গোয়াইনঘাট থানার দুই দারোগার বিরুদ্ধে চোরাচালান বাণিজ্যের অভিযোগ
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি ইউনিয়নে বিট অফিসার এস.আই রাকিব এবং সহকারী বিট অফিসার এ.এস.আই তানভীরের তত্ত্বাবধানে ভারতীয় চোরাচালান বাণিজ্য চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গণমাধ্যমে এই সীমান্ত এলাকার চোরাচালান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে খবর প্রকাশিত হলেও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় সাধারণ চোরাকারবারিদের পাশাপাশি থানার পুলিশ সদস্যরাও ভারতীয় চোরাচালানের সাথে জড়িয়ে পড়ছেন।
অভিযোগ রয়েছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন দেশে প্রবেশ করছে ভারতীয় গরু, মহিষ, চিনি, কসমেটিকসসহ বিভিন্ন পণ্য। থানা পুলিশ, জেলা উত্তর ডিবি ও বিজিবির টাকা তোলার জন্য নিজস্ব লাইনম্যান রয়েছে। দিনে রাতে পয়েন্টে পয়েন্টে বসে ডিবি, থানা ও বিজিবির হয়ে চাঁদা আদায় করেন এসব লাইনম্যান। বিছনাকান্দি ইউনিয়নে চোরাচালানের মূল হোতা হিসেবে থানার এস.আই রাকিব ও এ.এস.আই তানভীরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপজেলার বঙ্গবীর পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে ভারতীয় গরু, মহিষবাহী ট্রাক থেকে এই দুই পুলিশ কর্মকর্তা চাঁদা উত্তোলন করেন, এমন ভিডিও নাকি প্রতিবেদকের কাছে এসেছে।
উপজেলার বিছনাকান্দি সীমান্ত দিয়ে দিনে রাতে প্রকাশ্যে ভারতীয় পণ্য দেশে নিয়ে এসে মজুদ করে রাখা হয়। রাত গভীর হলেই সিলেট শহর ও সিলেট হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হয় এসব পণ্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে কৌশল অবলম্বন করে কাভার্ড ভ্যানে করে এসব পণ্য বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। স্থানীয়রা জানান, থানা পুলিশের নামে গাড়ি প্রতি ২ থেকে ৩ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে লাইনম্যানরা। থানা পুলিশের রুস্তমপুর বিছনাকান্দি বিটের বিট অফিসার এস.আই রাকিব ও এ.এস.আই তানভীর সরাসরি এসব চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করে বলে দীর্ঘদিনের অভিযোগ। ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতীয় প্রতিটি গরু থেকে ২ হাজার ও মহিষ প্রতি ৩ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করে লাইনম্যানরা। এছাড়া চিনি, কিট ও পাথর সবকিছুতেই তাদের চাঁদা দিতে হয়।
সীমান্ত এলাকার চোরাচালান বন্ধ করতে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার, সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি, সিলেট এসএমপি কমিশনার, উপজেলা চোরাচালান বিরোধী টাস্কফোর্স এবং চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটি প্রতি মাসে সভা-সেমিনার করলেও এসব অবৈধ চোরাচালান ঠেকানো যাচ্ছে না। নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা চোরাচালান বন্ধে তৎপর হলেও অধীনস্থ এস.আইরা চোরাকারবারিদের সাথে গভীর সখ্যতা বজায় রেখেছেন। কাঁচা টাকার লোভে তারা একেক এলাকায় একেক লাইনম্যান নিয়োগ দিচ্ছেন, যেখানে দরকষাকষির মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতা লাইনম্যানের দায়িত্ব পাচ্ছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এস.আই রাকিব সাংবাদিককে তার সাথে দেখা করে কথা বলতে বলেন, অন্যথায় তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এমএসএম / এমএসএম
কাশিয়ানীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৭
নান্দনিক রূপে নজর কাড়ছে ভিক্টোরিয়া কলেজের ‘স্বাধীনতা সৌধ’
জাতীয় হকি তারকা মিন্টু ও শামীম স্মরণে শোক র্যালি
রামপালে ইতু হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই সহোদরসহ গ্রেপ্তার ৩, রিমান্ড আবেদন
দেবীগঞ্জে হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠনকে ২২শ তালবীজ ও ফুলের চারা উপহার
টঙ্গীতে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে বিএনপি-যুবদলের পৃথক বিক্ষোভ মিছিল
নেছারাবাদে নতুন ইউএনও আশিক আহমেদের সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রথম মতবিনিময়
রাজশাহী প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন আব্দুস সবুর
কুড়িগ্রামে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রতন পোদ্দার গ্রেপ্তার
"রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা)" পাচ্ছেন ঝিনাইদহ ডিবি পুলিশের এএসআই ইকলাচুর রহমান
অভয়নগরে বিজ্ঞান মেলা ও পুরস্কার বিতরণ
শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটর নিয়োগে অনিয়ম, পণ্য খালাসে জটিলতার আশঙ্কা