ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হাইকোর্টের রায় কে বৃদ্ধাঙ্গুলি" মিরপূর ২ লাভ রোডে ইসলামী ব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের


রফিকুল ইসলাম খান photo রফিকুল ইসলাম খান
প্রকাশিত: ৫-৭-২০২৬ রাত ৯:১

রাজধানীর মিরপুর-২-এ অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিরুদ্ধে ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তির (Re-Admission) নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২৫ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ৩১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। একাধিক অভিভাবকের দাবি, একই প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ার জন্য এ ধরনের উচ্চ অঙ্কের অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা হচ্ছে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অনেক পরিবারের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।

প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত ফি তালিকা অনুযায়ী, প্রি-গ্রেড (PG) ও নার্সারিতে পুনঃভর্তি ফি ২৫ হাজার ৯০০ টাকা এবং নবম ও দশম শ্রেণিতে ৩১ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য শ্রেণিতেও ধাপে ধাপে ফি বৃদ্ধি পেয়েছে।

ফি তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, আদায়কৃত অর্থের মধ্যে Annual Fee বাবদ প্রায় ২০ হাজার থেকে ২৩ হাজার টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া মাসিক টিউশন ফি, অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা এবং বার্ষিক পরীক্ষার ফিও একই সঙ্গে আদায়ের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, একই প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পুনঃভর্তির নামে এত বড় অঙ্কের অর্থ আদায় অযৌক্তিক। তাদের দাবি, উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পরও যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এভাবে ফি আদায় করে, তাহলে বিষয়টি তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।

একজন অভিভাবক বলেন, “বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে একসঙ্গে এত টাকা পরিশোধ করা অনেক পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। পুনঃভর্তির নামে এমন অর্থ আদায় বন্ধ হওয়া উচিত।”

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল মো. নাসির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ফি তালিকায় ‘Re-Admission’ শব্দটি ব্যবহৃত হওয়া একটি ভুল। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন পরিচালিত। এ বিষয়ে ফাউন্ডেশনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। ফাউন্ডেশনের রিসেপশন থেকে জানানো হয়, এ বিষয়ে এক সপ্তাহ পর যোগাযোগ করতে।

শিক্ষা-সংশ্লিষ্টদের মতে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের ফি আদায়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, যৌক্তিকতা এবং সরকারের নীতিমালা অনুসরণ করা অপরিহার্য। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বা বিধিবহির্ভূত ফি আদায়ের অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—যদি উচ্চ আদালতের পুনঃভর্তি ফি-সংক্রান্ত নির্দেশনা কার্যকর থাকে, তাহলে ‘Re-Admission’ শিরোনামে ফি তালিকা প্রকাশ এবং অর্থ আদায়ের উদ্যোগ কীভাবে নেওয়া হলো? বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন অভিভাবকরা।

এমএসএম / এমএসএম

নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের উদ্বেগ ও মুক্তির দাবি

মানুষের অধিকার ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাংলাদেশ জনতা পার্টির (বিজেপি)

উত্তরায় ১৮ লাখ টাকার মদ-বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ২

পরিকল্পিত অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা চলছে: এডিসি শামীম

বায়তুল মোকাররমে শুরু মাসব্যাপী ইসলামী বইমেলা

রাজউকের মোবাইল কোর্টে ৪ ভবনে অভিযান, জব্দ ৪ বৈদ্যুতিক মিটার

ডাকসুর সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ছাত্রনেতা আবু তৈয়ব

উত্তরা ১১ নং সেক্টর সোসাইটির উদ্যোগে মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

লিডস করপোরেশন ও বশির সিন্ডিকেটের হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ !

রাখি বাদ, আ: লীগের আইন সহায়ক কমিটিতে জামায়াত পরিবারের হিরণ!

উত্তরায় মাদকবিরোধী অভিযান: ১৩ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো অভিভাবক সমাবেশ ও স্বপ্নসভা

ড্যাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লার ইন্তেকাল