কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসে ৪ জন আহত, ঝুঁকিতে শত শত পরিবার
চলমান ভারী বর্ষণে রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলায় বেশ কয়েকটি স্থান পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণ হানির ঘটনা না ঘটলে পাহাড় ধসে দুই শিশু সহ ৪ জন ব্যক্তি আহত হয়েছে। এদের মধ্যে কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী সরকারি কলেজ এলাকায় গতকাল বুধবার ফরহাদ ইসলাম ছোটন (৫) এবং আরিয়ান ইসলাম জোহান (১০) নামের দুইশিশু আহত হয়। এবং বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পাহাড় ধসে গাছ পড়ে কাপ্তাইয়ের বড়ইছড়ি থানা সংলগ্ন এলাকায় জশি মারমা (৭৫) ও উসিং মং মারমা (২৫) নামের আরো দুইজন ব্যক্তি আহত হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদিকে পাহাড় ধসে কাপ্তাইয়ের রাইখালী বাঙ্গালহালি সড়ক বিচ্ছিন্ন হওয়ার ৪ ঘন্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটলেও এখনো কাপ্তাইয়ের ৫টি ইউনিয়ন শত শত পরিবার ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ে বসবাস করছে। কাপ্তাইয়ে ১৮টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হলেও আশ্রয় নিতে অনীহা দেখা গেছে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের। যারাই এসেছে তারাও আশ্রয়কেন্দ্রে ছেড়ে নিজ বাড়িতে চলে যেতে চাইছেন।
বৃহস্পতিবার সরজমিনে গিয়ে কথা হলে কাপ্তাইয়ের ঢাকাইয়া কলোনীর বাসিন্দা সখিনা বেগম, আমেনা খাতুন সহ কয়েকজন বলেন, ঘরবাড়ি ফেলে আমরা যেতে চাইনা। ঘর খালি রেখে গেলে চুরির আতংক রয়েছে। এছাড়া বারবার বলার পরেও আমাদের স্থায়ী বাসস্থান ব্যবস্থা করে না দেওয়ায় আমরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে জীবন পার করছি। সরকার আমাদের বাসস্থান করে দিলে এই দুর্ভোগ পোহাতে হতো না।
ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করা কাপ্তাই আফসারের টিলা এলাকার বাসিন্দা আবদুর রহমান, করিম উল্লাহ সহ কয়েকজন বলেন, পরিস্থিতি খারাপ হলেই তারা আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যাবেন। বাড়িঘর ফেলে কোথাও যেতে চাচ্ছেন না তারা। তাই জীবনের ঝুঁকি জেনেও বাসায় রয়েছেন।
চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন মিলন জানান, তিনি পাহাড় ধসে আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন। পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে কর্ণফুলী সরকারি কলেজের দুটি কক্ষে ৫০ জন এবং সংলগ্ন স্টেডিয়ামের দুটি কক্ষে আরও ৩০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রিত পরিবারগুলোর জন্য খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস না করার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার রায়হানুল ইসলাম বলেন, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসতে প্রচার প্রচারণা চালানো হচ্ছে। আমরা নিজেরা গিয়েও তাদের অনুরোধ করছি আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসতে। এবং তাদের যেই আক্ষেপ রয়েছে বা তারা যেটা সমাধান চাচ্ছেন সেটা নিয়ে আমরা দ্রুত বসবো বলে আশ্বস্ত করেছি। কাপ্তাইয়ের ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি জানান।
এমএসএম / এমএসএম
চিতলমারীতে সাক্ষরতা দিবসের আলোচনা: ‘শুধু পড়া-লেখা নয়, দক্ষ নাগরিক গড়াই লক্ষ্য’
মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হলদে পাখি ও গার্লস গাইড গঠন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
বারহাট্টায় সারের দোকানে অনিয়ম, ছয় ব্যবসায়ীকে জরিমানা
মেঘনা উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন ড. খন্দকার মারুফ হোসেন
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ১ লাখ টাকা জরিমানা
নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার দুই বছর মেয়াদি নতুন কমিটি অনুমোদন
নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার দুই বছর মেয়াদি নতুন কমিটি অনুমোদন : সভাপতি ফারুক হোসেন, সম্পাদক বেলাল
গুদামে পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও মাঠে সারের হাহাকার: সরবরাহ শৃঙ্খলে গলদ ও চাহিদার গরমিল
দাউদকান্দিতে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বাস খাদে, আহত ২০
ভূরুঙ্গামারীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত
মনপুরায় আড়াই কেজি ওজনের রাজা ইলিশের দাম ১৫ হাজার টাকা
প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে এগিয়ে যাচ্ছে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়