মিরপুরে ডিএনসিসি এলাকার নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকার নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ডিএনসিসির আয়োজনে আজ মিরপুরের ওলিমিয়ার টেক ও বাগানবাড়ি বস্তির উপকারভোগীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। আজ দুপুরে মিরপুরে ৪ নং ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান। তিনি প্রতীকীভাবে ১০ জন উপকারভোগীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসি প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এ এলাকার প্রতিটি নিম্ন আয়ের পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। তিনি তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে যুক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “বিএনপি যা বলে, বিএনপি তা করে। আমি বলেছিলাম বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আমি নিজে আপনাদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো। আজ আমি আমার সেই অঙ্গীকার পূরণ করেছি।” তিনি আরও বলেন, দেশ গড়ার জন্য শুধু সরকারের নয়, নাগরিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে সম্মিলিতভাবে একটি সমৃদ্ধ আগামী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত যোগ্যদের এই কার্ড দেওয়া হচ্ছে এবং এতে কোনো রাজনৈতিক বা দলীয় প্রভাব রাখা হয়নি।
মিরপুরের বাগানবাড়ি বস্তির ১১৭টি পরিবার এবং ওলিমিয়ার টেক বস্তির ৩৯২টি পরিবারসহ মোট ৫০৯টি পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিএনসিসির অঞ্চল-৪ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জালাল উদ্দীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান।
অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে যাদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হয় তারা হলেন— রিনা আক্তার, শারমিন আক্তার, জান্নাতুল ফেরদৌস, নাসরিন আখতার, শাকিলা বেগম, মাহফুজা বেগম, মোসাম্মদ পারভীন এবং নিপা আখতারসহ অন্যান্য উপকারভোগী। কার্ড পেয়ে অনুভূতি প্রকাশ করেন উপকারভোগী রিনা আক্তার। তিনি বলেন, “আমরা পাঁচজনের পরিবার। আমরা কল্পনাও করিনি এত দ্রুত এই কার্ড হাতে পাবো। এই সহায়তার টাকা দিয়ে মেয়ের পড়াশোনা চালাবো এবং কিছু সঞ্চয় করে ছোটখাটো ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা আছে। আমরা স্বাবলম্বী হতে চাই।” তিনি এ উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। আরেক উপকারভোগী শারমিন আক্তার বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে আমরা খুব আনন্দিত। আমরা এই সহায়তা পেয়েছি, এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের বড় কোনো আশা নেই, ছোট ছোট আশা আছে। আমরা আশা করি সরকার সবসময় আমাদের পাশে থাকবে।” অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগীদের মাঝে প্রতীকী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়।
এমএসএম / এমএসএম
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে "নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আমার আপনার সকলের দায়িত্ব" শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হল
টেকাথন ন্যাশনালস ২০২৬-এ সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের কৃতিত্ব
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় শহীদ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাফল্য, ১১ জনের মধ্যে ৭ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত
জামাল ভূঁইয়ার সাথে ফুটবলপ্রেমীদের দেখা করার স্বপ্ন সত্যি করছে অপো
এনআরবিসি ব্যাংকের বরিশাল জোনের টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত
এনআরবিসি ব্যাংকের বরিশাল জোনের টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে নিজস্ব ‘মেসি’ জামাল ভূঁইয়ার সাথে হাত মেলালো অপো
‘আমাদের বছর কুড়ি’: ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগের ২০ বছর পূর্তি
সাশ্রয়ী মূল্যে বিশেষ সুবিধাসহ টেলিটকের ‘পেশাজীবী প্যাকেজ’ উদ্বোধন
এনআরবিসি ব্যাংকের আয়োজনে প্রকাশ্যে ঋণ পেলেন বাগেরহাটের মৎস্যজীবীরা
আনসার মহাপরিচালকের উদ্বোধনে ৫২০ নারী ভিডিপির সদস্যের জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ শুরু, লক্ষ্য বৈশ্বিক কর্মসংস্থান
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন প্রশিক্ষণ শুরু