ঢাকা শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

‎কুতুবদিয়ায় ভাঙা সেতুতে মৃত্যুঝুঁকি


কুতুবদিয়া প্রতিনিধি photo কুতুবদিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৪-৫-২০২৬ দুপুর ১:৫৯

‎কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপের লেমশীখালী ইউনিয়নের ‘শাহাজির পাড়া সেতু’ এখন স্থানীয়দের জন্য একপ্রকার মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। জরাজীর্ণ অবস্থা, ভাঙা কাঠামো এবং সংযোগ সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় গত এক বছর ধরে সেতুটিতে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। যেকোনো সময় ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

‎স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ২০০৫ সালে পিলটকাটা খালের ওপর প্রায় ৪৫ মিটার দীর্ঘ এ সেতুটি নির্মাণ করে। কিন্তু নির্মাণের দেড় যুগের মধ্যেই সেতুর বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ে এবং পলেস্তারা খসে পড়ে। বর্তমানে সেতুটি প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকলেও স্থানীয় মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এটি ব্যবহার করছেন।

‎স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল হোসেন ও মো. হোসেন জানান, এই সেতুর ওপর নির্ভরশীল শাহাজির পাড়া, সিদ্দিক হাজির পাড়া, হাবিব হাজির পাড়া, ঠান্ডা চৌকিদার পাড়া, মলমচর ও কৈলাসঘোনাসহ অন্তত ১০টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ। সেতুটি অচল হয়ে পড়ায় বছরের পর বছর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। তারা জানান সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে দরবার হয়ে  উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে হয়। এতে অনেক মুমূর্ষু রোগী পথেই মারা যান।

‎সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। শাহাজির পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান বলেন, তার বিদ্যালয়সহ আশপাশের পাঁচটি নূরানি ও হেফজখানার প্রায় ৬ শতাধিক শিক্ষার্থীর অর্ধেকই এই সেতুর ওপর নির্ভরশীল। বর্ষা মৌসুমে সংযোগ সড়ক কর্দমাক্ত হয়ে গেলে এবং সেতুর ভাঙা অংশ দিয়ে পারাপারের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত স্কুলে যেতে পারছে না।

‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও কার্যকর কোনো সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

‎লেমশীখালী ইউপি চেয়ারম্যান আকতার হোসেন জানান, সেতুটি পুনর্নির্মাণের জন্য এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গুরুত্ব সহকারে উপস্থাপন করা হয়েছে।

‎উপজেলা প্রকৌশলী আবুস উদ্দিন সেতুর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা স্বীকার করে বলেন, “সেতুটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন করে নির্মাণের জন্য একাধিক প্রকল্পের অধীনে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।”

‎স্থানীয়দের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে অন্তত একটি অস্থায়ী বিকল্প সেতু বা চলাচলযোগ্য রাস্তার ব্যবস্থা করা না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে। একই সঙ্গে তারা দ্রুত স্থায়ী সেতু নির্মাণে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

‎এদিকে, সচেতন মহল মনে করছেন-এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকলে তা শুধু জনদুর্ভোগই বাড়ায় না, বরং বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের ঝুঁকিও তৈরি করে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

এমএসএম / এমএসএম

তারাগঞ্জে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশের খুলি ও হাড় উদ্ধার

সিংড়ায় পুকুর নিয়ে বিরোধ, গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা দেয়ার অভিযোগ

বাঘা থানার অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ আটক ৮

সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি সাকিলা ফারজানাকে হাটহাজারীতে সংবর্ধনা

ক্ষেতলালে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু

পটিয়ায় বসতঘর থেকে দুই সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধার

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে সরকার: এমপি মিলন

নেত্রকোণার মদনে পোনামাছ অবমুক্তকরণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী--টুকু

কেশবপুরে স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নাকি হত্যা

বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে ১৩ এয়ারগান উদ্ধার; মামলা ও জব্দ তালিকায় দুই চিত্র

জুড়ী সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি

পত্নীতলায় হুইল চেয়ার বিতরণ

শিবচরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় নারী ও শিশুসহ ২ জন নিহত আহত ৩