লিখিত অভিযোগ দায়ের
ভূমিদস্যু কর্তৃক সরকারি খাস জমি দখল করে সমিতির নামে পাকা স্থাপনা নির্মাণ
ঢাকার মিরপুরে সরকারি খাস জমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে সমিতির নামে ভাগ বাটোয়ারা করে খাচ্ছেন একাধিক ভূমিদস্যু সিন্ডিকেট । ঘটনাটি ঘটেছে বৃহত্তর মিরপুরের দারুসসালাম থানার হরিরামপুর মৌজায় ।।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে ও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ঢাকা মহানগর উত্তরের দারুসসালাম থানাধীন,, হরিরামপুর মৌজায়, বাংলাদেশ সরকার জেলা প্রশাসক ঢাকা নামে সিটি রেকর্ড ভুক্ত জমি ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সিটি দাগ নম্বর ৯৭ দাগে মোট ২৫.৮৮ শতাংশ জমি আছে, তার মধ্যে ১৪ শতাংশ খাস জমি ।১৪ শতাংশ জমির প্রায় অর্ধেক জমি দখল করে ১০ তলা ভবন নির্মাণ করছেন শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্স থান কাপড় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ এবং আর অর্ধেক দখল করে আনন্দ টাওয়ার নামে ভবন তৈরি করছেন নিজাম উদ্দিন গং নামে আরেক ভূমিদস্যু গ্রুপ ।।
কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জানা যায়, শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্স থান কাপড় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ এর নামে ৯৭ দাগে ১১.৩ শতাংশ জমি এবং ৯৫ দাগে ৩.৭ জমি ক্রয় করেন । ঐ একই ৯৭ দাগে সরকারি খাস জমি আছে ১৪ শতাংশ যেখান থেকে তারা প্রায় অর্ধেক দখল করে দশ তলা ভবনের ছয় তলা ইতি মধ্যে শেষ করেছেন ।আরেক পাশে মিরপুরে আলোচিত ভূমিদস্যু নিজাম উদ্দিন গং ১৪ শতাংশের প্রায় অর্ধেক জমি দখল করে আনন্দ টাওয়ার নামে একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করার জন্য টিন দিয়ে বাউন্ডারি করে রেখেছেন । আনন্দ টাওয়ারের সাইনবোর্ড সূত্রে জানা যায়, ৭৭/৪ হরিরামপুর মৌজার, দারুস সালাম থানায় খতিয়ান নম্বর সিএস ২২৯, এস এ ৫৩ আর এস ৬১ ও ৩২ ঢাকা সিটি জরিপ ১০ ।
দাগ নম্বর সিএস ও এস এ ৮৪ ও ৮৫, আর এস ৭৬ ও ৭৮, ঢাকা সিটি জরিপে ৯৩,৯৪,৯৫,৯৬ ও ১১৬ জমির পরিমাণ ২২.৩২ শতাংশ ।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিরপুর সার্কেলের নির্দেশে, সার্ভেয়ার,কানুনগো ও সহকারী ভূমি কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি টিম উক্ত স্থানে পরিদর্শনে গেলে কোন পক্ষই তাদের ১৪ শতক খাস জমি সম্পর্কে কোন তথ্য দিতে পারেননি । কাগজপত্র পর্যালোচনা করে তারা পরবর্তীতে ব্যবস্থা নিবেন ।
লিখিত অভিযোগকারী, মোঃ ওমর আলী বলেন, সরকারি খাস জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণের কোন আইন না থাকলেও এই ভূমিদস্যু গ্ৰুপ একজনেরা দশ তলা বিল্ডিং শুরু করেছে আর একজন নাকি রাজউক থেকে দশতলার অনুমোদন নিয়ে এসেছে । কিভাবে অনুমোদন দিল প্রশ্ন থেকেই যায় ।
তিনি আরো বলেন, রাজউক কর্মকর্তাদের তদারকি না থাকার কারণে যত্রতত্র অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে ।
ভূমিদস্য নিজাম উদ্দিন সম্পর্কে জানা যায় ভিন্ন তথ্য, তিনি সমিতির নামে সেই সকল জায়গায় জমি কেনেন, যেখানে ১০ শতাংশ জমি কিনলে আর ৫ শতাংশ দখল করে বিল্ডিং করা যায়, এমন নজির তার অতীতেও আছে ।
এ বিষয়ে জানতে দারুস সালাম থানার সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি ) গরীব শাহ এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, হরিরামপুর মৌজায় অনেক খাস জমি আছে যে জমিগুলো জনস্বার্থে ব্যবহার হয় । যারা বিল্ডিং করছেন এবং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উভয়ে ১৪ শতাংশ জমি দখল করে রেখেছেন। তিনি আরো বলেন আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখে সরকারি জমি উদ্ধার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব ।
এবিষয়ে জানতে নিজাম উদ্দিন বলেন, আমাদের কেনা জমি আমরা বাউন্ডারি দিয়েছি, এখানে কোন সরকারি জায়গা নাই । একাধিক জায়গার নাম উল্লেখ করে তার জমি কেনা এবং দখল করা সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, তিনি সঠিক কোন জবাব দিতে পারেনি ।
রাজউকের পরিদর্শক ফারহানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টা সম্পর্কে আমি অবগত নই,অফিসের স্যারের সঙ্গে কথা বলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব ।
এমএসএম / এমএসএম
বৃহত্তর উত্তরা সর্বোচ্চ উলামা আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত
শহীদ মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কামারপাড়া তুরাগের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
রাজউকের মোবাইল কোর্ট অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তিন ভবনে ব্যবস্থা, মিটার জব্দ
জন্মনিয়ন্ত্রণে ‘ভূতের বাতি’ সামগ্রীর তীব্র সংকটে সেবা ব্যাহত, বঞ্চিত কোটি কোটি দম্পতি
ফায়ারের ডিজির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত ফায়ার ফাইটার কামাল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মালামাল চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২
সাংবাদিকের ওপর হামলা হোটেল বায়ান্ন ইন্টারন্যাশনাল কর্মচারীদের
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে ফরেস্ট গার্ডদের মামলা পদোন্নতির সমাধান আদালতে
‘সংরক্ষিত আসনের জন্য আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, ফিরিয়ে দিয়েছি’
সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাত
পোড়া তেল ব্যবহার না করার আহ্বান বিএফএসএ চেয়ারম্যানের