খিলক্ষেতে উন্নয়নের অঙ্গীকারে শওকত উল ইসলাম সৈকত
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির খিলক্ষেত থানা শাখার বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ডিএনসিসির ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ শওকত উল ইসলাম সৈকত খিলক্ষেত এলাকার বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের অঙ্গীকার করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদল ও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতা ইতোমধ্যে স্থানীয় জনগণের কাছে একজন দায়িত্বশীল সংগঠক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
গণমাধ্যম প্রতিবেদকের সাথে একান্ত আলাপচারিতাকালে তিনি জানান, খিলক্ষেত থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য এবং ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাকে জনগণের সমস্যার কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। বর্তমানে খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
প্রায় ৪.০৯৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই ওয়ার্ডে খিলক্ষেত, কুড়িল, কুড়াতলী, জোয়ারসাহারা, অলিপাড়া (আংশিক), জগন্নাথপুর, নিকুঞ্জ-১ ও নিকুঞ্জ-২ এবং টানপাড়া এলাকাগুলো অন্তর্ভুক্ত। এ এলাকায় লোকজন বসবাস করে প্রায় ৫থেকে ৭ লক্ষের মতো। এর মধ্যে ভোটারের সংখ্যা আছে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার। ঘনবসতি ও দ্রুত নগরায়নের ফলে এখানে নাগরিক সমস্যাও দিন দিন বেড়েই চলেছে।
নাগরিক সমস্যাগুলো তুলে ধরে সৈকত বলেন,
“খিলক্ষেত এলাকায় সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ভাঙাচোরা রাস্তা, জলাবদ্ধতা, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য-ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, যানজটসহ অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন জায়গায় ফুটপাত ও কাচঁবাজার স্থাপন। এছাড়াও বিশুদ্ধ পানির সংকট, ফুটপাত দখল এবং অপরিকল্পিত স্থপনা নির্মাণও মানুষের বেশ ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি নির্বাচিত হলে সর্বপ্রথম রাস্তাঘাটের ভোগান্তি দূর করা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা-সহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে কাজ করবো। পাশাপাশি প্রতিটি পাড়া বা মহল্লার সমস্যা সরাসরি শুনে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য একাধিক স্বচ্ছ টিম গঠন করবো। প্রয়োজন হলে বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ বাক্স দিবো যেন আমাকে তাঁদের সমস্যার কথা লিখে জানাতে পারে।
বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো চাঁদাবাজি। এ বিষয়টাকে কিভাবে দেখছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে মোঃ শওকত উল ইসলাম সৈকত বলেন, চাঁদাবাজি এখন সামাজিক ব্যধিতে রুপান্তর হয়ে গেছে। সমাজের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে আছে। কোথাও গোপনীয়ভাবে আবার কোথাও প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি হচ্ছে। কেউ বাড়ি নির্মাণ করছে চাঁদা, কেউ ইট-বালি আনছে চাঁদা, বাজার-ঘাট থেকে শুরু করে কোথায় নেই চাঁদা? এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই চাঁদাবাজি করছে কারা? তারাতো কোন দলের হতে পারে না। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কখনো চাঁদাবাজদের সমর্থন করে নাই আর ভবিষ্যতেও করবে না। চাঁদাবাজিদের সংখ্যা সীমিত। ভবিষ্যতে সমস্যায় পড়তে পারেন বলে মনে করে কেউ যদি চাঁদাবাজীর প্রতিবাদ বা প্রতিরোধ গড়ে না তোলেন, তবে এই চাঁদাবাজদের সাহস ও শক্তি দিন দিন বেড়েই যাবে। শুধু প্রশাসনের দিকে না তাকিয়ে সাধারণ জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধের মাধ্যমে প্রতিবাদ করেন, তবেই এ চাঁদাবাজির শিকল থেকে মুক্তি লাভ করতে পারবেন তাছাড়া সম্ভব না।
আপনার প্রধান অগ্রাধিকার কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ এলাকার সন্তান আমি। এখানে সবাই আমার পরিজন, তাই সকল ধর্ম- বর্ণ নির্বিশেষে সবার সকল নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম ও প্রধান কাজ।
সাধারণ মানুষ আপনাকে কেন বেছে নেবে এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি সবসময় মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো। আমি প্রতিশ্রুতি দিতে নয়, কাজ করতে চাই।
স্থানীয়দের আশা, তরুণ এই নেতার উদ্যোগে খিলক্ষেত এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধানের পথে এগোবে এবং একটি পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগর পরিবেশ গড়ে উঠবে।
এমএসএম / এমএসএম
নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের উদ্বেগ ও মুক্তির দাবি
মানুষের অধিকার ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাংলাদেশ জনতা পার্টির (বিজেপি)
উত্তরায় ১৮ লাখ টাকার মদ-বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ২
পরিকল্পিত অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা চলছে: এডিসি শামীম
বায়তুল মোকাররমে শুরু মাসব্যাপী ইসলামী বইমেলা
রাজউকের মোবাইল কোর্টে ৪ ভবনে অভিযান, জব্দ ৪ বৈদ্যুতিক মিটার
ডাকসুর সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ছাত্রনেতা আবু তৈয়ব
উত্তরা ১১ নং সেক্টর সোসাইটির উদ্যোগে মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু
লিডস করপোরেশন ও বশির সিন্ডিকেটের হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ !
রাখি বাদ, আ: লীগের আইন সহায়ক কমিটিতে জামায়াত পরিবারের হিরণ!
উত্তরায় মাদকবিরোধী অভিযান: ১৩ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো অভিভাবক সমাবেশ ও স্বপ্নসভা