ঢাকা বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

আশ্রয়ের খো‍ঁজে কচুরিপানার মতো ভেসে বেড়াচ্ছে শত শত পরিবার


সাইফুল মিলন, গাইবান্ধা  photo সাইফুল মিলন, গাইবান্ধা
প্রকাশিত: ৪-৯-২০২১ দুপুর ২:৪৯

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আশ্রয়ের খোঁজে কচুরিপানার মতো ভেসে বেড়াচ্ছে গাইবান্ধার চার উপজেলার শতাধিক চর-দ্বীপচরের শত শত পরিবার। ভাঙন আতঙ্কে মানুষের ঘুম নেই। খুঁজছেন মাথা গোঁজার ঠাঁই।  সবকিছু হারিয়ে আশ্রয়ের সন্ধানে এদিক-ওদিক ছুটছেন অসহায় মানুষগুলো।

গাইবান্ধায় বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘটের পানি। এছাড়া তিস্তা, করতোয়াসহ জেলার দু-একটি ছাড়া সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফলে এসব নদ-নদীবেষ্টিত চর-দ্বীপচর ও নিম্নাঞ্চলে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে শত শত পরিবার। তলিয়ে গেছে জমির ফসল। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও শুকন‍া খাবারের সংকট।

পানিতে ভাসছে মানুষ। কষ্টে কাটছে প্রতিটি মুহূর্ত। গত চার দিন ধরে বাড়ছে বানভাসিদের দুর্ভোগ। চারদিকে থৈ থৈ পানি, কিন্তু হাহাকার বিশুদ্ধ পানির। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শনিবার (৪ সেপ্টম্বর) ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৫ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার এবং ঘাঘটে ২ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে বন্যার্ত মানুষের।

গত দুদিনে ব্রহ্মপুত্রে পানি কমতে থাকলেও গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের পূর্ব খাটিয়ামারি, মধ্য খাটিয়ামারি, দক্ষিণ খাটিয়ামারি, পশ্চিম খাটিয়ামারি, চন্দনস্বর, উজালডাঙ্গা, কাওয়াবাধা ও মানিকচর গ্রামে গত এক সপ্তাহের ভাঙনে পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এলাকার মানুষ খাদ্য সমস্যার কারণে চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

অন্যদিকে তিস্তার পানি গত বুধবার থেকে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সরকারিভাবে সুন্দরগঞ্জে উপজেলায় পানি পরিমাপের কোনো পয়েন্ট না থাকায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার পানি পরিমাপ পিলারে দেখা গেছে, পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চণ্ডীপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার বিভিন্ন শাখানদী পানিতে থৈ থৈ করছে। চরাঞ্চলে বসবাসরত পরিবারগুলো ইতোমধ্যে নৌকা দিয়ে যাতায়াত শুরু করেছে।

উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের দেয়া তথ্য মোতাবেক ৮৫০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে কিছু কিছু এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়ালিফ মণ্ডল।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সদরসহ চার উপজেলার ১ হাজার ৫১৫ হেক্টর রোপা আমন ১৪৯৫ হেক্টর ও শাকসবজির ক্ষেত ২০ হেক্টর পানিতে তলিয়ে গেছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যাদুর্গতদের জন্য ইতোমধ্যে ৮০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এসব এলাকায় শুরু করা হয়েছে ত্রাণ বিতরণ। 

এমএসএম / জামান

গজারিয়া ইউনিয়নে থানা পুলিশের মত বিনিময়  সভা

কুড়িগ্রামে গাঁজা ও প্রাইভেটকারসহ ২ জন গ্রেফতার

শেরপুরে নারীর প্রলোভনে ডেকে নিয়ে বন্ধুকে হত্যা: ৩ বছর পর রহস্য উদঘাটন

ঠাকুরগাঁওয়ের বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেনঃ মির্জা ফয়সল আমীন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে পটুয়াখাালীতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

রায়গঞ্জে এমপির সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রতিবাদ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মানিকগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রংপুর মেডিকেলে ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির নির্বাচনে ড্যাব-ছাত্রদল প্যানেলের বিপুল জয়: সভাপতি শাহনেওয়াজ ও সম্পাদক রিয়াদ

ধামরাইয়ে অবৈধ টায়ার পুড়িয়ে তেল তৈরির কারখানা গুঁড়িয়ে দিল পরিবেশ অধিদপ্তর

টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও কর্মকর্তার স্বজনদের নাম ফ্যামিলি কার্ড গণনাকারী নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকায়

শিক্ষার জন্য কাজ করাই কি জাহাঙ্গীর আলমের অপরাধ?বাদ দেওয়া নিয়ে এলাকাবাসীর প্রশ্ন

গৌরনদীতে ব্র্যাকের যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত