মনোহরগঞ্জ - লাকসামে দুই উপজেলায় বেওয়ারিশ কুকুরের দাপটে জনজীবন বিপর্যস্ত
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা, লাকসামে পৌরসভা, সহ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও পাড়া-মহল্লায় মনোহরগঞ্জে বাজার,লক্ষণপুর বাজার, নাথেরপেটুয়া বাজার, বিপুলাসর বাজার,খিলা বাজার হাসনাবাদ বাজার, হাটিরপাড়, ঝলম,দিশাবন্দ, ডুমুরিয়া, গোয়ালীয়ারা, রশিদ পুর, মৈশাতুয়া সহ বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত ভয়াবহ মাত্রায় বেড়েছে। এসব বেওয়ারিশ কুকুরের আক্রমণে জনজীবন আতঙ্কিত ও বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে পুরো উপজেলা ও পৌরশহরে সর্বত্রে।কখন বেওয়ারিশ কুকুর কামড় দেয় এ নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন শিশু শিক্ষার্থী ও হাট-বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাসহ এলাকাবাসী। লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ও পৌর শহরের চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে এপ্রিল মাসের ৯তারিখ পর্যন্ত অন্তত ১৮৬ জন নারী, পুরুষ ও শিশু আহত হয়েছেন বেওয়ারিশ কুকুর, বিড়াল ও বানরের কামড়ে। এর মধ্যে বেশিরভাগ রয়েছে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আহত নারী, পুরুষ ও শিশু।
বুধবার (৯ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উপজেলা ও পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছে ১২ জন। এতে ১১ শিশু ও একজন বৃদ্ধ মহিলা রয়েছেন। রুগীরা সরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে কেউ বাড়ি ফিরে গেছেন, আবার কেউ গুরুতর আহত অবস্থায় সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজিয়া বিনতে আলম।প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কান্দিরপাড়, হামিরাবাগ, সাতবাড়ীয়া, ইছাপুরা, মুহাম্মদপুর, উওরদা, আজকরা, মুদাফরগঞ্জ বাজার, মুদাফরগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন শ্রীয়াং, আউশপাড়া, ভাকড্যা, পৌর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে শত শত কুকুর বেপরোয়া আচরণ করে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যায় পর্যন্ত উপজেলা ও পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ জন কুকুরের কামড়ে আহত হচ্ছেন।উপজেলা পরিষদের সামনে দোকানদার মুখছেদ আলী বলেন, বুধবার বিকালে মেয়ে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় তার কোমরে কুকুর কামড় দিয়ে মাংস তুলে নিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও দিনে-রাতে এ এলাকায় ১২-১৫টি করে কুকুর একত্রে দল বেঁধে ঘোরাফেরা করে। রাস্তাঘাটে কুকুরের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে পথচারীদের দেখে কামড়াতে আসে। যেখানে সেখানে কুকুরের অবাধ বিচরণ। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের জন্য এখন বেওয়ারিশ কুকুর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পথচারী থেকে শুরু করে স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীদেরও একই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।মনোহরগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন টিপু বলেন, দোকানের সামনে বসে থাকে রাস্তাঘাটে এমনকি বাসাবাড়ির সামনে যত্রতত্র অসংখ্য কুকুর দলবদ্ধভাবে ঘুরে বেড়ায়। এতে আতঙ্কে পথ চলতে হয়। অনেক রোগাক্রান্ত কুকুর খাদ্যদ্রব্যে মুখ দেয়, যা বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে।চিকিৎসক মোজ্জাকের হোসেন বলেন, বেওয়ারিশ কুকুর বিপজ্জনক হলেও সঠিক ব্যবস্থা থাকলে প্রাণহানি বা ক্ষতির শঙ্কা কমানো সম্ভব। কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগের ঝুঁকি রোধে কুকুরের শরীরে টিকা দেওয়া যেতে পারে।পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কুকুর নিধনের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে কয়েক বছর ধরে নিধন কর্মসূচি আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমএসএম / এমএসএম
ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু
জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তারেক মঞ্চের মতবিনিময় সভা, ১২ জুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
সেচ ব্যবস্থা উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা বিএনপির: প্রধানমন্ত্রী
চাঁদপুরে খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সুবর্ণচরে জামায়াত নেতার বাড়িতে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার
আমি সবার এমপি, সবার কল্যাণে কাজ করবো : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ
কক্সবাজারে ট্রাফিক পুলিশ ও দালালদের চাঁদার রাজত্ব
সলঙ্গায় পৌরসভা নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড়
বুড়িগঙ্গায় গলাকাটা লাশ উদ্ধার
রায়পুর মৎস্য অফিসের মাছের খাবার ও পোনা সহ উপকরণ বিতরণ
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জনবল সংকটে অকেজো হচ্ছে আধুনিক যন্ত্রপাতি
আত্রাইয়ে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরি, উদ্বিগ্ন গ্রাহক
নওগাঁয় অনলাইন জুয়ার সেন্টারে পুলিশের হানা; ১৫জন গ্রেপ্তার
Link Copied