দ্বিতীয় বিয়েতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীর মুখে ছুরিকাঘাত যুবলীগ নেতার
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে দ্বিতীয় বিয়েতে বাধা দেওয়ায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে সনি আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূ জখম হয়েছে। পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গত বুধবার বিকালে উপজেলার বরকাশিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় পরদিন ভুক্তভোগী গৃহবধূর ছোট ভাই গোলাম মোর্শেদ বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
আজ শনিবার সকালে মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্তের নাম আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে মো. সোহাগ মিয়া (৪০)। তিনি উপজেলার বরকাশিয়া গ্রামের নুর আহম্মদের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবলীগের সদস্য।
আর ভুক্তভোগী সনি আক্তার উপজেলার গৌড়াকান্দা গ্রামের মৃত সবুজ মিয়ার মেয়ে। তিনি তিন সন্তানের জননী। সনি স্থানীয় একটি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
অভিযোগ, স্থানীয় লোকজন ও ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, ২০১০ সালে সোহাগ মিয়ার সাথে পারিবারিকভাবে সনি আক্তারের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তবে কিছুদিন আগে সোহাগ অনুমতি ছাড়াই এক তরুণীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এ নিয়ে সোহাগের সাথে দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হয়। প্রায়ই সনিকে মারধর করত সোহাগ। সম্প্রতি সোহাগ দ্বিতীয় স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসলে ঝগড়া আরও বেড়ে যায়। পরে সনি মোহনগঞ্জ শহরে একটি বাসায় বসবাস শুরু করে। একপর্যায়ে দুজনে মিলে বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়। গত বুধবার সকালে মোহনগঞ্জ শহরের একটি বাসায় তালাকের কাগজে স্বাক্ষর করার সময় সনির ওপর চড়াও হয় সোহাগ। সনিকে গলায় ওড়না পেচিঁয়ে টেনে হিচড়ে বের করে রিকশায় তুলে বরকাশিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায় সোহাগ। পরে বেধড়ক পেটানোর পর মুখে ছুরিকাঘাত করা হয়। খবর পেয়ে সনির ভাই গোলাম মোর্শেদ ছুটে গেলে সোহাগ তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। এদিকে গোলাম মোর্শেদ গিয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে সনিকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে মমেক হাসাপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় এদিন রাতেই সনির ভাই গোলাম মোর্শেদ বাদী হয়ে সোহাগের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী সনি আক্তার বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের প্রতিবাদ করতেই আমাকে মারধর শুরু করে। এক পর্যায়ে তাকে তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু কাগজের সই করার সময় আমাকে গলায় ওড়না পেচিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা চালায়। পরে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে মুখে ছুরিকাঘাত করে। আমার ভাই বাঁচাতে গেলে তাকেও ব্যাপক মারধর করে। পরে পুলিশ গিয়ে আমাকে উদ্ধার করে আনে। মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফিরেছি। পুলিশ না গেলে আমাকে মেরেই ফেলত।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে মো. সোহাগ মিয়া বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা। গত ৬ বছর ধরে তার সাথে আমার কোন যোগাযোগ নেই। ইতিমধ্যে মামলা করে আমার কাছ থেকে সে টাকা পয়সা নিয়েছে। যে সাংবাদিক এই নিউজ লিখবে, এইসব সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা করব। আমি এমন ৪২ টি পত্রিকা চালাই। তাছাড়া আমিও তার বিরুদ্ধে লিখবো আমার ফেসবুক আইডিতে অনেক ফলোয়ার।
ওসি হাফিজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Aminur / Aminur
নন্দীগ্রামে মটরসাইকেল ও ভুটভুটির মুখোমুখী সংঘর্ষে নিহত ২
মোরেলগঞ্জে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মৎস্য ঘের দখলের অভিযোগ
মদন পৌরসভায় বিএনপির ধানের শীষের নির্বাচনী গণসংযোগ
সরিষাবাড়ীতে সেনা অভিযানে শর্টগান ও গুলিসহ যুবক আটক
মানিকগঞ্জে টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ
সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ভারতীয় বিড়িসহ ২ জন আটক
তিনটি দল দেশটাকে লুটেপুটে খেয়েছ, এবার দাঁড়িপাল্লাকে সুযোগ দিতে হবে: মিয়া গোলাম পরোয়ার
নির্বাচনে প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ভোলায় ইসি মো.সানাউল্লাহ
নিষিদ্ধ থ্রি-হুইলারে সয়লাব চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক
দ্বিতীয় বিয়েতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীর মুখে ছুরিকাঘাত যুবলীগ নেতার
কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার আর দেখতে চাই না: জামায়াত আমির
আগামী নির্বাচনে কেউ ভোট হরণ করতে চাইলে রুখে দেয়া হবে: আদমদীঘিতে আসিফ মাহমুদ