তানোরে আলু উত্তোলনের পর ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষক কৃষাণীরা
রাজশাহীর তানোরে আলু উত্তোলনের পর ওই জমিতে ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক কৃষাণীরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান রোপন করছেন আদিবাসী পল্লীর খাদ্য যোদ্ধারা। এছাড়াও আলু উত্তোলনের ধুম পড়েছে উপজেলা জুড়ে। আলু তোলার সাথে সাথে ওই জমিতে পানি নিয়ে পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষ করে ধান রোপন করছেন। এদিকে বিলপাড়ের আগাম বোরো ধানে পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে পুরোদমে আলু তোলা শুরু হলেও জমি রোপন শুরু হয়নি। একারনে ধান রোপনের শ্রমিকদের কদর ও মূল্য কম।
গত রোববার বিকেলের দিকে চাপড়া গ্রামের পশ্চিমে ধান রোপন করছিলেন আদিবাসী মহিলা ও পুরুষ শ্রমিকরা। তারা জানান, আমরা ১৪ জন মিলে এক সাথে চুক্তিতে জমি রোপন করছি। এক বিঘা জমি রোপন করতে ১৭০০ টাকা নিচ্ছি। কিন্তু এমূল্য একেবারে কম হয়ে পড়েছে। কারন এর এক বিঘা জমি নিম্নে ২ হাজার টাকা থেকে ঊর্ধ্বে ২ হাজার ৪০০ টাকা। কিন্তু পুরোদমে ধান রোপন শুরু হয়নি। দুএকজন আলু চাষীরা ধান রোপন শুরু করেছেন। তবে ভরদমে রোপন শুরু হলে শ্রমিকের কদর মূল্য দুটোই বাড়বে।শ্রমিক দুলাল, অনু জানান, ১৪ জন শ্রমিক মিলে দিনে পাঁচ বিঘা করে জমি রোপন করা যায়। কিন্ত চাষের জমি তেমন ভাবে তৈরি হয়নি। একারনে যতটুকু পাওয়া যাচ্ছে সেটাই রোপন করা হচ্ছে। ১৪ জন শ্রমিকের মধ্যে ৪ জন পুরুষ বাকি ১০ জন মহিলা। বিঘায় ১৭০০ টাকা চুক্তিতে রোপন করছি। ৫ বিঘা রোপন করতে পারলে ৮ হাজার ৫০০ টাকা পাওয়া যায়। ৮ হাজার ৫০০ টাকা ১৪ জনে মিলে নেয়া হয়। জনপ্রতি ৬০০ টাকা করে আসে।মহিলা শ্রমিক মিলেন তিনা, ঝমলা ও শান্তি জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জমি রোপন করি। ৫ বিঘা জমি রোপন করতে পারলে ৬০০ টাকা করে মুজুরি পায়। সারা দিন কাজ করে ৬০০ টাকা মুজুরি তে কি হয়। অথচ এক বেলা আলুর কাজ করলে ৫০০ টাকা পাওয়া যায়। আলু তোলার কাজ তেমন করিনা। আমরা জমি রোপন, পরিচর্যা, কাটা ও মাড়ায়ের কাজ বেশি করি। কিন্তু আমাদের শ্রমের মূল্য কম দেয়া হচ্ছে। তবে পুরোদমে জমি রোপন শুরু হলে তখন আমাদের কদরও বাড়ে আবার মুজুরিও বাড়ে। একবিঘা ধান রোপনে নিম্নে ২ হাজার টাকার নিচে নেই। এখন পুরোদমে রোপন শুরু হয়নি একারনে ১৭০০ টাকা চুক্তি তে রোপন করা হচ্ছে।জানা গেছে, উপজেলায় দু ভাগে বোরো ধানের চাষাবাদ হয়ে থাকে। বিলকুমারী বিল পাড়ের জমিগুলোতে আগাম বোরো চাষ হয়। আর আলু উত্তোলনের পর হয় আরেক দফা। বিল পাড়ের জমির বোরো ধান পরিচর্যায় সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে সারের কোন সংকট না থাকলেও ন্যায্য মূল্যে সার পাচ্ছে না বলেও অভিযোগ কৃষকদের।উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, পুরোদমে আলু উত্তোলন শুরু হয়েছে। আলু উত্তোলনের পর জমিগুলোতে বরাবরের মত বোরো ও আউশ ধানের চাষ হয়ে থাকে। আলু তোলার পর দুটি চাষ ও যত সামান্য সার ব্যবহার করে জমি রোপন করে থাকে। সার কীটনাশকে খরচ খুব কম হয়। একারনে আলুর পুরো জমিতেই ধান চাষ হয় এবং ফলনও ভালো পায়। এবারে উপজেলায় ১৪ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে বোরো রোপনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
দৈনিক সকালের সময় নিউজের জেরে ভরাট হচ্ছে রাস্তা
বাগেরহাটে ৫ হাজার মিটার জাল ধ্বংস অবৈধ জাল বিক্রেতাকে অর্থদন্ড
টুঙ্গিপাড়ায় দুর্ঘটনার কবলে ঢাকাগামী বাস, হতাহত নেই
আধুনিকতার ছোঁয়ায় মার্বেলের নিখুঁত নিশানা আজ শুধুই স্মৃতি
কুড়িগ্রামে অধ্যক্ষ জমি ও টাকার বিনিময়ে চাকুরী দিলেন, অভিযোগ এলাকাবাসীর
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে তৃণমূলে ক্ষোভ
এলজিইডি, গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত
রায়গঞ্জে জেলি পুশ করা ৪৫০ কেজি চিংড়ি জব্দ, মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস
আপন চাচার হাতে ভাতিজাকে মারধরের অভিযোগ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পরিত্যক্ত আমবাগান থেকে বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার
দলবদলু ও কুচক্রীদের অপপ্রচার': লালমনিরহাটে কড়া প্রতিবাদ বিএনপির
যুবসমাজকে মাদকমুক্ত করতে জুড়ীতে আনসার সদস্য সাইফুরের প্রশংসনীয় উদ্যোগ
তুরাগে ২১০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
Link Copied