বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আতাউর রহমান
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ব্যক্তিগত আত্মীয়কে নিয়োগ দিয়েছেন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত- ১৯ তারিখে ব্যাংকের অনিয়ম করার কারণে কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একই সময় ঢাকা- ৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস ব্যাংকটিতে নির্বাচন প্রচারণার প্রেক্ষিতে ব্যাংকে সৌজন্য সাক্ষাৎকারে যান । এই বিষয়টি কেন্দ্র করে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতর কর্মকর্তারা মির্জা আব্বাসের আশাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ কর্মচারীদের উপর দাবি করেন। পরবর্তীতে ২০ শে জানুয়ারি ডেইলি প্রেজেন্ট টাইপসের প্রতিনিধি সারজমিনে গিয়ে দেখেন বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও মিথ্যা। মঙ্গলবার ২০ শে জানুয়ারি মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে ঊর্ধ্বতর কর্মকর্তারা জিডিতে উল্লেখ করা হয় ২০ জানুয়ারি বিকেল ৪ঃ০০ ঘটিকার দিকে বদলী আদেশ প্রাপ্ত কয়জন কর্মকর্তা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় সামনে জড়ো হয়। এ সময় তারা উপ- পরিচালক জহিরুল আলম ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যদের নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মচারীদের সঙ্গে পরবর্তীতে সাক্ষাৎকারে জানা গেছে সে কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
ব্যাংক কর্মচারীদের সাথে সাক্ষাৎকারে আরো জানা যায় তারা ২১ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের বি আর পিডি ডিপার্টমেন্ট এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জনাব আরিফুজ্জামান এর বরাবর একটি অভিযোগনামা দায়ের করেন ।অভিযোগ দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে দায়েরকৃত কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রকাশ্যে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয। পরবর্তীতে রফিকুল ইসলাম নামে একজন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডাইরী দায়ের করেন। যার জিডি নাম্বার- ১৬৮২.
উল্লেখ্য : বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সম্পৃক্ততায় সংঘটিত গুরুতর সুশাসন ব্যর্থতা, নিয়ন্ত্রক বিধি লঙ্ঘন, অযৌক্তিক বোর্ড হস্তক্ষেপ ও কথিত দুর্নীতিমূলক কার্যক্রম ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা, কমপ্লায়েন্স সংস্কৃতি, কর্পোরেট সুশাসন, আমানতকারীদের আস্থা এবং সামগ্রিকভাবে আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে জানান ব্যাংক এর কর্মকর্তা
একটি তফসিলি ব্যাংক হিসেবে BCBL-এর উপর ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (সংশোধিত), বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার ও নির্দেশনা, অভ্যন্তরীণ সার্ভিস রুলস এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স নীতিমালা (BIS, ২০১৫) কঠোরভাবে অনুসরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
ব্যাংকিং খাতে সংকটকাল (২০১৭–২০২৪) চলাকালে তৎকালীন বিতর্কিত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ—যা ব্যাপকভাবে এস. আলম গ্রুপের প্রভাবাধীন বলে প্রতীয়মান ছিল—প্রায় ৪০০-এর অধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব নিয়োগ শিল্পমান, স্বচ্ছতা, মেধাভিত্তিক নির্বাচন ও অভ্যন্তরীণ এইচআর নীতিমালার পরিপন্থী ছিল বলে অভিযোগ করা হয়।
এই প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি, পক্ষপাতিত্ব, ঘুষভিত্তিক সংস্কৃতি, আঞ্চলিক বৈষম্য এবং আচরণবিধি ও সার্ভিস রুলসের গুরুতর লঙ্ঘন সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা ব্যাংকের শৃঙ্খলা, মনোবল ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে।
এ প্রেক্ষিতে উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং ইন্সপেকশন ডিভিশন-৫ কর্তৃক ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে প্রস্তুতকৃত পরিদর্শন প্রতিবেদনের প্যারাগ্রাফ-৪০ (Management & Control)-এ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গুরুতর নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়েছে, যা আমাদের দীর্ঘদিনের উদ্বেগকে সমর্থন করে।
পরবর্তী সময়ে (৫ আগস্ট পরবর্তী), অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাপনা কাঠামোগত পুনর্গঠন শুরু করে এবং জাল সনদপত্র প্রদানকারী প্রায় ২১ জন কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়। আরও অনেক ব্যক্তি পদত্যাগ করেন বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হন।
তবে অভিযোগ রয়েছে যে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্য—বিশেষ করে জনাব মোঃ মোহাসিন মিয়া (ইসি চেয়ারম্যান), জনাব শেখ আশাফুজ্জামান এবং চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আতাউর রহমান—এই অনিয়ম প্রতিরোধে যথাযথ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন বা প্রত্যক্ষ/পরোক্ষভাবে সমর্থন দিয়েছেন।
এই আচরণ ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ধারা ১৫ ও ১৬ অনুযায়ী পরিচালকদের ফিডিউশিয়ারি দায়িত্ব লঙ্ঘনের শামিল।
নির্দিষ্ট অভিযোগসমূহ (আইনগত সংযুক্তিসহ)
স্বজনপ্রীতি ও জোরপূর্বক নিয়োগ
২০২৫ সালে কোনো প্রকৃত প্রয়োজন ছাড়াই বোর্ড কর্তৃক ১২ জন ব্যক্তিকে নিয়োগে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে, যাদের মধ্যে চেয়ারম্যানের নিকট আত্মীয়ও অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়া বোর্ড-সমর্থিত প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের পরে PO পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অনুপযুক্ত ডিএমডি নিয়োগ ও যৌন হয়রানির অভিযোগ। মোঃ জাহিরুল আলম-কে ডিএমডি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যিনি পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ব্যাংকিং পেশা থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। তার বিরুদ্ধে এক নারী কর্মচারীর সাথে যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে, যা কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ও অনাস্থা সৃষ্টি করেছে।
লঙ্ঘন:
• ব্যাংক কোম্পানি আইন, ধারা ১৫, ১৫KA, ১৭
• BRPD সার্কুলার নং ০৫ (২৭-০২-২০২৪)
• BB কর্পোরেট গভর্ন্যান্স গাইডলাইন
• ILO কনভেনশন C111
প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব
উপরোক্ত কার্যকলাপের ফলে—
• সুশাসনের কাঠামো ভেঙে পড়েছে;
• নৈতিকতা ও কমপ্লায়েন্স সংস্কৃতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে;
• ব্যাংকের উপর আইনগত ও সুনামগত ঝুঁকি বেড়েছে;
• আমানতকারীদের আস্থা বিপন্ন হয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
ইসলামিক ফাউন্ডেশনে পুনরায় জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করলেন কবি: সাংবাদিক বিল্লাল বিন কাশেম
এফডিসি লুটে খেতে চায় ডিজে সোহেল
বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৫ ইউনিট
‘জল তরঙ্গ’ প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে এমটিবি ফাউন্ডেশনের বিশ্ব পানি দিবস উদযাপন
ঢাকা দক্ষিণ ও পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেটে বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য
বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের
প্লাস্টিক পানির বোতল ব্যবহারে ফিরছে সচিবালয়
সরকারের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুন্ন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেনঃ হজ টিমের সদস্যদের প্রতি ধর্মমন্ত্রী
ভাইরাল অডিও, প্রশ্নবিদ্ধ ন্যায়বিচার: চাপে মাঠ প্রশাসন
কাছাইট ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় মিলাদ মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণী
যাত্রাবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি কাজের পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কলেজ ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
ন্যাশনাল রিপাবলিকান পার্টির শুভেচ্ছা