাক্সের মধ্যে বংশবিস্তার করছে। লক্ষ্য করা গেছে, এসব মৌমাছির লালন-পালন ও পরিচর্যায় অভিজ্ঞ মধুচাষিরা কাজ করছেন।

জানা গেছে, আগামী অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাসের দিকে মধু আহরণের জন্য প্রস্তুত এসব মৌমাছির দল নিয়ে বিভিন্ন চরাঞ্চলের আগাম ধনিয়া, সরিষা, কালজিরা ফুলের খাঁটি মধু সংগ্রহ করতে ছুটবেন চাষিরা। এমনটাই জানান উপজেলার আটপাড়া এলাকায় মো. ইসহাক আলী নামে এক মধুচাছি। তিনি বলেন, সাতক্ষীরা থেকে তারা এখানে এসেছেন। এখানে থেকে মৌমাছির বংশবিস্তারের পর অক্টোবরের দিকে এসব মৌ বাক্স নিয়ে সাতক্ষীরায় যাবেন বরই (কুল) ফুলের মধু সংগ্রহের জন্য।  

মো. মাসুম বিল্লাল নামে এক মধুচাষি বলেন, তার সংরক্ষণে রয়েছে অস্ট্রোলিয়ান মেলিফেরা জাতের মৌমাছি। এসব বাক্সের মধ্যে মৌমাছির বংশবিস্তার চলছে। মৌমাছির দল ভারি করার জন্যই এখানে এসেছেন তিনি। বর্ষা মৌসুমে এ অঞ্চলে বিলে/চকে প্রচুর ধইনচা ক্ষেত থাকায় এসব মৌমাছি লালন-পালন করতে সুবিধা হচ্ছে তাদের। কার্তিক মাসেই খাঁটি মধু সংগ্রহের জন্য এসব যোদ্ধা মৌমাছি নিয়ে পর্যায়ক্রমে মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, নাটোর, পাবনা ও সুন্দরবন এলাকা ঘুরে বেড়াবেন। এই পন্থায় প্রতি বছর ৫-৬ টন মধু সংগ্রহ করতে পারেন।

তিনি জানান, তালিকাভুক্ত মধুচাষি হলেও সরকারিভাবে কোনো আর্থিক সহযোগিতা পান না তারা। দেশে কঠোর লকডাউন চলাকালীন অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে এসব মৌমাছির বাক্স নিয়ে উপজেলার বিবন্দীতে আসেন। বর্ষা মৌসুমে তাদের মধু উৎপাদন বন্ধ থাকে। এখন মৌমাছি লালন-পালন করতে শুধু খরচ হচ্ছে তাদের। 

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, প্রতিটি বাক্সে সাধারণ মৌমাছির দল রানীর কোষ দেয়। এসব কোষ থেকে ১০-১২ দিনের মধ্যে রানীদের জন্ম হলেও প্রতি বাক্সে মাত্র একটি করে রানী বেঁচে থাকে। একটি রানী দৈনিক এক থেকে দেড় হাজার ডিম দিতে সক্ষম। একটি রানী মৌমাছি বেঁচে থাকতে পারে প্রায় আড়াই বছর। বাক্সের মধ্যে এসব মৌমাছির দল বংশবিস্তারে আলাদা আলাদাভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে থাকে। বছরের এই সময়ে মৌমাছি সংরক্ষণ ও লালন-পালনের জন্য প্রতি বাক্সে আহারের জন্য সপ্তাহে কমপক্ষে দুবার করে চিনির রস/শরবত দিয়ে থাকেন চাষিরা। ১০০ মৌ বাক্স হিসাব অনুসারে আহারের জন্য প্রতি ৭ দিনে ৫০ কেজির ৪ বস্তা চিনির প্রয়োজন হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় একটি বাক্সে প্রায় দুই লাখ মৌমাছির সদস্য প্রস্তুত করে তোলা হবে মধু সংগ্রহের জন্য। মধু প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানির কাছে চাষির উৎপাদিত প্রতি কেজি মধু বিক্রি করে থাকেন আড়াইশ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকায়। অপরদিকে এসব উৎপাদিত মধু খোলা বাজারে খুচরাভাবে প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়।

এমএসএম / জামান

সরকার নির্ধারিত দামের বেশি মূল্যে সার বিক্রি, ভাউচার না দেওয়ায় ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

মাগুরায় জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

মাগুরায় জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত

বাঁশখালীতে টানা ছয়দিন ধরে বন্যাদুর্গতদের পাশে রেড ক্রিসেন্ট উপজেলা যুব টিম

বাগেরহাটে বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার, হত্যা না আত্নহত্যা সঠিক তদন্তের দাবি বিএনপি’র

আদমদীঘি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে চুরি সংঘটিত

মান্দায় এলসিএস শ্রমিক বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন

হাটহাজারী উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত দেরিতে অফিসে আসার অভিযোগ

সিংড়ায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের আহ্বান, কাউনিয়ায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

শালিখায় আড়পাড়া বাজারে জলবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে শতাধিক পরিবার

মাদারীপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে সভা ও পুরস্কার বিতরণ