ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

ইরানের ফ্রোজেন অর্থ ছাড়ের গুঞ্জন, নাকচ করল আমিরাত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক  photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩-৬-২০২৬ দুপুর ১:০

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে গুঞ্জনের মধ্যে ইরানের জব্দ করা কয়েক বিলিয়ন ডলারের অর্থ ছাড় দিতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের হামলার মুখে পড়ার পর আবুধাবি এই কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) চারটি সূত্রের বরাতে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এমন দাবির মধ্যে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি সামনে এসেছে। 

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে বিদেশি ব্যাংকগুলোতে জব্দ করা ইরানের তেল আয়ের কয়েক বিলিয়ন ডলার ছাড়ের কথা বলা হয়েছে। 

আঞ্চলিক দুটি সূত্র জানিয়েছে, আমিরাত মোট ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড় করতে সম্মত হয়েছে। এরমধ্যে ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ইতোমধ্যে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ভিন্ন দুটি সূত্র বলছে, জব্দ করা এই অর্থের পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। আমিরাতের ওপর ইরানের হামলা বন্ধের বিনিময়ে এই সমঝোতা হয়েছে। এরমধ্যে প্রথম ধাপে তিন বিলিয়ন ডলার ইতোমধ্যে ছাড় করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে একটি সূত্র। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রয়টার্সের প্রতিবেদন প্রকাশের পর আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বিষয়টিকে অস্বীকার করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আমিরাত থেকে ইরানে অর্থ স্থানান্তরের দাবি করা হয়েছে। আমিরাত এ দাবি সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। 

মন্ত্রণালয় বলছে, ইরানের জব্দ করা কোনো অর্থ আমিরাতের মাধ্যমে স্থানান্তর বা ছাড় দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকে তথ্য যাচাই করে প্রকাশ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। 

আমিরাতের এক কর্মকর্তা বলেন, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে আমিরাত। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য উত্তেজনা হ্রাস, সংঘাত কমানো এবং অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা। 

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগসহ যেসব প্রচেষ্টা অঞ্চলের জনগণকে সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, ইউএই সেসব প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। 

এর আগে শুক্রবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড় দেওয়া হবে না। সম্ভাব্য চুক্তিটি এমনভাবে সাজানো হচ্ছে যাতে ইরান প্রতিশ্রুতি পূরণ করলে ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক সুবিধা পায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আল জাজিরা 

এমএসএম / এমএসএম

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশকেও কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুমকি ট্রাম্পের

ইরানের বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান’ ঘোষণা ট্রাম্পের

কলকাতায় আগুনে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির পরিচয় জানা গেছে

নভেম্বরে কিমের সঙ্গে বৈঠক করতে চান ট্রাম্প

ভেনেজুয়েলার অর্ধেকের বেশি তেল যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে

কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ-জ্বালানি সহায়তা নিয়ে যা বলল ভারত

তারেক রহমানের ভারত সফরে খুলতে পারে সম্পর্কের ‘নতুন দুয়ার’

ইউক্রেনকে ড্রোন সরবরাহ, যুক্তরাজ্যকে কঠোর হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

হামাস অস্ত্র না ছাড়লে গাজা পুনর্গঠন শুরু হবে না: ট্রাম্পের জামাতা

বিশ্বজুড়ে এক বছরে রেকর্ড ৩৫০ দাতব্যকর্মী নিহত

ইরান নিয়ে দ্বিমত: দক্ষিণ কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে ভাটা স্পষ্ট

পশ্চিমবঙ্গে হোটেলে আগুন, দগ্ধ হয়ে নিহত ৭