কক্সবাজারে পরিবেশবান্ধব খেলনা ও শিক্ষা উপকরণ নিয়ে স্টেকহোল্ডার সভা অনুষ্ঠিত
পর্যটন খাতে পরিবেশবান্ধব খেলনা ও শিশুদের প্রারম্ভিক শিক্ষাপণ্যের সম্প্রসারণ নিয়ে কক্সবাজারে অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি কক্সবাজারে ‘স্টেকহোল্ডার মিটিং উইথ হোটেল, রিসোর্ট অ্যান্ড রিটেইলার্স’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করে লাইট অব হোপ (এলওএইচ)। সংস্থাটির ‘ইকো-ফ্রেন্ডলি হ্যান্ডিক্রাফট অ্যান্ড টয়স প্রজেক্ট’-এর আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) এবং যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) সহায়তায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।
সভায় হোটেল ও রিসোর্ট ব্যবস্থাপক, খুচরা বিক্রেতা, খেলনা নির্মাতা এবং উন্নয়ন সহযোগীসহ প্রায় ৪৫ জন প্রতিনিধি অংশনেন।
সভায় বক্তারা বলেন, কক্সবাজারের হোটেল ও রিসোর্টগুলোতে পরিবেশবান্ধব খেলনার ব্যবহার ও বিপণনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। হোটেল আউটলেটে খেলনা বিক্রি, কক্ষভিত্তিক টয় বক্স, লবিতে প্রদর্শনী কর্নার এবং শিশুদের জন্য পাপেট শোর মতো উদ্যোগ এ বাজার সম্প্রসারণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
লাইট অব হোপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়ালিউল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, প্রতিষ্ঠানটি অভিভাবক, শিশু ও শিক্ষকদের সংযুক্ত করে একটি সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলছে।
আইএলও প্রতিনিধি আকবর মোহাম্মদ নাভিদ বলেন, পর্যটনকেন্দ্রিক কক্সবাজারে পরিবেশবান্ধব খেলনার বাজার তৈরির যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় কারুশিল্পীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইএসডিও কক্সবাজারের প্রধান আরশাদ হোসেন বলেন, প্রকল্পের লক্ষ্য অর্জনে উৎপাদন, বিপণন ও সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয় জরুরি।
আইএলও কক্সবাজার মিশন প্রধান রুচিকা বাহল বলেন, কক্সবাজারে নারীদের নেতৃত্ব ও ব্যবসায়িক মালিকানা এখনো সীমিত। এ প্রকল্প নারীদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং উদ্যোক্তা ও নেতৃত্বের ভূমিকায় এগিয়ে নিতে কাজ করছে।
লাইট অব হোপের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা গালিব বিন মোহাম্মদ বলেন, পাপেট শো, পণ্যের প্রদর্শনী কেন্দ্র, উপহারসামগ্রী এবং হোটেল কক্ষে টয় বক্সের মতো কাঠামোগত বিপণন উদ্যোগ প্রকল্পের সফলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, ৩ লাখ ৫০ হাজারের বেশি ব্যবহারকারীসমৃদ্ধ ‘টগুমগু’ প্যারেন্টিং অ্যাপ অভিভাবকদের সঙ্গে সংযোগ তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, রাজাপালং, পালংখালী এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকার ৪০০-এর বেশি নারী পরিবেশবান্ধব খেলনা তৈরির প্রশিক্ষণ পেয়েছেন এবং বর্তমানে তারা এসব পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে আয় করছেন।
খেলনা নির্মাতা মিমি বড়ুয়া বলেন, এ প্রকল্প তাঁকে নতুন দক্ষতা অর্জন ও পারিবারিক আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে।
প্রকল্পের অংশ হিসেবে কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে পাপেট শোর আয়োজন করা হয়, যা শিশুদের পরিবেশবান্ধব খেলনার সঙ্গে আনন্দদায়কভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করে।
ব্যাম্বু হাব হোটেলের উদ্যোক্তা মেমোরি চাকমা বলেন, পাপেট শো শিশুদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে এবং তারা পরিবেশবান্ধব খেলনার প্রতি ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা হোটেলে শিশুদের খেলার কর্নার, লবিতে খেলনার প্রদর্শনী, কক্ষে টয় বক্স এবং অতিথিদের জন্য পরিবেশবান্ধব খেলনা উপহার চালুর প্রস্তাব দেন।
সভা শেষে অংশীজনেরা এ উদ্যোগ আরও সম্প্রসারণ, কারুশিল্পীদের জীবিকা উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
এমএসএম / এমএসএম
পুরান ঢাকায় চার দিনব্যাপী নারী উদ্যোক্তা মেলা শুরু
ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের জন্মদিন আজ
গ্লোবাল ব্র্যান্ড অব দ্য ইয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিওয়াইডি
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ৯৩১তম সভা অনুষ্ঠিত
গ্রাউন্ড সার্ভিস আধুনিকায়নে ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে ইউএস-বাংলা
ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনে ঘরভর্তি পণ্য উপহার পেলেন চট্টগ্রামের রীমা
জাতীয় সংবিধান দিবস উপলক্ষে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে বর্ণাঢ্য র্যালি
উপকূলীয় আনসারদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ সমাপনীতে গণপ্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য উৎপাদন, বিএসটিআইয়ের অভিযানে এক লাখ টাকা জরিমানা
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং কনকর্ড হেলথকেয়ার গ্রুপের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বিএসটিআই'র অভিযান