সুষ্ঠ নির্বাচন হলে ৩০ আসনও পাবে না আওয়ামী লীগ
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ হলে সেই ভোটে আওয়ামী লীগ ৩০টি আসনও পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সিটিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। ‘২০০১ সালের ১ অক্টোবর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ নিরপেক্ষ নির্বাচন’শীর্ষক এ সভায় অনুষ্ঠিত হয়।
আওয়ামী লীগের কোন জনসমর্থন নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। এজন্য তারা জানে যে, দেশে একটা যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে তারা ৩০টি আসনও পাবে না। যার কারণে তারা সমস্ত রাষ্ট্রযন্ত্রকে দলীয়করণ করছে এবং বিচার বিভাগ এবং প্রশাসন এমনকি গণমাধ্যমকেও নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছে।
স্লোগান দিয়ে আন্দোলন হবে না নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে করে এ কথা বলে মির্জা ফখরুল বলেন, আন্দোলনের তৈরি এবং প্রস্তুত হতে হবে। আর এখান যারা তরুণ তাদের অনেকের আন্দোলন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেই।
'এখানে খায়রুল কবির খোকন, আমান উল্লাহ আমনরা যারা আছেন, তারা জানেন কিভাবে আন্দোলন করতে হয়। সেটা মাথায় রেখে আমাদের সবগুলো সংগঠনকে সেইভাবে তৈরি করতে হবে।'
বিএনপি না কি হরতাল এবং জ্বালা-পেড়াও পার্টি আওয়ামী লীগের নেতাদের এ বক্তব্যে সমালোচনা করে তিনি বলেন, হরতাল এবং জ্বালা- পোড়াও আওয়ামী লীগের যে রেকর্ড, তা কেউ কোনও দিন অতিক্রম করতে পারবে না। তারা ১৭৩ দিন হরতাল দিয়েছে, মানুষ পুড়ে মেরেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস করে ক্ষমতায় এসেছে এবং সন্ত্রাসের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে আছে।
নির্বাচন-নির্বাচন খেলা আর হবে না ক্ষমতাসীনদের প্রতি এই হুঁশিয়ারি দিয়ে ফখরুল বলেন, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় নির্বাচন হতে হবে। আপনাদের দিন ঘনিয়ে এসেছে, দিন শেষ। এখন সময় আছে, মানুষের ভাষা পড়েন ও দেয়ালের লিখনগুলো দেখেন। তত্বাবধায়ক সরকারের বিধান করে সরে যান। জনগণকে তাদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে দিন।
নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, শেষ কথা, আমরা কোনও নির্বাচন মেনে নেবো না, যদি নির্বাচনকালীন সময়ে নিরেপেক্ষ সরকার না থাকে। তাই আসুন- আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই এবং এই দানবকে সরিয়ে দেই। শত্রু মুক্ত বাংলাদেশ ও গণতন্ত্র সৃষ্টি করি।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বিএনপির মহাসচিব বলেন, নিজের চেহারার দিকে দেখুন। খালেদা জিয়া উড়ে এসে জুড়ে বসেননি। জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। যখনই তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, সিধা পথে, বাঁকা পথে আসেননি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের রাশিয়া সফর প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, কিছুদিন আগে তিনি রাশিয়া সফর করেছেন। ওই দেশেরও আমাদের মতো অবস্থা। যে থাকে সরকারে, সে হয় প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের সঙ্গে কোনও পার্থক্য নাই। দিনের বেলায় কীভাবে ভোট চুরি করা যায়, সেটা তিনি দেখে এসেছেন। কিছুদিন পর তার মেয়াদ শেষ হচ্ছে, এখন ভালো কথা বেরোচ্ছে।
সভার প্রধান অতিথি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন অত্যন্ত জরুরি কাজে থাকায় আসতে পারেননি বলে জানান ফখরুল।
মির্জা ফখরুলের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
প্রীতি / প্রীতি
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ভঙ্গুর, শঙ্কায় জিএম কাদের
দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর অপচেষ্টা হচ্ছে : রিজভী
মির্জা আব্বাস আগের তুলনায় অনেকটা সুস্থ: রেল প্রতিমন্ত্রী
‘নির্দেশ অমান্য করলে অন্য রূপ দেখবেন’— নেতাকর্মীদের সতর্ক করে এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল
সীমান্ত সমস্যার একমাত্র সমাধান কাঁটাতারের বেড়া নয় : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে যায়নি: ফখরুল
লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর সভাস্থল ঘিরে উত্তেজনা, ডিম নিক্ষেপ
নির্বাচনকে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে
ঋণনির্ভর উচ্চাভিলাষী লুটপাটের বাজেট : জামায়াত
প্রবাসে বসে লীগের কমিটি বাণিজ্য ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসন
বিএনপি সাইবার দলের কেন্দ্রীয় পদে সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গণঅধিকার পরিষদের বার্তা