ঢাকা শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

গোয়াইনঘাট থানার দুই দারোগার বিরুদ্ধে চোরাচালান বাণিজ্যের অভিযোগ


সিলেট ব্যুরো অফিস photo সিলেট ব্যুরো অফিস
প্রকাশিত: ১৪-৭-২০২৫ বিকাল ৬:২

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি ইউনিয়নে বিট অফিসার এস.আই রাকিব এবং সহকারী বিট অফিসার এ.এস.আই তানভীরের তত্ত্বাবধানে ভারতীয় চোরাচালান বাণিজ্য চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গণমাধ্যমে এই সীমান্ত এলাকার চোরাচালান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে খবর প্রকাশিত হলেও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় সাধারণ চোরাকারবারিদের পাশাপাশি থানার পুলিশ সদস্যরাও ভারতীয় চোরাচালানের সাথে জড়িয়ে পড়ছেন।

অভিযোগ রয়েছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন দেশে প্রবেশ করছে ভারতীয় গরু, মহিষ, চিনি, কসমেটিকসসহ বিভিন্ন পণ্য। থানা পুলিশ, জেলা উত্তর ডিবি ও বিজিবির টাকা তোলার জন্য নিজস্ব লাইনম্যান রয়েছে। দিনে রাতে পয়েন্টে পয়েন্টে বসে ডিবি, থানা ও বিজিবির হয়ে চাঁদা আদায় করেন এসব লাইনম্যান। বিছনাকান্দি ইউনিয়নে চোরাচালানের মূল হোতা হিসেবে থানার এস.আই রাকিব ও এ.এস.আই তানভীরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপজেলার বঙ্গবীর পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে ভারতীয় গরু, মহিষবাহী ট্রাক থেকে এই দুই পুলিশ কর্মকর্তা চাঁদা উত্তোলন করেন, এমন ভিডিও নাকি প্রতিবেদকের কাছে এসেছে।

উপজেলার বিছনাকান্দি সীমান্ত দিয়ে দিনে রাতে প্রকাশ্যে ভারতীয় পণ্য দেশে নিয়ে এসে মজুদ করে রাখা হয়। রাত গভীর হলেই সিলেট শহর ও সিলেট হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হয় এসব পণ্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে কৌশল অবলম্বন করে কাভার্ড ভ্যানে করে এসব পণ্য বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। স্থানীয়রা জানান, থানা পুলিশের নামে গাড়ি প্রতি ২ থেকে ৩ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে লাইনম্যানরা। থানা পুলিশের রুস্তমপুর বিছনাকান্দি বিটের বিট অফিসার এস.আই রাকিব ও এ.এস.আই তানভীর সরাসরি এসব চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করে বলে দীর্ঘদিনের অভিযোগ। ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতীয় প্রতিটি গরু থেকে ২ হাজার ও মহিষ প্রতি ৩ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করে লাইনম্যানরা। এছাড়া চিনি, কিট ও পাথর সবকিছুতেই তাদের চাঁদা দিতে হয়।

সীমান্ত এলাকার চোরাচালান বন্ধ করতে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার, সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি, সিলেট এসএমপি কমিশনার, উপজেলা চোরাচালান বিরোধী টাস্কফোর্স এবং চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটি প্রতি মাসে সভা-সেমিনার করলেও এসব অবৈধ চোরাচালান ঠেকানো যাচ্ছে না। নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা চোরাচালান বন্ধে তৎপর হলেও অধীনস্থ এস.আইরা চোরাকারবারিদের সাথে গভীর সখ্যতা বজায় রেখেছেন। কাঁচা টাকার লোভে তারা একেক এলাকায় একেক লাইনম্যান নিয়োগ দিচ্ছেন, যেখানে দরকষাকষির মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতা লাইনম্যানের দায়িত্ব পাচ্ছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এস.আই রাকিব সাংবাদিককে তার সাথে দেখা করে কথা বলতে বলেন, অন্যথায় তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এমএসএম / এমএসএম

গজারিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল

গাজীপুরে ঝুট ব্যবসা নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

হাবিবুর রহমান হাবিবের বহিষ্কার ও জেলা কমিটি পুনর্গঠনের দাবি সিরাজুল ইসলাম সরদারের

নোয়াখালীর কবিরহাটে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনদের সম্মানে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার অনুষ্ঠান

রায়গঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বৃদ্ধের রহস্যজনক মৃত্যু

পিসিপি’র খাগড়াছড়িতে ১৭ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

ধামইরহাটে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কৃষকের সরিষা কেটে নিল প্রতিপক্ষ

জেএসএস’র গুলিতে খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্য নিহত

আদমদীঘিতে বাশেঁর বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি

মান্দায় রফিকুল হত্যা মামলা নিয়ে পুলিশের তেলেসমাতি

কোনাবাড়ী উলামা পরিষদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

উলিপুরে হাঙ্গার প্রজেক্টের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বারহাট্টা রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের কার্যকরী কমিটি গঠিত