ঢাকা বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেকহোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত


আরিফুর রহমান photo আরিফুর রহমান
প্রকাশিত: ৮-৭-২০২৬ বিকাল ৫:২৭

আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেকহোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা বুধবার বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন।

প্রধান অতিথি বলেন, আর্ন্তজাতিক স্বাস্থ্যবিধি ২০০৫ সালের একটি চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও আজ ২১ বছর পর ২০২৬ সালে এসে আমরা এখনো অবহিতকরণ পর্যায়ে আছি যা অত্যন্ত দু:খজনক। করোনা মহামারীর সময়ে এ ধরণের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়েছে। আমরা অনেক পিছিয়ে আছি, যার অন্যতম কারণ জনস্বাস্থ্য সমস্যাকে আমরা মনে করি শুধুমাত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়। অথচ মহামারীর পর্যায়ে যেতে পারে এ ধরণের রোগগুলোকে প্রতিরোধ করতে সব পক্ষকেই সচেতন হয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আইনি এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আছে কিন্তু বাস্তবায়ন পর্যায়ে অগ্রগতি কম। বিভিন্ন অংশীজন ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম গ্রহণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ না হলে আমরা এই আন্ত:সীমান্ত সংক্রামক রোগগুলো মোকাবেলা করতে পারবো না। আবার বিশ^ায়নের যুগে আমরা আইসোলেটেড হয়েও থাকতে পারবো না। তাই সকল ফোকাল পয়েন্ট গুলোকে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকার জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ ও মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং সহযোগিতা করার অঙ্গীকার করেছে। তিনি বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ও তার দলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সভায় জানানো হয়, যে কোন ধরণের মহামারী প্রতিরোধ করা আর্ন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধির একমাত্র উদ্দেশ্য। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি (আইএইচআর) এর অন্যতম স্বাক্ষরকারী দেশ। আইএইচআর, ২০০৫ একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার মাধ্যমে বাংলাদেশসহ ১৯৬টি সদস্য রাষ্ট্র জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ ও মোকাবেলার জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং বজায় রাখার অঙ্গীকার করছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশসহ প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের নৌ, স্থল ও বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, ডাক্তার ও সুনির্দিষ্ট হাসপাতাল থাকা বাধ্যতামূলক। যেকোন কেস সনাক্ত হওয়ার দুই ঘন্টার মধ্যে ফোকাল পয়েন্টে অবহিত করতে হবে। এক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্য, সীমান্তরক্ষা, নিরাপত্তা ও খাদ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের তৎপরতা এবং ঝুঁকি মোকাবেলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

অ্যাডভোকেসি সভায় বিজিবি খুলনা সেক্টরের পরিচালক লে. কর্নেল অনুপ কুমার বিশ্বাস , অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. আশনাফুন্নাহার, খুলনা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক মো: মোজাম্মেল হক, আনসার ও ভিডিপির উপপরিচালক এএসএম আজিম উদ্দিন বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন খুলনা স্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. অপর্ণা বিশ^াস। সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার কারিগরি কর্মকর্তা ডা. ইনিন ইসিবোর।

অ্যাডভোকেসি সভায় বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সহযোগিতায় ডিজিএইচএস অ্যাডভোকেসি সভার আয়োজন করে।

এমএসএম / এমএসএম

সমাজসেবিকা সুফিয়া বেগম সরকারের সহযোগিতা চায়

আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেকহোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

শ্যামনগরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ পাল্টাপাল্টি দখল ও মামলার অভিযোগ

বিএমইউতে রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন বিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু, উপাচার্যের পরিদর্শন

কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎ স্পষ্ট হয়ে স্বামী স্ত্রীর মৃত্যু

হাঁটু পানিতে নেমে জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে মসিক প্রশাসক রুকুনুজ্জামান সরকার

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৩ মাদরাসা শিক্ষার্থী নিহত

নোয়াখালীতে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বসতবাড়ি দখল ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদ

‎পাঁচ বছর পর নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটি: আহ্বায়ক হাবিব, সদস্য সচিব মামুন

পেকুয়ায় ভয়াবহ বন্যার আভাস

মান্দায় মাঠ ভরাটের নামে টিআর প্রকল্পের অর্থ হরিলুটের অভিযোগ

রোগ সারাতে এসে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বেহাল রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে চাঁদপুরে কার্গোডুবি, ৫ হাজার বস্তা ধান-চাল পানিতে