শবে বরাতে রোজা রাখবেন যেভাবে
শবে বরাতে সারারাত ইবাদত করে পরদিন নফল রোজা রাখেন অনেকে। এই নফল রোজাটি হাদিসের মাধ্যমে প্রমাণিত। এ বিষয়ে রাসুল (সা.) বলেছেন, পনেরো শাবানের রাত (চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত) যখন আসে তখন তোমরা তা ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাও এবং পরদিন রোজা রাখো (ইবনে মাজাহ : ১৩৮৪)। এই বর্ণনাটির সনদ দুর্বল হলেও হাদিসের প্রথম অংশ ইবাদতের বিষয়টি অন্যান্য হাদিস দ্বারা সমর্থিত। আর রোজার বিষয়টি শুধু এ বর্ণনায় রয়েছে। তবে কেউ যদি চায় এ মাসের ১৫ তারিখ রোজা রাখতে তা হলে সুযোগ রয়েছে। কেননা ১৫ তারিখ হলো আইয়ামে বিজের অন্তর্ভুক্ত।
আইয়ামে বিজ অর্থাৎ প্রতি চান্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখার বিষয়টিও সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। তা ছাড়া শাবান মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখার কথা সহিহ হাদিসে এসেছে। শবে বরাতের রোজা প্রসঙ্গে আল্লামা ইবনে রজব হাম্বলি (রহ.) বলেন, ‘শাবানের ১৫ তারিখ রোজা রাখতে নিষেধ নেই। কেননা ১৫ তারিখ হলো আইয়ামে বিজের অন্তর্ভুক্ত। আর প্রত্যেক মাসের এই তারিখে রোজা রাখা তো মুস্তাহাব।
এ ছাড়া রাসুল (সা.) বিশেষভাবে শাবানের রোজা রাখতে বলেছেন’ (লাতাইফুল মাআরিফ, পৃষ্ঠা : ১৮৯)। তবে উত্তম হলো ১৫ তারিখের সঙ্গে আগে পরে এক দিন মিলিয়ে নেওয়া, অন্যথায় শুধু এদিন রোজা রাখার ব্যাপারে যত্নবান হওয়া মাকরুহ এমনটাই বলেছেন শায়খ ইবনে তাইমিয়া (রহ.)। তাই কেউ যদি আইয়ামে বিজের তিনটি রোজা রাখে তা হলে তা একদিকে অন্যান্য মাসের স্বাভাবিক আমলের অন্তর্ভুক্ত হবে আবার একই সঙ্গে শবে বরাতের রোজা এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। যেহেতু বিভিন্ন সহিহ হাদিসে শাবান মাসের রোজার সাধারণ ফজিলত এবং আইয়ামে বিজের রোজার ফজিলত উল্লেখিত হয়েছে পাশাপাশি দুর্বল সনদে উপরোক্ত হাদিসটিও বিদ্যমান রয়েছে; তাই কেউ যদি এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে পনেরো শাবানের রোজা রাখেন, তা হলে তিনি সওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ।
Aminur / Aminur
হজযাত্রীদের সুবিধার্থে মিকাতের আধুনিকায়ন করল সৌদি
আলহামদুলিল্লাহ শব্দের অর্থ ও ফজিলত
হজভূমি: পৃথিবীর প্রথম ঘর কাবা
কোরআনের বাণী: আল্লাহ কোনো কিছুই অনর্থক সৃষ্টি করেননি
নববর্ষে মুমিনের আনন্দ, প্রত্যয় ও পরিকল্পনা
হজযাত্রীদের সেবায় অনিয়ম করলে গুনতে হবে জরিমানা
ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া অমার্জনীয় পরিণতি
ইসলামে ব্যক্তিস্বাধীনতার নানা দিক
৪০ দিন পর খুলে দেওয়া হলো আল-আকসা
সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ইসলামের নির্দেশনা
ভালো কাজের শুভ সূচনা ও সমাপ্তি যেভাবে হয়
গুনাহকে তুচ্ছজ্ঞান করার পরিণতি