বন্যায় ১ হাজার ৫১৫ হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি
টানা বৃষ্টি, উজানের পাহাড়ি ঢলে ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদের পানি বেড়ে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটাসহ চার উপজেলার ১ হাজার ৫১৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী জেলায় রোপা আমন ১ হাজার ৪৯৫ হেক্টর ও শাকসবজির ক্ষেত ২০ হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এসব জমিতে রয়েছে ধান, শাকসবজিসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল। এতে হাজারো কৃষক চরম বিপাকে পড়েছেন। অবশ্য বন্যার পানি কমতে থাকায় ক্ষয়ক্ষতি কম হবে বলে কৃষি বিভাগ মনে করছে।
গাইবান্ধার চার উপজেলার শতাধিক চর-দ্বীপ চরের ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদের ধারে ওই এলাকাতেই আমনসহ অন্যান্য শাকসবজি বেশি হয়। বন্যায় তলিয়ে গেছে রোপা আমন ও শাকসবজিসহ বেশকিছু ফসলের ক্ষেত। এখনো চরাঞ্চলের ফসলি ক্ষেত ডুবে আছে। এতে অনেক কৃষক পরিবার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। সরকারিভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়নি।
কৃষকরা জানিয়েছে, বন্যার পানির নিচে তলিয়ে আছে ফসলের জমি। ইতোমধ্যে ধানগাছ পচতে শুরু করেছে। তবে পানি কমতে থাকায় তাদের মনে আশার সঞ্চার হয়েছে। এদিকে ফসল হারিয়ে কৃষকদের মাঝে চরম হতাশা নেমে এসেছে। বেশিরভাগ কৃষক এনজিও, ব্যাংক অথবা চড়া সুদে মহাজনের কাছ থেকে ঋণে টাকা এনে ধান চাষ করেছেন। এখন বন্যায় ফসলহানিতে তারা দুচোখে অন্ধকার দেখছেন।
ফুলছড়ির গাবগাছি গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান (৪৫) বলেন, ৪ বিঘা জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করেছিলাম। পানিতে ডুবে সব নষ্ট হয়ে গেছে।
ওই গ্রামের আব্দুর রহিম (৪৮) বলেন, ৭ বিঘা জমিতে আমন ধান ও বেশকিছু শাকসবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ধার-দেনায় আবাদ করে এখন বিপাকে পড়েছি। তিনি বলেন, গাবগাছি গ্রামের প্রায় সব কৃষক কমবেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন। অনেকের গাঞ্জিয়া ধানের বীজতলা, বেগুনের বীজতলা, করলা, কাকরোল, পটল পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে।
ওই ইউনিয়নের খোলাবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৩৩) বলেন, আমার ১৬ বিঘার জমির আমন ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছি। এসব জমিতে গাঞ্জিয়া ধানের আবাদ করার বীজতলাও নষ্ট হয়েছে।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, আশা করছি দু-এক দিনের মধ্যে পানি আরো কমে যাবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সদরসহ চার উপজেলার বন্যায় ১ হাজার ৫১৫ হেক্টর ফসলের ক্ষতির মধ্যে রোপা আমনের ১ হাজার ৪৯৫ হেক্টর এবং শাকসবজির ২০ হেক্টর ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান বলেন, বন্যার পানি নেমে গেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত ফসল ও বন্যাপরবর্তী করণীয় বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
এমএসএম / জামান
আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই
কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু
যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড
কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত
পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী
গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কুতুবদিয়ায় একদিনেই পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
পাঁচবিবিতে বোর ধান চাল সংগ্রহের উদ্বোধন