ঢাকা বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

দুমকিতে পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ


ওবায়দুর রহমান, দুমকি photo ওবায়দুর রহমান, দুমকি
প্রকাশিত: ১৫-৭-২০২৫ বিকাল ৫:১২

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাহেরচর এলাকায় সর্বগ্রাসী পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে শত শত পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারাচ্ছে। চলতি মৌসুমে শতাধিক পরিবার তাদের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ফলে নিঃস্ব হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পশ্চিম আঙ্গারিয়া বাহেরচর এলাকার প্রায় ২ কিলোমিটার জুড়ে পায়রা নদীর ভাঙন চলছে। ভাঙন কবলিত এলাকার লোকজন সরকারি রাস্তার পাশে, বিভিন্ন এলাকায় আত্মীয়-স্বজনের গোয়ালঘর বা রান্নাঘরে কোনো রকমে মানবেতর জীবন যাপন করছে। আবার কিছু পরিবার পরিজন নিয়ে অন্যত্র চলে গেছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে ইতিমধ্যে প্রায় আড়াই কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এসব এলাকায় ঘরবাড়ি, মসজিদ, মন্দির ও রাস্তাও নদীতে বিলীন হয়েছে।

স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত সুধান চন্দ্র মিস্ত্রী (৫০) এবং সুধারঞ্জন চন্দ্র মিস্ত্রী (৮০) বলেন, "আমাদের বাড়ি এখান থেকে ২ থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তরে ছিল। পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে বাবার আমলে ২ বার এবং আমাদের আমলে ৩ বার বসতবাড়ি স্থানান্তর করতে হয়েছে। বর্তমানেও ঝুঁকিতে আছি। আমাদের মতো অনেকেই এখন বসতঘর সহ সবকিছু ভেঙে সরকারি রাস্তার পাশে সরিয়ে নিচ্ছি।"

আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভাঙন কবলিত ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহীন গাজী বলেন, "কিছু দিন আগে খেয়াঘাট এলাকায় বেশ কিছু জায়গা জুড়ে বিশাল ফাটল ধরে হঠাৎ নদীগর্ভে দেবে যায়। এতে ৩ জনকে ট্রলার যোগে উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে একজন মহিলা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন। এ যাবৎ এই এলাকার প্রায় দুইশ একর জমিসহ, তিন শতাধিক ঘরবাড়ি, ৩টি মসজিদ, ৪টি মন্দির, একটি সরকারি অফিস সহ রাস্তাঘাট পায়রা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন এলাকার লোকজন অপরের বাড়ির গোয়ালঘর, রান্নাঘর, সরকারি রাস্তার পাশে মানবেতর জীবন যাপন করছে। কিছু লোকজন অন্যান্য এলাকাতেও চলে গেছে।"

আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান সোহরাব সরেজমিনে এসে জানান, "বাহের চর মৌজায় দীর্ঘ দিন যাবৎ পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে এলাকাবাসী আতঙ্কিত। শত শত পরিবার নদী ভাঙনে সবকিছু হারিয়ে এখান থেকে চলে গেছে।" তিনি ভাঙন কবলিত অসহায়দের পুনর্বাসন এবং স্থায়ীভাবে পাইলিং ও ব্লক ফেলে নদী ভাঙন রোধে যথাযথ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মোঃ ইজাজুল হক বলেন, "এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে, দ্রুত নদী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিব জানান, "বাহেরচরের নদী ভাঙন রোধে এর আগেও আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। চলতি বছরের নভেম্বর মাসে আবার জিওব্যাগ স্থাপন করা হবে। এছাড়াও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে।"

এমএসএম / এমএসএম

টাঙ্গাইলে সরকারী ও বেসরকারি সংস্থার মধ্যে রেফারেল পদ্ধতি প্রতিষ্ঠায় ব্লাস্টের নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত

জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী মোঃ হাসিবুল হাছানের পাশে দাড়ালেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা

বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতালের সামনে অগ্নিকান্ড এ্যাম্বুলেন্সসহ ৮ টি মটরসাইকেল পুড়ে ভস্মিভুত

রায়গঞ্জে রাস্তায় সন্তান প্রসব, দুই মিডওয়াইফকে শোকজের পর তদন্তে স্বাস্থ্য বিভাগ

রাতে ঘুম নেই, দিনে কাজ নেই—ফ্রিল্যান্সিং থেকে খামার, সর্বত্র বিপর্যয়

নেত্রকোণা মদনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ প্রস্ততিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

বাহেরচর ক্ষুদ্রকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন কমিটি গঠন

ধুনটে দুই প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস, ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল

বোদায় ১৬ শিক্ষক কর্মচারীর মাদ্রাসায় ৭ পরীক্ষার্থী, পাশ করেছে ১জন

২য় বাংলাদেশ রেমিট্যান্টস’ রিকগনিশন ২০২৬’ অনুষ্ঠানে সম্মাননা পেয়েছেন দাউদকান্দির বাবুল খন্দকার

এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোহাম্মদ সাইয়েদ হোসেন বাবু

পেকুয়ায় উজানটিয়া যুব উন্নয়ন একতা ক্লাবের কমিটি অনুমোদন

রাজারহাটে সরকারি গুদামের বদলে অটো রাইস মিলে ধান সংগ্রহের অভিযোগ