ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

বঞ্চনা দূর করতে শ্রম মন্ত্রণালয়ে নিজেদের এমপি চান চা-শ্রমিকরা


রাজেশ ভৌমিক (শ্রীমঙ্গল) photo রাজেশ ভৌমিক (শ্রীমঙ্গল)
প্রকাশিত: ১৪-২-২০২৬ রাত ৮:৩০

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্যকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অথবা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান দেশের বৃহত্তর চা-শ্রমিক জনগোষ্ঠী। বিভিন্ন চা-বাগানের শ্রমিক প্রতিনিধি, সংগঠক ও সাধারণ শ্রমিকরা এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন।
দেশে বর্তমানে বড় ও ফাঁড়ি বাগান মিলিয়ে প্রায় ২৪১টি চা-বাগান রয়েছে। এসব বাগানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মরত শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারসহ প্রায় ১০ লাখ মানুষের বসবাস। দেশের চা-শিল্পে তাঁদের অবদান দীর্ঘদিনের হলেও মজুরি, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তাসহ নানা দাবি-দাওয়া এখনও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ দেশের অন্যতম বৃহৎ চা উৎপাদন এলাকা। এ অঞ্চলের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও জনজীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে চা-শ্রমিকদের জীবনসংগ্রাম। দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য মজুরি, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শ্রমিকরা। ফলে এই অঞ্চলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি শ্রমিকদের বাস্তব সমস্যা ও দাবি সম্পর্কে সরাসরি অভিজ্ঞ—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শ্রমিক নেতারা বলেন, মৌলভীবাজার-৪ আসনের এমপি যদি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান, তবে চা-শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূরীকরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সহজ হবে। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা সম্পর্কে অবহিত একজন প্রতিনিধির মাধ্যমে নীতিনির্ধারণ হলে শ্রমিকবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণের সম্ভাবনাও বাড়বে। চা-শ্রমিকদের দাবির মধ্যে রয়েছে—ন্যূনতম মজুরি কাঠামোর পুনর্বিবেচনা, আবাসন সংকট সমাধান, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং শ্রম আইন বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি। তাঁদের মতে, শ্রমিক-অধ্যুষিত এলাকার একজন প্রতিনিধিকেই এ দায়িত্ব দেওয়া হলে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণ সম্ভব হবে।
একজন সাধারণ শ্রমিক বলেন, “আমাদের কষ্ট-দুঃখ, অধিকার ও বঞ্চনার ইতিহাস সবচেয়ে ভালো জানেন আমাদের এলাকার জনপ্রতিনিধি। তাই তাঁকে শ্রম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখতে চাই। এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চা-শ্রমিক অধ্যুষিত অঞ্চল থেকে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্যকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে তা হবে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও প্রতীকী সিদ্ধান্ত, যা সারাদেশের শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে।
স্থানীয় বাস্তবতা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থাকলে শ্রমসংক্রান্ত আইন, মজুরি কাঠামো ও কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন আরও ফলপ্রসূ হতে পারে—এমনটাই শ্রমিকদের ধারণা। দেশের বৃহত্তর চা-শ্রমিক জনগোষ্ঠীর এই প্রত্যাশা কতটা বাস্তবে রূপ নেয়, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

এমএসএম / এমএসএম

গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে শালিখায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নড়াগাতীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের

চাঁদপুরে খাল দূষণ ও ভরাট করায় দুই রাইস মিল মালিকের জরিমানা

ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের নতুন উদ্যমে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই বংশের সংঘর্ষ, আহত ১৪

তারাগঞ্জে দায়সারা ভাবে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত,কৃষকদের ক্ষোভ

চট্টগ্রাম ​কাস্টমস হাউসে ঘুষ বাণিজ্য, রাজস্ব ফাঁকির ধুম

মোহনগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

কুড়িগ্রামে জেলা টাউন ক্লাবে আধুনিক ডিজিটাল প্রজেক্টর উদ্বোধন

গোদাগাড়ীতে ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্টুডেন্ট ফোরামের দ্বি-মাসিক স্টাডি সার্কেল অনুষ্ঠিত

এসিল্যান্ডের ড্রাইভার থেকে কোটি টাকার সাম্রাজ্য

কুমিল্লায় গোল্ডেন লাইফ ইনসুরেন্সের আল-ফালাহ্ ইসলামী জীবন বীমা প্রকল্পের উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে প্রথমবারের মতো চালু হলো রেডি টু কুক ফিস