ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রায়গঞ্জে প্রতিদিন কোটি টাকার মাছ বেচাকেনা, খাস ইজারার বাইরে কুতুবের চর মৎস্য আড়ৎ


সাইদুল ইসলাম আবির, রায়গঞ্জ photo সাইদুল ইসলাম আবির, রায়গঞ্জ
প্রকাশিত: ১২-৬-২০২৬ দুপুর ৪:২০

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়নের কুতুবের চর এলাকায় গড়ে ওঠা বৃহৎ মৎস্য আড়ৎটি প্রতিদিন কোটি টাকার মাছ বেচাকেনার কেন্দ্র হলেও এখনো সরকারি খাস ইজারার আওতায় আসেনি। এতে সরকার সম্ভাব্য বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী, সমবায় সমিতির সদস্য ও এলাকাবাসীর দাবি, প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করার পরও কুতুবের চর মৎস্য আড়ৎকে খাস ইজারাভুক্ত করা হয়নি। এ বিষয়ে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদনও করেছেন।

জানা গেছে, বাসুদেবকোল মৌজার কুতুবের চর এলাকায় ২৫ জন ব্যবসায়ীকে নিয়ে “কুতুবের চর মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতি লিমিটেড” গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর সমিতিটি নিবন্ধন লাভ করে। নিবন্ধন নম্বর-০০২৭।

সমিতির পক্ষ থেকে মৎস্য আড়ৎ পরিচালনার স্বার্থে সরকারকে ৩০ শতক জমি লিখিতভাবে প্রদান করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এছাড়া ব্যক্তি মালিকানাধীন ২ দশমিক ০৭ একর লিজকৃত জমির ওপর আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি মৎস্য আড়ৎ গড়ে তোলা হয়েছে।

সমিতির সদস্যদের ভাষ্যমতে, নিজেদের অর্থায়নে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে মাটি ভরাট, শেড নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, টয়লেট, যানবাহন পার্কিংসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে আড়ৎটি বর্তমানে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাছ বেচাকেনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ৬০ থেকে ৭০ মেট্রিক টন মাছ এ আড়তে আসে। প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ থেকে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকার মাছ কেনাবেচা হয়।

মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান বলেন, “এখানে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ব্যবসা করা যায়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা মাছ কিনতে আসেন। সরকারি স্বীকৃতি পেলে আড়ৎটির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে।”

স্থানীয়দের মতে, এ মৎস্য আড়ৎকে কেন্দ্র করে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। মাছ ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পরিবহনকর্মী, বরফ ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাসহ অসংখ্য পরিবার এ আড়তের ওপর নির্ভরশীল।

ব্যবসার পরিধি বাড়াতে সমিতির সংশোধিত নিবন্ধনের মাধ্যমে রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ সদর, কামারখন্দ, উল্লাপাড়া ও তাড়াশ উপজেলার সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে সমিতির সদস্য সংখ্যা ১০৬ জন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এত বড় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হলেও সরকারি খাস ইজারার আওতায় না থাকায় সরকার নিয়মিত রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত খাস ইজারাভুক্ত করা হলে একদিকে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে আড়তের কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হবে।

এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, “কুতুবের চর মৎস্য আড়ৎ সংক্রান্ত একটি রিট পিটিশন বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার নিষ্পত্তি হলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমবায় সমিতির সদস্যরা আদালতের বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তি এবং কুতুবের চর মৎস্য আড়ৎকে সরকারি খাস ইজারাভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

এমএসএম / এমএসএম

মেঘনায় লঞ্চ থেকে পড়ে নিখোঁজ যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

ফটিকছড়িতে ভূজপুর থানা প্রশাসনের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

পৃথিবীর কোনো সরকার সাত মাসে এত জনবিচ্ছিন্ন হয়নি জুড়ীতে ডাকসুর ভিপি সাদেক কায়েম

নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মো: আজমুল হোসেনের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

টঙ্গী মিলগেট মাচিমপুর কো-অপারেটিভ সোসাইটির নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি আবু সাকের, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম খান

লক্ষ্মীপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আবুল খায়ের ভুইয়ার ৬০ কোটি টাকার সম্মতিপত্রের সন্ধান

কুড়িগ্রামে ইলেকট্রিশিয়ানদের নিয়ে এমইপির মতবিনিময় সভা

মাদারীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা অভিযান

শেরপুরে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

রায়গঞ্জে মসজিদ-মন্দির, স্কুল ও কবরস্থানে ৩ শতাধিক গাছের চারা রোপণ

মেঘনায় নৌকা ডুবিতে নিখোঁজের দুই দিন পর ৩ ভাইবোনের মরদেহ উদ্ধার

নালিতাবাড়ী গোপালপুর বিটে বনভূমি দখল, গাছ কাটাসহ নানা অভিযোগ