খাবারের অপচয় নয়, কাঁঠালের বাড়তি অংশেই হোক সেরা স্বাদ
পাকা কাঁঠালের গন্ধ যতই মুগ্ধ করুক, অনেক সময় একবারে পুরোটা খেয়ে ফেলা সম্ভব হয় না। বড় আকারের ফলে কিছু অংশ থেকে যায় অব্যবহৃত, যা শেষ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকে অপচয়ের তালিকায়। অথচ এই বাড়তি অংশ দিয়েই তৈরি করা যায় দারুণ স্বাদের এক মজাদার খাবার কাঁঠালের বড়া। সহজ কিছু উপকরণে, অল্প সময়ে বানিয়ে নিতে পারেন এই ব্যতিক্রমি নাস্তা, যা খুশি করবে ঘরের ছোট-বড় সবাইকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কাঁঠালের বাড়তি অংশ দিয়ে তৈরি এই সুস্বাদু খাবারের সহজ রেসিপি।
উপকরণ:
পাকা কাঁঠালের রস – ১ কাপ
চালের গুঁড়া – ২ কাপ
চিনি – আধা কাপ (ইচ্ছা অনুযায়ী বাড়ানো-কমানো যায়)
নারকেল কোরানো – আধা কাপ
ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল
কাঁঠালের বড়া তৈরির পদ্ধতি:
প্রথমেই একটি পাত্রে কাঁঠালের রস, চালের গুঁড়া, চিনি ও কোরানো নারকেল একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি যেন ঘন ও মসৃণ হয়, তবে অতিরিক্ত শক্ত বা পাতলা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।
এবার একটি কড়াইয়ে তেল গরম হতে দিন। তেল যখন মাঝারি গরম হবে, তখন ছোট ছোট গোলাকৃতি করে বড়ার মিশ্রণটি তেলে ছেড়ে দিন। চুলার আঁচ মাঝারি রাখুন, যেন বাইরের অংশ পুড়ে না গিয়ে ধীরে ধীরে সোনালি বাদামি রঙ ধারণ করে। প্রতিটি বড়া দুই দিক থেকে ভাজা হয়ে গেলে তেল থেকে তুলে কিচেন টিস্যুর ওপর রাখুন, যাতে বাড়তি তেল ঝরে পড়ে।
পরিবেশন পরামর্শ:
এই কাঁঠালের বড়া গরম গরম খেতে যেমন মজাদার, তেমনি ঠান্ডা করেও খাওয়ার জন্য উপযুক্ত। বিকেলের নাস্তায়, অতিথি আপ্যায়নে বা উৎসবের আয়োজনে রাখতে পারেন এই ব্যতিক্রমি খাবারটি। চাইলে সঙ্গে দিতে পারেন সামান্য চিনি ছিটানো বা গুড়ের সিরাপ।
এমএসএম / এমএসএম
পেট খালি রাখলেই বিপদ
গুঁড়া দুধ দিয়ে মিষ্টি তৈরির রেসিপি জেনে নিন
আপনার নবজাতক ক্ষুধার্ত কি না বুঝবেন যেভাবে
গরমে উপকারী ডিটক্স পানীয় সম্পর্কে জেনে নিন
মাড়ির যে সমস্যা অবহেলা করবেন না
থ্যালাসেমিয়া: দেশে দুই কোটির বেশি বাহক, প্রতিরোধে কী করবেন
পজিটিভ প্যারেন্টিং কী? যেভাবে মেনে চলবেন
৩০ দিন ধরে ডাবের পানি পান করলে শরীরে যা ঘটে
পহেলা বৈশাখে ঘুরবেন, মেকআপে যেসব ভুল করবেন না
স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলুদ পানি
কেউ আপনার শক্তি নষ্ট করছে? যেভাবে বুঝবেন
জামরুল খাবেন যে কারণে