রাজারহাটেএকটি ব্রীজের অভাবে ৪ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নে মেকলী ও ছাটকালুয়া গ্রামের একমাত্র ব্রীজটি ২০১৭ সালে বন্যায় ভেঙ্গে যায়। দীর্ঘ আট বছর হয়ে গেল আর কোন ব্রীজ নির্মান হয়নি। এলাকাবাসী ভাসমান একটি বাঁশের সাঁকো নির্মান করেছিল। সেটিও এখন ভেঙে গেছে। এতে চরম কষ্টে পড়েছে ৪টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। প্রতিদিন এই সাঁকো পেরিয়ে হাজার হাজার মানুষ পারাপার হয়ে থাকে। সবচেয়ে কষ্টে ও ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে স্কুলের শিক্ষার্থী,শিশু, নারী ও অসুস্থ রোগীরা। বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় চরম ভোগান্তি নিয়ে নদী সঁাতরিয়ে পারাপার হচ্ছেন দুপাড়ের মানুষ। জরুরী ভিত্তিতে মেরামত না করলে মানুষের আরও দুর্ভোগ বাড়বে।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নে মেকলী ও ছাটকালুয়া গ্রামের কামারের ছড়া বিলের ব্রীজটি ২০১৭ সালে বন্যায় ভেঙ্গে যায়। ৪ গ্রামের মানুষ যাতায়াতের জন্য নিজেরাই টাকা দিয়ে বাঁশের সাঁকো নির্মান করে। তাও ভেঙে চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। গ্রামের লোকজন চাদা দিয়ে বাশেরনিচে ড্রাম দিয়ে চলাচল করছে। কষ্টে পড়েছে মেকলী,ছাটকালুয়া,চতুরভুজ,গরেরবাজার,গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। এই সব গ্রামের মানুষ জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে । ব্রীজের উভয় পাশে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা আছে। প্রতিদিন শিশু শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুকি নিয়ে এই ব্রীজ পারাপার হয়ে থাকে। চরম কষ্টে পড়ে সামান্য বৃষ্টি আর বর্ষাকালে। গ্রামবাসীরা জানায় আশেপাশের গ্রাম গুলোতে যদি রাতে কোন দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে তাদের প্রায় ৮ কিঃমি ঘুরে যেতে হবে। রাতে কোন ভাবেই এই ব্রীজ দিয়ে পারাপার হওয়া সম্ভব নয়। গ্রামের মানুষ গত কয়েক বছরে বার বার স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বারদের বলেও কোন লাভ হয়নি। তারা সরকারের কাছে অনুরোধ করেন দ্রত ব্রীজটি নির্মানের ব্য্যবস্থা করার।
মেকলী গ্রামের আহাদ আলী.মতিয়ার রহমান জানান, আমাদের যদি কোন অসুবিধা হয় আমরা প্রতিবেশীর কাছে ঠিকমত যোগাযোগ করতে পারি না। পাশেই একতা বাজার কিন্ত ব্রীজের কারণে যেতে পারি না। ৭/৮ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। এমন দুর্ভোগ অবস্থায় পড়ে আছি। ছাটকালুয়া গ্রামের করিম হোসেন (৫০), বহমত ব্যাপারী (৪০) জানান ব্রীজটি ভেঙ্গে যাবার পর গ্রামবাসী ড্রামের উপর ভাসমান বাঁশের সাঁকো নির্মান করেছে। তাও প্রতিবছর ভেঙ্গে যায়। আমরা কয়েক গ্রামের মানুষ টাকা ও ধান তুলে বাঁশ দিয়ে একটি সাঁকো নির্মাণ করে খুব কষ্টে চলাচল করছি। কয়েক গ্রামের মানুষ বহুবার স্থানীয় প্রতিনিধিদের ব্রীজ নির্মানের অনুরোধ করলেও কাজ হয়নি। তারা জানেনা কবে একটি ব্রীজ নির্মান হবে।
ছিনাই ইউনিয়নের মেম্বার আবুল কালাম জানান ২০১৭ সালের বন্যার কারণে ব্রীজের কাছে ২৫/৩০ ফুট গভীর হয়েছিল। ব্রীজটি ভেঙ্গে যাওয়ায় কয়েকটি গ্রামের ৪/৫ হাজার মানুষ এবং ১/২ হাজার শিক্ষার্থী স্কুলমুখী থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বন্যার সময় তারা স্কুলে যেতে পারে না। ড্রাম গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। দ্রত ব্রীজটি নির্মানের জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ করেন।
ছিনাই ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফর রহমান জানান ছাটকালুয়া ও মেকলী দুই ওয়ার্ডের মাঝামাঝি এই ব্রীজটি ২০১৭ সালে বন্যায় প্রবল স্রোতে সর্ম্পুন ভেঙ্গে যায়। এরপর গ্রামবাসী ভাসমান বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করছে। মানুষের ভোগান্তি দুর করতে সরকারের কাছে অনুরোধ করেন একটি পুর্নাঙ্গ ব্রীজ হলে ৪ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে।
এমএসএম / এমএসএম
হাতিয়ায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ
পাঁচবিবিতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) টহল জোরদার
ঠাকুরগাঁও হাসপাতালে লিফট বন্ধ ১২ দিন : কাঁধে করে রোগী বহন, চরম দুর্ভোগ
কুমিল্লায় জামায়াত আমীরের সমাবেশের ব্যাপক আয়োজন, সেই সাথে সময় পরিবর্তন
লিবিয়া হয়ে ইতালির উদ্দেশ্যে যাত্রাপথে নিখোঁজ মাদারীপুরের ১০ যুবক
অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় এবার প্রস্তুতি বেশি ভালো
ঠাকুরগাঁওয়ে মন্দির ভিত্তিক স্কুলের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট- ২০২৬ উপলক্ষ্যে পটুয়াখালীতে সেনাবাহিনী প্রধানের মতবিনিময় সভা,
১৯ বছর পর রাজশাহী আসছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মী
বারহাট্টায় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ধানের শীষের প্রার্থী ডাঃ আনোয়ারুল হকের মতবিনিময়
রৌমারীতে ৩টি ইউনিয়নের নির্বাচনের মেয়াদ শেষ
গোপালগঞ্জের আলোচিত হত্যা মামলার রায়