ঢাকা বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শেরপুরে বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় আমন ধান ক্ষতিগ্রস্ত: কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ


দেবাশীষ সাহা রায়, শেরপুর photo দেবাশীষ সাহা রায়, শেরপুর
প্রকাশিত: ২-১১-২০২৫ দুপুর ৪:১৯

দুইদিন ধরে চলমান অব্যাহত বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেরপুরে উঠতি আমন
ধানের ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় ধানগাছগুলো হেলে পড়েছে। সেইসঙ্গে
বৃষ্টির আগে কেটে খেতে বিছিয়ে রাখা ধানগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে
কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, শেরপুর কার্যালয় ও কৃষকদের সূত্রে জানা গেছে,
চলতি মৌসুমে শেরপুর জেলায় ৯৩ হাজার ৬৯৩ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ করা হয়েছে।
এবার বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় আমন ধানের ভালো
ফলনের আশা করেছিলেন কৃষকেরা। কিন্তু গত দুইদিনের অব্যাহত বৃষ্টি ও বৈরী
আবহাওয়ার কারণে অনেক ধান খেতে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে এবং
ধানগাছগুলো মাটিতে হেলে পড়েছে। নিচু এলাকার অনেক খেতের ধানগাছ পানিতে
তলিয়ে গেছে। ফলে ঘরে ফসল তোলার আগ মুহূর্তে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় অনেক
কৃষক দুশ্চিন্তা ও হতাশায় ভুগছেন।

শ্রীবরদী উপজেলার হালুয়াহাটি মালাকোচা গ্রামের কৃষক সোহেল রানা বলেন,
কিছুদিনের মধ্যেই আমন ধানের কাটা-মাড়াই শুরু হবে। তার আগে খারাপ আবহাওয়া
শুরু হয়েছে। বাতাসে পাকা ধানগাছগুলো হেলে পড়েছে, নষ্ট হচ্ছে বিছিয়ে রাখা
ধানগুলো। জমিতে পানি জমে গেছে। ধান ঝরে যাচ্ছে। এখন ফসল কেটে ঘরে তোলা
দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এই আবহাওয়ার কারণে শ্রমিক খরচও বেড়ে গেছে। অতিবৃষ্টির
ফলে এখন ধান কেটে নেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।

উপজেলার বালিজুরী গ্রামের কৃষক কবির জানান, এই অবস্থায় ধান কেটে নিলেও
শুকানো যাবে না। ফলে ভেজা ধান ঘরে তোলা মুশকিল হবে। রোদ না ওঠলে কিছুদিন
এভাবে থাকলে আমন ধান আবাদ করতে যে টাকা খরচ করেছেন তা ওঠাতে পারবেন না।
আবাদের লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ হবে না বলে আশঙ্কা রয়েছে।

শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার কয়েকজন কৃষক জানান, গত বছর ভয়াবহ বন্যা ও
পাহাড়ি ঢলের কারণে তাঁদের আমন আবাদ সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়েছিল এবং
আর্থিকভাবে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমন
ধানের ফলন ভালো হয়েছিল। কিন্তু অসময়ে বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে ধান নষ্ট হয়ে
যাচ্ছে। বিশেষ করে নিচু জমির ফসল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ধান
সঠিকভাবে ঘরে তুলতে না পারলে সামনের দিনগুলোয় সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে
পড়বে বলে তাঁরা জানান।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শেরপুরে শনি ও রোববার যথাক্রমে
১৩৫ মিলিমিটার ও ১০ দশমিক ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আগামী ৪ নভেম্বর মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরে সিলেট ও ময়মনসিংহ
বিভাগে এবং সংলগ্ন উজানে ভারতের প্রদেশসমূহে মাঝারি-ভারি থেকে ভারি
বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, শেরপুরের উপপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন রোববার
দুপুরে বলেন, বৈরী আবহাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার আমন আবাদ
পরিদর্শন করেছেন। কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসেবে, জেলায় ৩০ হেক্টর জমির
আমন আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আর বৃষ্টি না হলে এবং রোদ ওঠে গেলে বড়
ধরনের ক্ষতি হবে না বলে জানান তিনি।

এমএসএম / এমএসএম

এসিল্যান্ডের সাথে সাটুরিয়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা

হাটহাজারীতে নানা আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

জনগন বিএনপির সঙ্গেই আছে : আমানউল্লাহ আমান

সান্তাহারে র‌্যাবের অভিযানে ১শ বোতল ফেয়ারডিলসহ দুই নারী আটক

মধুখালীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

দাগনভূঞায় ভাষা শহীদ সালাম কলেজে বায়োমেট্রিক হাজিরার শুভ উদ্বোধন

শতাব্দী বাঁধন ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে ২৫০ শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়

রাণীশংকৈলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল নিহত

মিরসরাইয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

নেত্রকোণার কলমাকান্দায় অনুমোদনহীন ভবন ভাঙার কাজ শুরু

রৌমারীতে বিএনপি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বাষির্কী পালিত

সিংড়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত