বারহাট্টার বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে শোভা পাচ্ছে সোনালী ধানের শীষ
এক জমি থেকে অন্য জমি, বিস্তির্ণ মাঠ জুড়ে যতদূর চোখ যায় বাতাসে দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ সবুজ বর্ণ থেকে এখন সোনালী বর্ণ ধারণ করতে শুরু করেছে। রোদের আলোয় পাকা-আধাপাকা ধান সোনালি রঙে চিক চিক করছে। কোথাও ধান কাটা হচ্ছে আবার কোথাও ধান কাটার দিন গুনছে কৃষক।
বারহাট্টা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে বোর ধানের আবাদি জমিতে এখন সকল প্রকার ধানের শীষে সোনালী রঙ ধরতে শুরু করেছে। শেষ মুহূর্তে পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কিছু কিছু এলাকায় ধান কাটা শুরু হয়েছে আর ক’দিনের মধ্যে শুরু হবে ধান কাটার মহা উৎসব। মাঠে পরিশ্রমের ফলানো ফসল গোলায় তোলার স্বপ্ন কৃষাণ-কৃষাণীদের চোখে মুখে। এখন চলছে ধান কাটার প্রস্তুতি। এখন ধান কাটার শ্রমিক ও হারবেষ্টার মেশিন নিয়ে মাঠে নামবে কৃষকেরা। বাজারে কামারের দোকান গুলোতে কাস্তে, বিন্দা, কেনার ধুম। এছাড়াও বাঁশের তৈরি (আঞ্চলিক ভাষা) পায়লা, প্লাাস্টিকের বস্তা, ত্রিপল ক্রয় করছে কৃষকেরা, ঘাস পরিষ্কার করে মাটি দিয়ে লেপে নির্মাণ করছে ধানের খলা। নতুন ধান উঠবে কৃষকের গোলায়। কৃষাণ-কৃষাণীরা গোলা, খলা, আঙ্গিনা পরিষ্কার করায় ব্যস্ত। আর মাত্র ক’দিন পরই কৃষকের উঠানে আছড়ে পড়বে কষ্টে ফলানো সোনালী ধান। ভরে উঠবে ধানের গোলা। মুখে ফুঁটবে সোনালী হাসি।
সরেজমিনে উপজেলা সদরসহ, সাহতা, রায়পুর, সিংধা, বাউসী, চিরাম ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকা ঘুরে ও কৃষি সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বললে তারা জানান, বরো আবাদে ধান রোপণ শুরু হয় কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাস থেকে এবং ধান কাটা শুরু হয় বৈশাখ থেকে চলে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত। আগাম জাতের ধান রোপণের কারণে বৈশাখ মাসের শুরু থেকেই অল্প অল্প করে ধান কাটা শুরু হয়েছে আগামী ১৫ তারিখের পর থেকে আমাদের এলাকায় পুরোদমে ধান কাটা চলবে। উপজেলার বেশিরভাগ এলাকাতেই আগাম জাতের ধান চাষে জাত অনুযায়ী শুরু হওয়া ধান কাটা চলবে পুরো এপ্রিল মাস জুড়েই। যথা সময়ে জমিতে সার, কীটনাশক প্রয়োগ ও নিবিড় পরিচর্যার কারণে এবার বোরো আবাদে বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।
উপজেলা সদরের গড়মা গ্রামের কৃষক তপন সরকার, যশমাধব গ্রামের কুতুব উদ্দিন, সাহতা ইউনিয়নের জসিম উদ্দিন, রায়পুর ইউনিয়নের আক্কাস আলীসহ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, গতবারের চেয়ে এবার ধান ভাল হয়েছে। আর কয়েকদিন পর পুরোদমে কাটা শুরু করা যাবে। এবার অনুকূল আবহাওয়া সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত সার, কীটনাশক ও বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং ক্ষেতে রোগ-বালাই, পোকা আক্রমণ কম হওয়ায় ফসল ভাল হয়েছে। এবার শেষ সময়ে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে স্বপ্নের সোনালী ধান যথাসময়ে ঘরে তুলতে পারবো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা বলেন, বাম্পার ফলন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আমরা মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন ধরণের কাজ করে আসছি। কৃষকরা যেন লাভবান হতে পারে এবং কোন প্রকার সমস্যায় না পড়েন এ জন্য আমাদের উপসহকারী অফিসাররা সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। আশা করি, বিগত মৌসুমের তুলনায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে। এতে কৃষক অনেকটা লাভবান হবে।
তিনি আরও বলেন, বারো আবাদে কৃষকদের চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন সময় কৃষকদের প্রক্ষিণ ও সরকারিভাবে প্রণোদণা দেয়া হয়েছে। অল্প খরচে অধিক ফলন যাতে কৃষকরা করতে পারেন সেজন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে তাদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। কৃষকদের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হিসেবে গড়ে তুলতে কৃষি বিভাগ প্রতিনিয়ত আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এমএসএম / এমএসএম
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেন
তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু হবে, রংপুর অঞ্চলের দুই কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ চলছে কুড়িগ্রামে- ত্রাণমন্ত্রী
শেরপুরে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
ময়মনসিংহে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের জাকাত প্রকল্পে সেলাই মেশিন বিতরণ
দরিদ্রতা কমিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য- সফিকুর রহমান কিরণ
বিশ্বের সবচেয়ে বড় কড়াইয়ে কুড়িগ্রামে এক লাখ মানুষের ইফতার
শ্রীপুরে আমলসার ইউনিয়নে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের চাউল বিতরণ
বরগুনায় ফসলি জমির মাটি ইটভাটায়, অপসারণের দাবি স্থানীয়দের
ঈদ সামনে রেখে কুতুবদিয়ায় অগ্নি প্রতিরোধে ফায়ার সার্ভিসের সচেতনতামূলক প্রচারণা
চট্টগ্রাম বন্দরে ইনল্যান্ড মাষ্টার পদে পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগ
পাকশী থেকে ২ টি ওয়ান শুটার গান ও ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার
আদমদীঘিতে ১১০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার -২