ঢাকা রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত


গোলাম রব্বানী , গোপালগঞ্জ  photo গোলাম রব্বানী , গোপালগঞ্জ
প্রকাশিত: ১৭-৫-২০২৬ দুপুর ৪:৪৬

গোপালগঞ্জে জেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৭ মে) সকাল ১০টায় পৌরসভা সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (এভিসিবি-৩) প্রকল্প, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, ইউএনডিপি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান। সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ফারিহা তানজিন।

জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বলেন, গ্রাম আদালতকে গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সাধারণ মানুষের কাছে গ্রাম আদালতের সেবা পৌঁছে দিতে ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, হিসাব সহকারী ও ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মূল দায়িত্ব হচ্ছে গ্রাম আদালতের নথিপত্র প্রস্তুত ও সংরক্ষণ করা। পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীরা যাতে ভালো ব্যবহার পান এবং বিচার কার্যক্রমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যেসব ইউনিয়নে এজলাস রয়েছে সেখানে চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে নিয়মিত বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। আর যেসব এজলাস মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলো দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ফারিহা তানজিন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারীরাই মূলত গ্রাম আদালতের পেশকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাই অন্যান্য প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি গ্রাম আদালতের কার্যক্রমও গুরুত্বের সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে। তিনি বলেন, কিছু ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম ভালোভাবে পরিচালিত হলেও কোথাও কোথাও প্রত্যাশিত অগ্রগতি নেই। এজন্য সব ইউনিয়নে সমানভাবে কার্যক্রম জোরদারের তাগিদ দেন তিনি।

তিনি আরও জানান, প্রতি ইউনিয়নে মাসে অন্তত পাঁচটি মামলা গ্রহণ ও মামলার নথিপত্র হালনাগাদ রাখতে হবে। যেসব ইউনিয়ন ইতোমধ্যে ভালো কাজ করেছে, তাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে এবং পিছিয়ে থাকা ইউনিয়নগুলোকে সক্রিয় করার উদ্যোগ নিতে হবে।

সভায় গত ছয় মাসের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরেন এভিসিবি-৩ প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার মো. আলিউল হাসানাত খান। তিনি জানান, গোপালগঞ্জ জেলার ৬৭টি ইউনিয়ন পরিষদে গত নভেম্বর ২০২৫ থেকে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৭৩১টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে ৪৯টি মামলা গ্রাম আদালতে প্রেরণ করা হয়। একই সময়ে জেলায় মোট ৭৫৭টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ৯৫ লাখ ৬০ হাজার ৭০০ টাকা আদায় হয়েছে।

সভা সঞ্চালনা করেন স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী কমিশনার এ কে এম ফয়জুল বারী। সভায় জেলার পাঁচটি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার শাখার প্রতিনিধি, ৬৭টি ইউনিয়নের হিসাব সহকারী ও ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা, উপজেলা কো-অর্ডিনেটরসহ মোট ৮৭ জন অংশগ্রহণ করেন।

এমএসএম / এমএসএম

আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই

‎কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু

যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী

গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

‎কুতুবদিয়ায় একদিনেই পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

পাঁচবিবিতে বোর ধান চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

পূর্বধলায় আলোচিত ধর্ষণকাণ্ড: ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়াল পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা