রৌমারীতে কৃষি বিএস কোয়ার্টারগুলো পরিত্যক্ত কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত কৃষক
কৃষি অফিসের বিএস কোয়ার্টারগুলো পরিত্যক্ত থাকায় কাঙ্খিতসেবা থেকে বঞ্চিত কৃষক। উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা নিজ দায়িত্বরত এলাকার বিএস কোয়াটারের অফিস করতে না পারায় দুরদুরান্ত থেকে কৃষকদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে তারা। খোজখবর না নেওয়ায় দখল হচ্ছে সরকারি সম্পত্তি। এসব কোয়াটার সংস্কারের জন্য উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর থেকে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন দিওয়া হলেও ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি কর্তৃপক্ষ। সোমবার (৪ মে) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের বন্দবেড় ইউনিয়নের বাঞ্ছারচর বাজার, দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের দাঁতভাঙ্গা বাজার, শৌলমারী ইউনিয়নের বড়াইকান্দি বাজার, রৌমারী সদর ইউনিয়নের চুলিয়ারচর বাজার, মির্জাপাড়া ও রৌমারী বাজার ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন পরিষদের পাশেই উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের কোয়ার্টার গুলো জরাজীর্ণ হয়ে বেহাল দশা অবস্থায় পড়ে আছে। একতলা ভবনের ছাদ ও দেয়ালের সিমেন্ট খুলে পড়ে রয়েছে। ছাদ নষ্ট হওয়ায় বৃষ্টির পানি পড়ছে। কোয়ার্টারের ভেতরে জন্মেছে বড় বড় গাছ ও ঝোপ-জঙ্গলে পরিপূর্ণ এবং রাতের বেলা যুবক ও কিশোরদের মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়। ভবনের দরজা সহ অন্যান্য আসবাবপত্র নষ্ট ও চুরি হচ্ছে। বিএস কোয়ার্টারে একটি বাথরুম, একটি রান্নাঘর ও দুটি স্বয়ংকক্ষ রয়েছে। এর আগে সেখানে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ বসবাস করতেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশ স্বাধীনের আগে তৎকালীন সরকার এই ভবনগুলো প্রথমে সিড গোডাউন হিসেবে নির্মাণ করে। পরে এই কর্মসূচি বাতিল করা হলে সরকার ওই গুলো ১৯৮০ সালের দিকে ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বসবাসের জন্য সংস্কার করে কোয়ার্টারে পরিণত করে। মূলত ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের পরামর্শ ও সেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই ও খুব সহজেই সার, বীজসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণগুলো পৌঁছে দেওয়া হতো।
স্থানীয় বাসিন্দা মঞ্জিল হোসেন, চুলিয়ারচর গ্রামের মোন্তাজ হোসেন, দাঁতভাঙ্গা বাজারের জুয়েল, রৌমারী সদর সামছুল হক, বড়াইকান্দি বাজারের আনিছ বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকেই দেখি কোয়ার্টারগুলো জঙ্গলে ভোরা। মাঝে মাঝে দেখা যায় ছোট, বড়, কিছু বখাটে ছেলেরা, সেখানে বসে মাদক সেবন করে। কোয়ার্টারগুলোতে বিএসরা থাকলে কৃষকরা উপকৃত হতো। তাদের কাছ থেকে উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি ও কৃষি বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হতো। ভবনগুলো ভেঙ্গে দিয়ে, নতুন করে ভবন নির্মাণ করে বিএসদের থাকার উপযোগী করে দিলে এলাকার কৃষকগণ উপকৃত হতো।
শৌলমারী এলাকার স্থানীয় কৃষক নুরুজ্জামান বলেন, ওই সময় বিএস কোয়ার্টার থাকার কারণে সরাসরি অফিসারের পরামর্শ পেতাম। বর্তমানে কোয়ার্টার না থাকায় ঠিকমতো সেবা পাই না। এতে আমাদের কৃষিকাজ করতে খুব সমস্যা হয়। আমরা চাই এই কোয়ার্টারগুলো আবার চালু হোক।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইউম চৌধুরী বলেন, সুপারভাইজার (বিএস) কোয়ার্টারগুলো কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব জায়গা। কোয়ার্টারগুলো পরিত্যক্ত থাকায় কেউ ব্যবহার করছে না। তবে কোয়ার্টারগুলো ভেঙ্গে নতুন করে থাকার উপযোগী করলে কৃষকরা সহজেই সুবিধা পাবে। আমি এব্যাপারে উর্দ্ধোতন মহলকে জানাবো।
এমএসএম / এমএসএম
৩ ব্রোকারেজ হাউজ-কে ডিএসই’র ফিক্স সার্টিফিকেশন প্রদান
বাগেরহাটের মোংলায় বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ গঠন নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, অফিস ভাঙচুর
মধুখালী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিক দত্তর অভিযানে মধুমতি নদীতে অবৈধ ড্রেজার জব্দ
চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার
আদমদীঘিতে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন
কৃষি ও পুষ্টি উন্নয়নে টুঙ্গিপাড়ায় পার্টনার কংগ্রেস
সিংড়া উপজেলা পর্যায়ে স্টেক হোন্ডারদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
কাউনিয়ায় বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন রকসির পিতার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন
কৃষকের ৩০০ মণ ধানসহ বাংলো ঘর পুড়ে ছাই
উলিপুরে এসডিজি অর্জনে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
দর্শনা থানাপাড়ায় যুবদল নেতা রিংকুর ব্যক্তিগত উদ্যোগে কলের পাড় নির্মাণ, জনসাধারণের স্বস্তি
যশোরে রিয়াজ হত্যাকাণ্ডে মামলা-পুলিশের অভিযানে প্রেপ্তার ৩