ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

ডুবছে মেগাসিটি,কাঁপছে উপকূল: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রলয়ংকরী থাবায় বাংলাদেশ


আব্দুর রউফ photo আব্দুর রউফ
প্রকাশিত: ১৩-৭-২০২৬ বিকাল ৬:৮

বিগত কয়েক দিন ধরে চলা টানা আকাশভাঙা অতিভারী বর্ষণ এবং তার ফলে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিশাল একটি অংশে যে নজিরবিহীন মানবিক ও কাঠামোগত বিপর্যয় তৈরি হয়েছে, তা কোনো সাময়িক ঋতুভিত্তিক সমস্যা নয়। এটি মূলত বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের এক নির্মম ও নিষ্ঠুর চপেটাঘাত, যা দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং নাগরিক অসচেতনতার হাত ধরে আমাদের অস্তিত্বের সংকট হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর যৌথ প্রভাবে মাত্র ৩০ ঘণ্টার ব্যবধানে মেগাসিটি ঢাকায় ১৮০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এই বিপুল পরিমাণ বৃষ্টিপাতের ফলে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি পর্যন্ত কোথাও হাঁটুপানি, আবার কোথাও কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে।
জাহাঙ্গীর গেট, মহাখালী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এলাকা, গ্রীন রোড, তেজগাঁও, নাখালপাড়া, পান্থপথ, কলাবাগান, মগবাজার, মালিবাগ, রামপুরা, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, নিউমার্কেট, আজিমপুর এবং পুরান ঢাকার বিস্তীর্ণ এলাকা সম্পূর্ণ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবন পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। মতিঝিল মেট্রো রেল স্টেশনের ফুটপাতেও পানি থৈথৈ করছে। শত শত সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝরাস্তায় থমকে যাওয়ায় মাইলের পর মাইল তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গণপরিবহনের তীব্র সংকট ও রিকশা-ভ্যানের আকাশচুম্বী ভাড়ার কারণে সাধারণ মানুষ ও কর্মজীবীরা যে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন, তা আধুনিক কোনো মেগাসিটির জন্য চরম লজ্জাজনক।

এই জলাবদ্ধতার নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা অতিবৃষ্টির অজুহাত দিলেও নগর পরিকল্পনাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে বলছেন, দীর্ঘদিনের অবহেলা ও সমন্বয়হীনতাই এর মূল কারণ। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকা ওয়াসা থেকে ড্রেনেজ ব্যবস্থার একক কর্তৃত্ব দুই সিটি কর্পোরেশনের ওপর ন্যস্ত করা হলেও, গত ৫ বছরেও সেখানে কোনো স্বতন্ত্র বা আধুনিক কারিগরি পরিচালনা কাঠামো গড়ে ওঠেনি। বর্তমানে মেগাসিটিতে ১০৩টি স্থায়ী জলাবদ্ধতার অতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত রয়েছে, যা সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীকে অচল করে দেয়। আজিমপুর, ধানমন্ডি ও পুরান ঢাকার পানি নদীর দিকে নেমে যাওয়ার প্রধান প্রধান সংযোগ পথ বা পানি নিষ্কাশনের পথগুলো (বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদীর সংযোগ নালা) বছরের পর বছর ধরে অবৈধ দখল ও বর্জ্যের কারণে বন্ধ হয়ে রয়েছে। পুরান ঢাকার বংশাল বা বেচারাম দেউড়ির মতো নিচু এলাকায় মানুষের বাসাবাড়ি ও দোকানপাটে পানি ঢুকে কোটি কোটি টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছে। এর সাথে যোগ হয়েছে সুপেয় পানির তীব্র সংকট; ঢাকা ওয়সার ভূগর্ভস্থ পানির পাম্পগুলোতে ড্রেনের নোংরা পানি প্রবেশ করায় সরবরাহকৃত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তার ওপর বহু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মোটর চালিয়ে পানি তোলার সুযোগও বন্ধ হয়ে গেছে।
তবে এই জলাবদ্ধতাই শেষ কথা নয়; এর আড়ালে ধেয়ে আসছে এক বড় ধরনের কাঠামোগত ও পরিবেশগত দুর্যোগ। একটানা অতিভারী বর্ষণের কারণে মাটির ভেতরের ধারণক্ষমতা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। ঢাকার শত শত নকশাবহির্ভূত, জরাজীর্ণ এবং অতি পুরনো ভবনের নিচে মাটির তলার ঘরে দিনের পর দিন নোংরা পানি জমে থাকায় সেগুলোর মূল ভিত্তি ও খুঁটি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে, যা যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ভবন ধসের কারণ হতে পারে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকার পিচঢালা রাস্তা ফেটে হঠাৎ মাটি দেবে গিয়ে গভীর গর্তের সৃষ্টি হতে দেখা গেছে। ঢাকার বাইরে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি আরও আশঙ্কাজনক। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ৭টি জেলা মারাত্মকভাবে বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বান্দরবান ও কক্সবাজারের পরিস্থিতি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক, যেখানে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দী এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে পাহাড় ধসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। রাঙ্গামাটির দুর্গম ফারুয়া এলাকার মানুষ বন্যার পানিতে পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। অভ্যন্তরীণ নদী বন্দরগুলোর জন্য ১ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দমকল বাহিনীর পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কাজ শুরু করেছে।

বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক অনুযায়ী, বিষাক্ত গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের ভূমিকা নগণ্য হলেও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আমরা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেলের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভবিষ্যতের দিনগুলোতে বাংলাদেশের জন্য আরও ভয়াবহ কিছু প্রাকৃতিক দুর্যোগ অপেক্ষা করছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ১১ শতাংশ থেকে ১৭ শতাংশ এলাকা স্থায়ীভাবে সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা কোটি কোটি মানুষকে নিজস্ব ভিটেমাটি হারিয়ে 'জলবায়ু শরণার্থী' হতে বাধ্য করবে। সমুদ্রের লোনা পানি নদীর মাধ্যমে দেশের মূল ভূখণ্ডের ভেতরের দিকে প্রবেশ করায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট তৈরি হবে এবং আবাদযোগ্য জমি চাষের অযোগ্য হয়ে পড়বে। বিশ্বব্যাংকের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতি ৭ জনের মধ্যে ১ জন মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হবে, যাদের সিংহভাগই ঢাকা ও চট্টগ্রামের মতো মেগাসিটির বস্তিগুলোতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হবে, যা নগর ব্যবস্থাপনার ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করবে। এছাড়া হিমালয়ের বরফ গলন এবং বঙ্গোপসাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বন্যার তীব্রতা ও স্থায়িত্ব বহু গুণ বেড়ে যাবে এবং ঘন ঘন তীব্র ঘূর্ণিঝড় উপকূলে আঘাত হানবে।

জলবায়ুর এই মহাসংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে টিকে থাকার এক সহজাত ক্ষমতা থাকলেও নাগরিক সচেতনতার ক্ষেত্রে মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে। নগরবাসীর যত্রতত্র প্লাস্টিক বোতল, পলিথিন, চিপসের প্যাকেট ও গৃহস্থালি আবর্জনা ড্রেনে ফেলার অভ্যাস ঢাকার জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। নাগরিকদের এই অসচেতন আচরণ ড্রেনেজ লাইনের মুখগুলোকে বন্ধ করে দেয়, যার ফলে বৃষ্টির পানি নামার পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এর পাশাপাশি আইন অমান্য করে প্রাকৃতিকভাবে পানি ধরে রাখার আধার বা জলাশয় ভরাট করে বহুতল ভবন নির্মাণের এক আত্মঘাতী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। উপকূলীয় বা পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ সরকারি আগাম সতর্কবার্তাকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গুরুত্ব দেয় না, যার ফলে পাহাড় ধস ও ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ুর এই আসন্ন মহাবিপর্যয় থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে গতানুগতিক বা বিচ্ছিন্ন পরিকল্পনার বাইরে গিয়ে বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী যুগান্তকারী ও টেকসই অভিযোজন কৌশল গ্রহণ করতে হবে। এই লক্ষ্যে নিম্নলিখিত সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপগুলো অবিলম্বে গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি:
১. জল-শোষণকারী শহর ধারণার বাস্তবায়ন ও খাল উদ্ধার: চীনের উহান বা জার্মানির বার্লিন শহরের মতো ঢাকাকে 'পানি শোষণকারী শহর' হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এর আওতাভুক্ত ফুটপাথ, পার্ক এবং রাস্তাগুলোতে পরিবেশবান্ধব ও পানি-শোষণকারী বিশেষ কংক্রিট ব্যবহার করতে হবে, যা বৃষ্টির পানিকে উপরিভাগে জমতে না দিয়ে সরাসরি মাটির নিচে পাঠিয়ে দেবে। একই সাথে ঢাকার হারানো ১২০ কিলোমিটার খালের সীমানা দ্রুত চিহ্নিত করে সব ধরনের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে হবে এবং বক্স কালভার্টগুলোর ভেতরের জমে থাকা কঠিন বর্জ্য আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিষ্কার করে নদীর সঙ্গে খালের প্রাকৃতিক প্রবাহ সচল করতে হবে।
২. জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: বাংলাদেশের কৃষি খাতকে জলবায়ুর আঘাত থেকে বাঁচাতে বন্যা-সহনশীল, লবণাক্ততা-সহনশীল এবং খরা-সহনশীল ধানের জাতগুলো দ্রুত মাঠপর্যায়ে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। কৃষিকাজে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে এবং দূর্ষণ হ্রাস করতে নবায়নযোগ্য শক্তি চালিত সৌর সেচ পাম্পের নেটওয়ার্ক দেশব্যাপী সম্প্রসারণ করতে হবে।
৩. নারীর ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: আন্তর্জাতিক মডেল অনুসরণ করে স্থানীয় নারীদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। নারীদের নেতৃত্বে স্থানীয় বীজ ব্যাংক, সুপেয় পানির আধার পরিচালনা এবং আশ্রয়কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি রক্ষা করা সম্ভব। একই সাথে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির স্বেচ্ছাসেবকদের আধুনিক স্যাটেলাইট ফোন, চালকবিহীন উড্ডয়ন যান বা ড্রোন এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আগাম সতর্কবার্তা প্রদানের প্রশিক্ষণ দিতে হবে, যাতে ঘূর্ণিঝড় বা আকস্মিক বন্যার কয়েক ঘণ্টা আগেই প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি মানুষ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেন।
৪. বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০-এর দ্রুত ও স্বচ্ছ বাস্তবায়ন: শতবর্ষী মেগা প্রজেক্ট 'বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০'-এর আওতায় উপকূলীয় অঞ্চলের ৬,০০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের উচ্চতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়ন করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের চরম প্রভাব বিবেচনা করে বাঁধগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তিতে শক্তিশালী করতে হবে। এই প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সবুজ জলবায়ু তহবিল এবং ক্ষতি ও ক্ষয়ক্ষতি তহবিল থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য শক্তিশালী কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে হবে।
৫. প্লাস্টিক বর্জন সামাজিক আন্দোলন ও শিক্ষা কারিকুলাম: প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত পরিবেশ বিজ্ঞান, বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং দুর্যোগকালীন প্রাথমিক চিকিৎসার বিষয়গুলো পাঠ্যসূচিতে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এছাড়া একমুখী প্লাস্টিকের উৎপাদন ও বিপণন আইন করে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে এবং নাগরিকদের মাঝে চটের বা পাটের ব্যাগের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে।
আজকের মেগাসিটি ঢাকার কোমরসমান পানি কিংবা প্রান্তিক অঞ্চলের বন্যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও আমাদের নিজস্ব অপরিকল্পিত উন্নয়নের এক সমন্বিত খেসারত। কোটি কোটি টাকার মেগা প্রজেক্টের ফাইল তখনই সফল হবে, যখন রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং প্রতিটি নাগরিক তার দায়িত্ব সচেতনভাবে পালন করবেন। প্রকৃতি আমাদের শেষ সতর্কবার্তা দিচ্ছে; এখন সময় এসেছে বিশ্বমানের অভিযোজন রূপরেখা বাস্তবায়ন করে এই অনন্য বদ্বীপ ও তার কোটি কোটি মানুষের ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করার।

এমএসএম / এমএসএম

ডুবছে মেগাসিটি,কাঁপছে উপকূল: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রলয়ংকরী থাবায় বাংলাদেশ

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল দ্রুত প্রকাশ ও শতভাগ নিয়োগের দাবি

ব্যাংক কর্মকর্তা আরিফুল হত্যার বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন

অর্থের প্রভাব খাটিয়ে বাকাস এর সভা, কর্মরত কর্মচারীদের চাপা ক্ষোভ

ঢাকার রাস্তায় আজও সঙ্গী বৃষ্টির ভোগান্তি

উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেলেন বিপুলসংখ্যক মানুষ

৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের বিএমডিসি নিবন্ধনের দাবিতে মানববন্ধন

পুলিশের চাকরি কাওসার রুমির হাতে জাদুর কাঠি

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াবে বিজনেস এলিট ক্লাব -খালেদ মোশারফ হোসেন চৌধুরী ‎

ডাব্লুএসএফসি নির্বাহী পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

কাশিমপুর কারাগার থেকে পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ঢাকায় গ্রেফতার

ঢাকায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কাউন্সিল ও সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ডেমরায় ধার্মিক পাড়া মাদক নির্মূল কমিটির উদ্যোগে ব্যবসা ও সেবনের বিস্তার রোধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি র‍্যালি