ঢাকা রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

খালিয়াজুরীতে হাওর রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ হলেও টাকা না পাওয়ায় বিপাকে পিআইসির সদস্যরা


মৃণাল কান্তি দেব, খালিয়াজুরী photo মৃণাল কান্তি দেব, খালিয়াজুরী
প্রকাশিত: ১৬-৩-২০২৬ দুপুর ১:২৪

নেত্রকোণা  জেলার  খালিয়াজুরী  হাওড় উপজেলায় বোরো ফসলরক্ষা বাঁধ সংস্কারের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হলেও বরাদ্দের টাকা না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সদস্যরা। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও বরাদ্দের মাত্র ৬ থেকে ৭ শতাংশ অর্থ ছাড় করায় আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে শ্রমিক ও পাওনাদারদের পাওনা পরিশোধ নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। ব্যক্তিগত তহবিল ও ঋণ করে কাজ শেষ করলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে অর্থ ছাড়ে ‘ধীরগতি’র অভিযোগ উঠেছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ‘কাজের বিনিময়ে টাকা’ (কাবিটা) প্রকল্পের আওতায় খালিয়াজুরী উপজেলায় ২০ কোটি ২৬ লাখ ৬৭ হাজার টাকা ব্যয়ে ফসলরক্ষা বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হয়। পাউবোর কারিগরি সহায়তায় ১৪৩টি পিআইসির মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন হাওরে প্রায় ৯১ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধ সংস্কার করা হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারীর সময়সীমা পেরিয়ে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে উপজেলার সকল প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পাউবো কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার প্রায় ২০ হাজার হেক্টর বোরো জমির ফসল আগাম বন্যার হাত থেকে রক্ষা করতে এবং দেড় লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে এই বাঁধগুলো সংস্কার করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, কাজ শুরুর পর থেকে অন্তত চার কিস্তিতে টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত মাত্র এক কিস্তি (মোট বরাদ্দের মাত্র ৬–৭ শতাংশ) অর্থ ছাড় করা হয়েছে। কাজ শেষ হওয়ার প্রায় দেড় মাস পার হতে চললেও পরবর্তী কিস্তির টাকা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পিআইসি সভাপতিরা।

খালিয়াজুরী সদরেরর ২ নম্বর পোল্ডারের পিআইসি সভাপতি মোঃ নাজমুল হক আরিফ  বলেন, “আমার প্রকল্পের বরাদ্দ ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। শতভাগ কাজ শেষ করেছি, কিন্তু হাতে পেয়েছি মাত্র ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। ঈদের আগে টাকা না পেলে শ্রমিক ও পাওনাদারদের পাওনা মেটাব কীভাবে? আমরা এখন পাওনাদারদের ভয়ে আছি। তাছাড়াও গত বছরের টাকা এখন পরিশোধ করেনি। সব মিলিয়ে হতাশার মধ্যেই আছি। 

খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও গাজীপুর  ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ স্বাধীন আক্ষেপ করে  বলেন, “শ্রমিক ও পিআইসি সদস্যদের ন্যায্য পাওনা দ্রুত পরিশোধ করা উচিত। ঈদ সামনে রেখে এই অর্থসংকট তাদের পরিবারে বিষাদ ডেকে আনবে।”

এ বিষয়ে নেত্রকোনা পাউবোর খালিয়াজুরীর দায়িত্বে থাকা  উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান  জানান, বরাদ্দের কিছু অর্থ কেন্দ্র থেকে ছাড় হয়েছে। তবে সেই অর্থ ঈদের পর সুবিধাজনক সময়ে সংশ্লিষ্ট পিআইসির ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। শতভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি কাজ প্রায় শেষ তবে কিছু কিছু বাঁধে এখনও ড্রসিং ও কার্পেটিং বাকী রয়েছে। তা দ্রুত সম্পন্ন শেষ হয়ে যাবে। 

 এ বিষয়ে খালিয়াজুরীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কাবিটা স্কিম বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ  নাদির হোসেন শামীম জানান, ফসল রক্ষার স্বার্থে এই বাঁধ সংস্কার অত্যন্ত জরুরি ছিল এবং কাজ সফলভাবেই শেষ হয়েছে। তবে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এমএসএম / এমএসএম

আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই

‎কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু

যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী

গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

‎কুতুবদিয়ায় একদিনেই পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

পাঁচবিবিতে বোর ধান চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

পূর্বধলায় আলোচিত ধর্ষণকাণ্ড: ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়াল পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা