ঢাকা বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

খালিয়াজুরীতে হাওর রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ হলেও টাকা না পাওয়ায় বিপাকে পিআইসির সদস্যরা


মৃণাল কান্তি দেব, খালিয়াজুরী photo মৃণাল কান্তি দেব, খালিয়াজুরী
প্রকাশিত: ১৬-৩-২০২৬ দুপুর ১:২৪

নেত্রকোণা  জেলার  খালিয়াজুরী  হাওড় উপজেলায় বোরো ফসলরক্ষা বাঁধ সংস্কারের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হলেও বরাদ্দের টাকা না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সদস্যরা। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও বরাদ্দের মাত্র ৬ থেকে ৭ শতাংশ অর্থ ছাড় করায় আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে শ্রমিক ও পাওনাদারদের পাওনা পরিশোধ নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। ব্যক্তিগত তহবিল ও ঋণ করে কাজ শেষ করলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে অর্থ ছাড়ে ‘ধীরগতি’র অভিযোগ উঠেছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ‘কাজের বিনিময়ে টাকা’ (কাবিটা) প্রকল্পের আওতায় খালিয়াজুরী উপজেলায় ২০ কোটি ২৬ লাখ ৬৭ হাজার টাকা ব্যয়ে ফসলরক্ষা বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হয়। পাউবোর কারিগরি সহায়তায় ১৪৩টি পিআইসির মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন হাওরে প্রায় ৯১ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধ সংস্কার করা হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারীর সময়সীমা পেরিয়ে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে উপজেলার সকল প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পাউবো কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার প্রায় ২০ হাজার হেক্টর বোরো জমির ফসল আগাম বন্যার হাত থেকে রক্ষা করতে এবং দেড় লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে এই বাঁধগুলো সংস্কার করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, কাজ শুরুর পর থেকে অন্তত চার কিস্তিতে টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত মাত্র এক কিস্তি (মোট বরাদ্দের মাত্র ৬–৭ শতাংশ) অর্থ ছাড় করা হয়েছে। কাজ শেষ হওয়ার প্রায় দেড় মাস পার হতে চললেও পরবর্তী কিস্তির টাকা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পিআইসি সভাপতিরা।

খালিয়াজুরী সদরেরর ২ নম্বর পোল্ডারের পিআইসি সভাপতি মোঃ নাজমুল হক আরিফ  বলেন, “আমার প্রকল্পের বরাদ্দ ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। শতভাগ কাজ শেষ করেছি, কিন্তু হাতে পেয়েছি মাত্র ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। ঈদের আগে টাকা না পেলে শ্রমিক ও পাওনাদারদের পাওনা মেটাব কীভাবে? আমরা এখন পাওনাদারদের ভয়ে আছি। তাছাড়াও গত বছরের টাকা এখন পরিশোধ করেনি। সব মিলিয়ে হতাশার মধ্যেই আছি। 

খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও গাজীপুর  ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ স্বাধীন আক্ষেপ করে  বলেন, “শ্রমিক ও পিআইসি সদস্যদের ন্যায্য পাওনা দ্রুত পরিশোধ করা উচিত। ঈদ সামনে রেখে এই অর্থসংকট তাদের পরিবারে বিষাদ ডেকে আনবে।”

এ বিষয়ে নেত্রকোনা পাউবোর খালিয়াজুরীর দায়িত্বে থাকা  উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান  জানান, বরাদ্দের কিছু অর্থ কেন্দ্র থেকে ছাড় হয়েছে। তবে সেই অর্থ ঈদের পর সুবিধাজনক সময়ে সংশ্লিষ্ট পিআইসির ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। শতভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি কাজ প্রায় শেষ তবে কিছু কিছু বাঁধে এখনও ড্রসিং ও কার্পেটিং বাকী রয়েছে। তা দ্রুত সম্পন্ন শেষ হয়ে যাবে। 

 এ বিষয়ে খালিয়াজুরীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কাবিটা স্কিম বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ  নাদির হোসেন শামীম জানান, ফসল রক্ষার স্বার্থে এই বাঁধ সংস্কার অত্যন্ত জরুরি ছিল এবং কাজ সফলভাবেই শেষ হয়েছে। তবে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এমএসএম / এমএসএম

চাঁদপুর যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফরিদা গ্রেপ্তার

লামার আজিজনগরে ফের দুর্ধর্ষ ডাকাতি

রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া বাজার ডাক বাংলা পাড়া ভারি বৃষ্টি প্লাবিত

পত্নীতলায় ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে শ্রমিকদের অবরোধ, যানবাহনের দীর্ঘ সারি

চট্টগ্রাম বোর্ডের বুধবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত

চট্টগ্রামের বেশিরভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

​জয়রামপুরে ট্রেনের স্টপেজের দাবিতে ১ ঘণ্টা রেল অবরোধ, উত্তাল রেলপথ ​ইউএনও’র আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার

আদমদীঘিতে গাঁজাসহ আটক তিনজনের জেল-জরিমানা

ধামইরহাটে প্রকাশ্যে কৃষিঋণ বিতরণ ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদ প্রকাশের পর লোহাগাড়া প্রশাসনে নড়াচড়া, বদলি দুই কর্মকর্তা

চাঁদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সিলেবাস বাণিজ্য, অর্থ আদায়ের অভিযোগ

বিলাইছড়িতে টানা বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় প্রশাসনের মাইকিং