ঢাকা রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

সবুজ পাতার আঁড়ালে দোল খাচ্ছে আমের গুটি


বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি photo বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮-৪-২০২৫ দুপুর ১:৪২

বাংলা কেলেন্ডারে বসন্ত বিদায়ের দারপ্রান্তে চৈত্রের শেষ ভাগে বারহাট্টার গাছে গাছে বাতাসে দোল খাওয়া আমের মুকুল এখন প্রকৃতির হাওয়ায় নতুন সবুজ পাতার গানের তালে গুটি হয়ে দুলছে।

সরেজমিনে উপজেলা সদরসহ কয়েকটি ইউনিয়নের গ্রাম ঘুরে দেখাগেছে, রাস্তার দু’পাশে, বাড়ির আঙিনায়, আমবাগানসহ সবখানেই গাছে গাছে আমের গুটিতে ছেয়ে গেছে পুরো গাছ। নতুন পাতার বিছানায় গুটি গুটি আম যেন হাওয়ায় দুলে মাথা নেড়ে জানান দিচ্ছে চৈত্রের অন্তর্ধানে, ঋতু পরিবর্তনে প্রকৃতির বুকে নতুনের বারতা।মুকুল ঝড়ে আমের গুটিতে ভরে আছে গাছের প্রতিটি ডালপালা। মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুকুল ঝড়ে এখন আমের গুটিতে ভরে গেছে ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো আম গাছসহ বাগানের ছোট-বড় গাছগুলো। এ যেন গাছে গাছে সবুজের সাথে সবুজের সমারোহ।

উপজেলার সদরের কাশবন গ্রামের বাসিন্দা তিলক সেন, গড়মা গ্রামের সমীন্দ্র দও, বারঘর গ্রামের তপন চক্রবর্তী, সহতা ইউনিয়নের নজরুল ইসলাম খান, বাবুল মিয়ার সাথে কথা বললে তারা বলেন, আমাদের এলাকার প্রতিটা আম গাছেই অনেক মুকুল আসা দেখে মনটা ভরে উঠেছিল। চৈত্রের মাঝামাঝি সময়ে এসে মুকুল ঝড়ে বোঁটায় ছোট ছোট গুটি ধরতে শুরু করে। এখন প্রায় সব গাছের বোঁটাতেই গুটি ঝুলছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে আমের উৎপাদন ভাল হবে বলে আশা করছি।

এলাকার কয়েকজন আম চাষির সাথে কথা বললে তারা বলেন, সব গাছেই মুকুল ঝড়ে এখন পুরোপুরিভাবে আমের গুটি ধরেছে। আমাদের এলাকায় এখনও বানিজ্যিকভাবে ব্যাপক আমের চাষ শুরু হয়নি। তবে আমের জাতের মধ্যে আম্রুপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি, ক্ষিরসাপাসহ অন্যান্য জাতের আম চাষের উপযুক্ত হওয়ায় এলাকার চাষিরা নিজ উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চারা সংগ্রহ করে বাগান করেছেন। ক্ষতিকারক পোকার আক্রমণ না হলে এবার কাঙ্ক্ষিত ফলনের আশা করছেন তারা। আর ধীরে ধীরে উপজেলা জুড়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে আমের বাগান।

তারা আরও বলেন, গত মৌসুমে আমের বাজার ভালো থাকায় লাভবান হয়েছিলেন চাষিরা। গত বছরের চেয়ে এ বছর আম বাগান আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি হবে বলে আশা করছেন চাষিরা।

উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের বাইশধার গ্রামের আম চাষি সাজ্জাদুল হাসান বলেন, আমি চার বছর আগে শুরু করি ফলের চাষ। এবার কমলা চাষে লাভবান হয়েছি। এখন আমের বাগান করেছি। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে থেকে আমার বাগানে লাগানো আম গাছে মুকুল ঝড়ে গুটি আসা শুরু হয়েছে। বেশির ভাগ গাছই গুটিতে ছেয়ে গেছে। আম চাষেও লাভবান হবার আশাকরছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা বলেন, আমাদের উপসহকারীরা আমের গুটি ঝরা রোধ করতে বাগান মালিক ও চাষিদের আমের গাছে বেশি করে পানি দিতে পরামর্শ দিচ্ছেন এবং ছত্রাকনাশক ও বোরন স্প্রে করতে বলা হচ্ছে। গত বছরে তুলনায় আমের গুটিও ভালো রয়েছে। তবে কিছু কিছু জাতের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত আম ঝরানোর জন্য এক ধরণের হরমোন নিঃসরণ করে থাকে ফলে গুটি ঝরে যায়। প্রাকৃতিক কোন বড় ধরণের দুর্যোগ না হলে আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি।

এমএসএম / এমএসএম

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেন

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু হবে, রংপুর অঞ্চলের দুই কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ চলছে কুড়িগ্রামে- ত্রাণমন্ত্রী

শেরপুরে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের জাকাত প্রকল্পে সেলাই মেশিন বিতরণ

দরিদ্রতা কমিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য- সফিকুর রহমান কিরণ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কড়াইয়ে কুড়িগ্রামে এক লাখ মানুষের ইফতার

শ্রীপুরে আমলসার ইউনিয়নে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের চাউল বিতরণ

বরগুনায় ফসলি জমির মাটি ইটভাটায়, অপসারণের দাবি স্থানীয়দের

‎ঈদ সামনে রেখে কুতুবদিয়ায় অগ্নি প্রতিরোধে ফায়ার সার্ভিসের সচেতনতামূলক প্রচারণা

চট্টগ্রাম বন্দরে ইনল্যান্ড মাষ্টার পদে পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগ

পাকশী থেকে ২ টি ওয়ান শুটার গান ও ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার

আদমদীঘিতে ১১০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার -২

গজারিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ