টানা বৃষ্টিতে চৌগাছার নিচু এলাকা প্লাবিত ঘরে উঠেছে পানি নিরাপদে ছুটছেন অনেকে
শুক্রবার রাত তিনটার দিকে শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টি যা এখনো অব্যহত আছে। টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে উপজেলার বেশ কিছু নিচু এলাকা। অনেকের বাড়ি ঘরে পানি উঠে যাওয়ায় তারা ঘরের জিনিসপত্র নিয়ে ছুটছেন নিরাপদে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে চরম ক্ষতির মুখে পড়বে কৃষক।
শুক্রবার রাত তিনটার দিকে শুরু হয় বৃষ্টি, সময় যত বাড়তে থাকে বৃষ্টির গতিও সেই সাথে বাড়তে থাকে। ভোরের আলো ফুটার আগেই উপজেলা ও পৌর এলাকার অনেক নিচু এলাকা তলিয়ে যায় পানির নিচে। ইতোমধ্যে উঠতি ফসল নিয়ে চিন্তিত কৃষক, মাছ চাষিরাও আছেন দু:শ্চিন্তায়।
শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের পাঁচনামনা বালিগর্ত এলাকায় যেয়ে দেখা গেছে অন্তত ২০/৩০টি বসতি ঘর অর্ধেকের বেশি পানির নিচে। এই মহল্লার বেশির ভাগ বসতি হচ্ছে আদিবাসী সম্প্রদায়ের। তারা বৃষ্টির পানি ঘরে ঢুকতে শুরু করলে রাত থেকেই ঘরের মালামাল আশপাশে নির্মানাধীন ভবনের ছাদের নিচে কেউ পাশে নিকট আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে রাখতে শুরু করে। ভোরের আলো ফুটার আগেই তাদের বাড়ি তলিয়ে যায় পানিতে।
মহল্লার বাসিন্দা দুষ্টু সরদার বলেন, এই মহল্লা তুলনামূলক অনেক নিচু। নেই কোন ড্রেনের ব্যবস্থা। সে কারনে প্রতি বছর বর্ষা শুরু হলে আমাদের ঘরে পানি উঠে যায়। বিনতি রানী সরদার বলেন, ভোর থেকে ঘরের মালামাল সরিয়ে নিচ্ছি কিন্তু সব কি নেয়া যায় অনেক কিছুই ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা হযরত আলী বলেন বর্ষা মৌসুম শুরু হলে এরা খুবই বিপাকে পড়েন। রাত থেকে বৃষ্টি হচ্ছে অনেকের ঘরবাড়িতে উঠে গেছে পানি। অনেক পরিবার বাসার মুল্যবান জিনিসপত্র রক্ষা করতে পারেনি। কৃষ্ণ সরদার বলেন, আমরা অভাবের তাড়নায় উপজেলার পাশে, হাইস্কুলের পাশে, ডাকবাংলোর পাশে মুল্যবান জমি পানির দরে বিক্রি করে এই গর্তের মধ্যে জমি কিনে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছি। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। ঘরে পানি উঠে নষ্ট হয় সব কিছু কিন্ত কি করবো কোথায় যাব।
২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সাহিদুল ইসলাম বলেন, তারা যেখানে বসতি গড়ে তুলেছেন তা আদৌ বসবাস করার যোগ্য না। অত্র এলাকার পানি যেয়ে ওই স্থানটিতে জমা হয়। সেখানে তারা টিনের বসতি গড়ে বসবাস করছেন। সেখানে ড্রেন করার মত কোন ব্যবস্থা নেই। আমি জনপ্রনিধি থাকাকালীন তাদের পাশে ছিলাম আজও আছি।
এ দিকে একটানা বৃষ্টিতে উপজেলার বহু নিচু এলাকায় পানি থৈথৈ করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতির সম্মুখীন উঠতি ফসল। ভবানিপুর গ্রামের কবির হোসেন বাবলু বলেন যে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে তাতে সবজি চাষিরা চরম বিপাকে পড়বে। বেলেমাঠ , বাঘারদাড়ি গ্রামের কৃষক সহিদুল ইসলাম ,কংশারীপুর গ্রামের বাবু জানান, এই বৃষ্টিতে পটল, বেগুন,বরবটিসহ সব ধরনের সবজির অপুরোনীয় ক্ষতি হবে।
পাশাপোল গ্রামের সাইফুল ইসলাম, শিমুল আক্তার জানান, রাত থেকে টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে মাঠঘাট। বিশেষ করে আমন বীজতলা ও সদ্যরোপনকৃত ধান পানির নিচে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে চরম ক্ষতির মুখে পড়বে এ অঞ্চলের কৃষকরা।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চৌগাছার আকাশ কালো মেঘে আচ্ছন্ন,বৃষ্টি অব্যহত আছে।
এমএসএম / এমএসএম
দর্শনা পৌর নির্বাচন: মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থীরা
মান্দায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ
চন্দনাইশে বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ জামায়াতের
মাদারীপুর সদর থানা থেকে নারী আসামি পালানোর অভিযোগ, ধামাচাপার চেষ্টা
বাঁশখালীতে পায়ে হেঁটে কোমর পরিমাণ পানি পেরিয়ে বন্যার্তদের পাশে ড.শফিকুর রহমান
পূর্ব শত্রুতা ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে নুরুল আজিম (৪০) নামে এক দর্জিকে কুপিয়ে হত্যা
তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলেও ব্যবস্থা নিতে গড়িমসির অভিযোগ
শিগগিরই খুলে দেয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর- কুমিল্লায় সংস্কৃতি মন্ত্রী
গজারিয়ায় যাত্রা শুরু করল প্রকৃতি ও স্বাদের অনন্য ঠিকানা 'ন্যাচার লাউঞ্জ'
বাউফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে যাত্রীবাহী বাস, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
মাত্র ২ হাজার টাকায় শুরু: শত নারীকে স্বাবলম্বী করে অনন্য দৃষ্টান্ত গড়লেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পপি
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে বিভিন্ন সংকট দ্রুত সমাধান করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু