ঢাকা শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় পুলিশ কনস্টেবলের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার


দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্র‌তি‌নিধি photo দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্র‌তি‌নিধি
প্রকাশিত: ২১-৫-২০২৫ বিকাল ৫:৪৮

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা ইমিগ্রেশন ভবন থেকে পুলিশ কনস্টেবল শামিম রেজা সাজুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এসআই রমজান আলী সহ ৭ পু‌লিশ সদ‌স্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার এক মাস ২ দিন পর নিহত পুলিশ সদস্যের বাবা বাদী হয়ে মঙ্গলবার দর্শনা থানা আমলি আদালতে মামলাটি করেন।আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) দায়িত্ব দিয়েছেন। মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী নাজমুল হাসান লাভলু বলেন, বাদীর অভিযোগ আদালতে দাখিল করা হয়েছে। আদালত অভিযোগ গ্রহণ করে তা তদন্তে সিআইডিকে দায়িত্ব দিয়েছেন। জানা গেছে, কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ঝুটিয়াডাঙ্গা গ্রামের হাসেম আলী ফরাজীর ছেলে শামিম রেজা সাজু চুয়াডাঙ্গার দর্শনা জয়নগর আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন বিভাগে কন‌স্টোবল প‌দে কর্মরত ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল সকালে চেকপোস্টের নতুন ভবনের দোতলার একটি কক্ষ থেকে শামিমের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় দর্শনা থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছিল। শামিমের লাশ উদ্ধারের এক মাস ২ দিন পর তাঁর বাবা হাসেম আলী ফরাজী আদালতে হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে, জয়নগর ইমি‌গ্রেশন ইনচার্জ এসআই রমজান আলী, এএসআই তারেক মাহমুদ, লাভলুর রহমান, মিঠুন হোসেন, সহিদুল ইসলাম, কনস্টেবল মেহেদী হাসান ও সোহেল রানাকে।
মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, তাঁর ছেলে শামিম রেজা বিবাহিত এবং পাঁচ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান র‌য়ে‌ছে। পুত্রবধূ (শামিমের স্ত্রী) একমাত্র সন্তান নিয়ে তাঁর বাড়িতে এবং ছেলে (শামিম রেজা) চেকপোস্টের নতুন ভবনের দোতলায় অন্য সহকর্মীদের সঙ্গে থাকতেন। সংসার জীবনে কোনো অশান্তি ছিলনা। বাদীর অভিযোগ, দর্শনা ইমিগ্রেশনে বদলি হওয়ার পর থেকেই শামিম রেজা বৈষম্যের শিকার ছিলেন। বিভিন্ন খুঁটিনাটি কারণে ১ থেকে ৬ নম্বর আসামিরা তাঁকে (শামিম রেজা) মানসিক চাপে রাখতেন এবং কারণে-অকারণে তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার ও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতেন। শামিম প্রতিবাদ করায় ওই ছয়জন তাঁকে খুন করার হুমকি দিতেন। এসব কারণে শামিম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। ১৭ এপ্রিল ১-৫ নম্বর আসামিরা কনস্টেবল শামিমকে খুন করার হুমকি দিলে তিনি নিজ গ্রামের বাসিন্দা সহকর্মী (৭ নম্বর আসামি) সোহেল রানাকে হোয়াটসঅ্যাপে তা জানান। সোহেল রানা বিষয়টি শামিমের বাড়ির কাউকে না জানিয়ে অন্যদের (ছয় আসামি) তা জানিয়ে দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় ১৭ এপ্রিল রাত পৌনে ১১টার পর যেকোনো সময় শামিমকে হত্যা করে কক্ষের মধ্যে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে লাশ ঝুলিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করেন।।

এমএসএম / এমএসএম

পাবনাসহ উত্তরাঞ্চলে বোরো ধানের সেচ ব্যবস্থায় ডিজেলের ঘাটতি, দিশেহারা কৃষক

অভয়নগরে মুগ ও তিল চাষে প্রণোদনা কার্যক্রমের উদ্বোধন

মিরসরাইয়ে এমটি-ইপিআই কবির হোসেনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

যশোরে ডিবির অভিযানে ৭৫ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

একটু সহানুভূতিই পারে অসহায় শিশু বিল্লালের জীবন বাঁচাতে

রূপগঞ্জে রনি নিট কারখানার বর্জ্যে বিপর্যস্ত পরিবেশ

চট্টগ্রামের সদরঘাটে কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে প্রায় ৩৭ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ

দর্শনা মা ও শিশু হাসপাতালের ম্যানেজার নার্স ও আয়ার বিরুদ্ধে নবজাতক শিশুকে পাল্টে দেয়ার অভিযোগ

পাবনায় বজ্রপাতে তিন কৃষকের মৃত্যু

কুতুবদিয়ায় নৌবাহিনীর অভিযানে সিমেন্টসহ ট্রলার জব্দ, মায়ানমারে পাচারের চেষ্টা

কাপ্তাইয়ে আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য মামুনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা

তলিয়ে যাচ্ছে বোরো ফসল দুশ্চিন্তায় লাখো কৃষক

‎লেমশীখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোরের মৃত্যু