কষ্টে ফলানো আলু নিয়ে রাজশাহীতে বিপাকে কৃষক
রাজশাহীর তানোরে চলতি মৌসুমে আবারও লোকসানের মুখে পড়েছেন আলু চাষিরা। নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৯ টাকা থেকে সাড়ে ৯ টাকায়। এরসঙ্গে প্রতি বস্তায় অতিরিক্ত ৫ কেজি করে ‘ঢলন’ দিতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকরা। ফলে ফলন ভালো হলেও ন্যায্য দাম না পেয়ে চরম লোকসান গুনছেন তারা।আলু চাষি ফিরোজ কবির জানান, এক বিঘা জমিতে আলু চাষ করে তুলনামূলক ভালো ফলন পেয়েছেন। প্রতি বিঘায় ৪০ থেকে ৪৫ বস্তা (প্রতি বস্তা ৬০ কেজি) আলু উৎপাদন হয়েছে। প্রতি বস্তা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে প্রতি বিঘায় ২৪ হাজার থেকে ৩১ হাজার টাকা পাওয়া গেলেও খরচ হয়েছে ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা। ফলে বিঘাপ্রতি লোকসান হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা।আরেক চাষি রইচ জানান, সাড়ে তিন বিঘা জমির আলু সাড়ে ৯ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন।
খালেকুজ্জামান খালেক নামের এক চাষি বলেন, আড়াই বিঘা জমিতে আলু চাষ করে বিঘাপ্রতি প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, কিন্তু বিক্রি করে পাওয়া গেছে মাত্র ২৬ থেকে ২৮ হাজার টাকা। তার ভাষায়- ‘বিঘায় ৩২ হাজার টাকা লোকসান হলে পথে বসা ছাড়া উপায় নেই।’কৃষকদের অভিযোগ, ৭০ কেজির বস্তা লোড হলেও ৬৫ কেজির দাম দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতি বস্তায় ৫ কেজি করে অতিরিক্ত আলু দিতে হচ্ছে, যা ব্যবসায়ীদের লাভ হিসেবে ধরা হচ্ছে। এতে বিঘাপ্রতি প্রায় ২৫০ কেজি আলু অতিরিক্ত চলে যাচ্ছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২ হাজার ৩৭৫ টাকা।
ব্যবসায়ী মামুন মোল্লা জানান, এসব আলু খুলনায় নিয়ে বিক্রি করা হবে। সেখানে কেজিপ্রতি ১ থেকে ২ টাকা বেশি দাম পাওয়া যেতে পারে। ঢলনের বিষয়ে তিনি বলেন, জমি থেকে কাঁচা আলু কেনা হয়। পরিবহন ও সংরক্ষণের সময় ওজন কমে যায় বলেই অতিরিক্ত নিতে হয়। ব্যবসায়ী মাসুদ বলেন, গতবারের মতো এবারও আলু চাষে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। অনেকেই ঋণ করে জমির পরিমাণ কমিয়ে আবার আলু চাষ করেছেন, কিন্তু এবারও লোকসান গুনতে হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে চাষিরা বলছেন, এখনও পুরোদমে আলু তোলা শুরু হয়নি। প্রায় ৮-১০ দিন আগে রহিমাডাঙ্গা বিলের জমির আলু উঠতে শুরু করে, তখনও বাজারদর ছিল সাড়ে ৯ টাকা কেজি, যা এখনো বহাল আছে। যদিও জমি লিজ ও বীজের দাম কিছুটা কম থাকায় খরচ কিছুটা কমেছে, তবে সার ও কীটনাশকের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে।
তানোর উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, এবারে উপজেলায় ১২ হাজার ১৯০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ১৫০ হেক্টর জমির আলু ইতোমধ্যে তোলা হয়েছে। হেক্টরপ্রতি গড়ে ২৫ মেট্রিক টন ফলন হচ্ছে। দামের বিষয়ে তিনি বলেন, কৃষি বিভাগ চাষাবাদ ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে কাজ করে; বাজারদর নির্ধারণের বিষয়টি কৃষি বিপণন বিভাগের দায়িত্ব।
এমএসএম / এমএসএম
সিদ্ধিরগঞ্জে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে হুমকি, ৪ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ
হীরাঝিল আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতি নিয়ম বহির্ভূত কমিটি গঠনের অভিযোগ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় দুই খাল পুনঃখনন উদ্বোধন, ১.১৩ কোটি টাকার প্রকল্প
আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই
কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু
যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড
কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত
পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী